শিরোনাম :
উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ১৩০০ প্রকল্পে অনিয়ম খতিয়ে দেখছে সরকার : অর্থমন্ত্রী এনবিআর আন্দোলনে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার লঘুদণ্ড মওকুফ জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই : হুমায়ুন কবির জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধীদের বেশি দিন আটকে রাখা যায় না : আইজিপি হাকিমাবাদে বার্ষিক ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী স. মহফিল অনুষ্ঠিত নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে ৯ দিন পর ২ শ্রমিক উদ্ধার বগুড়ায় ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ল প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে হরমুজ প্রণালিতে সৌদি ট্যাংকারে ইরানি হামলা, নিহত দুই নাবিক

ফুটপাত উচ্ছেদের আধা ঘণ্টা পরই ফের হকারদের দখল

গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ততম এলাকা জয়দেবপুর বাজার ও রাজবাড়ী রোডের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে অভিযান চালানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ফুটপাত আবার দখল হয়ে গেছে। সিটি করপোরেশনের অভিযান শেষ হওয়ার মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে হকাররা পুনরায় পণ্য সাজিয়ে বসে পড়েন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের অভিযান চালানো হলেও প্রতিবারই কিছুদিনের মধ্যে ফুটপাত ফের দখল হয়ে গেছে, যা নিয়ে নাগরিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকারের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে শতাধিক অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালানোর দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা করে মোট দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার সাংবাদিকদের বলেন, রাজবাড়ী রোডের ফুটপাত এখন থেকে কেবল পথচারীদের চলাচলের জন্যই উন্মুক্ত রাখা হবে। এখানে দোকানপাট বসানো বা যানবাহন পার্কিং করার সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি জানান, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা এবং শহরকে যানজটমুক্ত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উচ্ছেদ করা এলাকা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে দখলমুক্ত রাখার নির্দেশও দেন তিনি, পাশাপাশি নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে ধাপে ধাপে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। তার ভাষায়, শুধু অভিযান চালিয়ে দায়িত্ব শেষ করলেই চলবে না, উচ্ছেদ হওয়া জায়গা যেন পুনরায় বেদখল না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।
তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলে জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, অভিযান শেষ হতে না হতেই হকাররা আবার আগের জায়গায় ফিরে পসরা সাজিয়ে বসে পড়েন। অতীতের অভিযানগুলোর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে—সাময়িকভাবে ফুটপাত ফাঁকা হলেও কিছুদিন পরই তা আবার দখল হয়ে যায়। এর ফলে পথচারীরা বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন, যা ব্যস্ততম এই সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
অভিযানের সময় সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফিরোজ আল মামুন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুনসহ করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ১৩০০ প্রকল্পে অনিয়ম খতিয়ে দেখছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

হরমুজ প্রণালিতে সৌদি ট্যাংকারে ইরানি হামলা, নিহত দুই নাবিক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ফুটপাত উচ্ছেদের আধা ঘণ্টা পরই ফের হকারদের দখল

আপডেট সময় ০২:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ততম এলাকা জয়দেবপুর বাজার ও রাজবাড়ী রোডের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে অভিযান চালানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ফুটপাত আবার দখল হয়ে গেছে। সিটি করপোরেশনের অভিযান শেষ হওয়ার মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে হকাররা পুনরায় পণ্য সাজিয়ে বসে পড়েন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের অভিযান চালানো হলেও প্রতিবারই কিছুদিনের মধ্যে ফুটপাত ফের দখল হয়ে গেছে, যা নিয়ে নাগরিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকারের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে শতাধিক অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালানোর দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা করে মোট দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার সাংবাদিকদের বলেন, রাজবাড়ী রোডের ফুটপাত এখন থেকে কেবল পথচারীদের চলাচলের জন্যই উন্মুক্ত রাখা হবে। এখানে দোকানপাট বসানো বা যানবাহন পার্কিং করার সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি জানান, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা এবং শহরকে যানজটমুক্ত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উচ্ছেদ করা এলাকা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে দখলমুক্ত রাখার নির্দেশও দেন তিনি, পাশাপাশি নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে ধাপে ধাপে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। তার ভাষায়, শুধু অভিযান চালিয়ে দায়িত্ব শেষ করলেই চলবে না, উচ্ছেদ হওয়া জায়গা যেন পুনরায় বেদখল না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।
তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলে জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, অভিযান শেষ হতে না হতেই হকাররা আবার আগের জায়গায় ফিরে পসরা সাজিয়ে বসে পড়েন। অতীতের অভিযানগুলোর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে—সাময়িকভাবে ফুটপাত ফাঁকা হলেও কিছুদিন পরই তা আবার দখল হয়ে যায়। এর ফলে পথচারীরা বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন, যা ব্যস্ততম এই সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
অভিযানের সময় সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফিরোজ আল মামুন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুনসহ করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card