শিরোনাম :
সলপের ঘোল, মাঠায় রাসায়নিক ব্যবহার এইচ-১বি ভিসা অপব্যবহারে গ্রিন কার্ড সুবিধা স্থগিত করলেন ট্রাম্প একাধিকবার শুনতে হয়েছে যে ইসলামে আছে স্ত্রী পুরুষের দাস: সামান্তা রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন, ডিসেম্বরেই গ্রিডে যুক্ত সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন ডিসেম্বরে হাসিনার ফেরার ঘোষণা, এক মাসে গ্রেফতার ৫৩ হাজার পায়ুপথে আমিরাত থেকে বয়ে আনল ১ কেজি সোনার ডিম রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় দুটি সেনাক্যাম্পের সিদ্ধান্ত সরকারের ঢাকার গণপরিবহণে বিশৃঙ্খলা দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ চট্টগ্রাম বন্দর টার্মিনাল পরিচালনায় ১৫ বছরের চুক্তি পেল দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড

বিপদ এড়াতে ল্যাপটপের যেসব সেটিংস বন্ধ রাখা জরুরী

উইন্ডোজ ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ ব্যবহার করার সময় অনেকেই খেয়াল করেন না যে অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরে এমন কিছু সেটিংস চালু থাকে, যা নীরবে ব্যবহারকারীর নানা তথ্য সংগ্রহ করে। এসব সেটিংস মূলত ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নত করার নামে কাজ করলেও বাস্তবে এগুলো আপনার ব্যবহার-অভ্যাস, ডিভাইসের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অ্যাপের তথ্য মাইক্রোসফটের সার্ভারে পাঠাতে পারে। ফলে গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষার বিষয়টি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ডায়াগনস্টিক ডাটা সেটিংস
এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো ডায়াগনস্টিক ডাটা সেটিংস। এই অপশনের মাধ্যমে উইন্ডোজ আপনার ল্যাপটপের পারফরম্যান্স, কোন অ্যাপ কতবার ব্যবহার হচ্ছে, সিস্টেমে কী ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং কোন ফিচারগুলো বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে এসব তথ্য সংগ্রহ করে। এসব ডাটা মাইক্রোসফটকে সফটওয়্যার উন্নত করতে সাহায্য করলেও, ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ব্যবহার-সংক্রান্ত তথ্যও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে। চাইলে সেটিংস থেকে প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি অংশে গিয়ে এই অতিরিক্ত ডাটা পাঠানো বন্ধ করা যায়।

অ্যাডভার্টাইজিং আইডি
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাডভার্টাইজিং আইডি। উইন্ডোজ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য একটি আলাদা বিজ্ঞাপন শনাক্তকারী তৈরি করে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ ও সার্ভিস আপনার আগ্রহ ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখায়। এতে আপনি লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন পান, কিন্তু একই সঙ্গে আপনার অনলাইন আচরণও ট্র্যাক হয়। আপনি যদি ব্যক্তিগতকৃত বিজ্ঞাপন না দেখতে চান, তাহলে এই আইডিটি সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিতে পারেন।

অ্যাপ পারমিশন
অ্যাপ পারমিশনও ডাটা গোপনীয়তার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। অনেক সময় কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার পর সেটি ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, লোকেশন বা কনট্যাক্টের মতো সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহারের অনুমতি চায়। বেশিরভাগ ব্যবহারকারী না ভেবেই সব অনুমতি দিয়ে দেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই নিয়মিতভাবে অ্যাপগুলোর পারমিশন রিভিউ করে অপ্রয়োজনীয় অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া জরুরি।

লোকেশন
লোকেশন সার্ভিস চালু থাকলেও আপনার ভৌগোলিক অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ হতে পারে। যদিও স্মার্টফোনে লোকেশন অনেক সময় প্রয়োজনীয়, কিন্তু ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জরুরি নয়। এই অপশন চালু থাকলে আপনার অবস্থান মাইক্রোসফট ও কিছু অ্যাপের কাছে পৌঁছাতে পারে, যা প্রাইভেসির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে লোকেশন সেটিং বন্ধ রাখা ভালো।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সলপের ঘোল, মাঠায় রাসায়নিক ব্যবহার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

চট্টগ্রাম বন্দর টার্মিনাল পরিচালনায় ১৫ বছরের চুক্তি পেল দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বিপদ এড়াতে ল্যাপটপের যেসব সেটিংস বন্ধ রাখা জরুরী

আপডেট সময় ১১:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

উইন্ডোজ ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ ব্যবহার করার সময় অনেকেই খেয়াল করেন না যে অপারেটিং সিস্টেমের ভেতরে এমন কিছু সেটিংস চালু থাকে, যা নীরবে ব্যবহারকারীর নানা তথ্য সংগ্রহ করে। এসব সেটিংস মূলত ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নত করার নামে কাজ করলেও বাস্তবে এগুলো আপনার ব্যবহার-অভ্যাস, ডিভাইসের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অ্যাপের তথ্য মাইক্রোসফটের সার্ভারে পাঠাতে পারে। ফলে গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষার বিষয়টি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ডায়াগনস্টিক ডাটা সেটিংস
এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো ডায়াগনস্টিক ডাটা সেটিংস। এই অপশনের মাধ্যমে উইন্ডোজ আপনার ল্যাপটপের পারফরম্যান্স, কোন অ্যাপ কতবার ব্যবহার হচ্ছে, সিস্টেমে কী ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং কোন ফিচারগুলো বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে এসব তথ্য সংগ্রহ করে। এসব ডাটা মাইক্রোসফটকে সফটওয়্যার উন্নত করতে সাহায্য করলেও, ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ব্যবহার-সংক্রান্ত তথ্যও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে। চাইলে সেটিংস থেকে প্রাইভেসি অ্যান্ড সিকিউরিটি অংশে গিয়ে এই অতিরিক্ত ডাটা পাঠানো বন্ধ করা যায়।

অ্যাডভার্টাইজিং আইডি
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যাডভার্টাইজিং আইডি। উইন্ডোজ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য একটি আলাদা বিজ্ঞাপন শনাক্তকারী তৈরি করে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ ও সার্ভিস আপনার আগ্রহ ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখায়। এতে আপনি লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন পান, কিন্তু একই সঙ্গে আপনার অনলাইন আচরণও ট্র্যাক হয়। আপনি যদি ব্যক্তিগতকৃত বিজ্ঞাপন না দেখতে চান, তাহলে এই আইডিটি সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিতে পারেন।

অ্যাপ পারমিশন
অ্যাপ পারমিশনও ডাটা গোপনীয়তার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। অনেক সময় কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার পর সেটি ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, লোকেশন বা কনট্যাক্টের মতো সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহারের অনুমতি চায়। বেশিরভাগ ব্যবহারকারী না ভেবেই সব অনুমতি দিয়ে দেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই নিয়মিতভাবে অ্যাপগুলোর পারমিশন রিভিউ করে অপ্রয়োজনীয় অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া জরুরি।

লোকেশন
লোকেশন সার্ভিস চালু থাকলেও আপনার ভৌগোলিক অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ হতে পারে। যদিও স্মার্টফোনে লোকেশন অনেক সময় প্রয়োজনীয়, কিন্তু ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জরুরি নয়। এই অপশন চালু থাকলে আপনার অবস্থান মাইক্রোসফট ও কিছু অ্যাপের কাছে পৌঁছাতে পারে, যা প্রাইভেসির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে লোকেশন সেটিং বন্ধ রাখা ভালো।

Share this news as a Photo Card