ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনার রায়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যাসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

শেখ হাসিনার এ রায় বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে।

বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। দেশজুড়ে বিস্তৃত ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে তার নির্দেশে সহিংস দমন-পীড়নের অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। গত বছরের সেই আন্দোলনে জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারায়।

সিএনএন

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ। গত বছর ছাত্র আন্দোলন দমনে সংঘটিত ব্যাপক সহিংসতা ও শতাধিক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ী প্রমাণিত হওয়ার পর সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয়। এই সহিংসতা থেকেই শেষ পর্যন্ত তার সরকারের পতন ঘটে।

রয়টার্স

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ আদালত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে কয়েক মাসব্যাপী বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করে। দশকের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এটি সবচেয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ। আর এই রায় এমন এক সময়ে এলো যখন আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এএফপি

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একটি আদালত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। বিচারক রায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতকক্ষে উপস্থিতদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও করতালি বেজে ওঠে।

৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভারতে থেকে দেশে ফিরে বিচার মোকাবিলা করতে অস্বীকৃতি জানান। গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন, সেই আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগেই তার বিরুদ্ধে এই মামলার বিচার চলছিল।

আল জাজিরা

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত বছরের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয়। ৭৮ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে পলাতক অবস্থায় ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন এবং অনুপস্থিতিতেই তার বিচার করা হয়। ট্রাইব্যুনাল তাকে গত বছরের গণবিক্ষোভ দমনের ‘মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান স্থপতি’ বলে অভিহিত করেছে। গত বছরের সেই দমন-পীড়নে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হন, যার দায় আদালত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকারের ওপর বর্তায় বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

ডন

পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একটি আদালত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। মাসব্যাপী বিচার শেষে আদালত রায়ে জানান—গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান দমনে প্রাণঘাতী অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, যা তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী প্রমাণ করেছে। রায়টি এমন সময় এলো যখন আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এনডিটিভি

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। গত বছরের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে কয়েক মাসব্যাপী বিচার শেষে ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করে। সেই সহিংস দমন-পীড়নের পরই তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। আদালত জানায়, তিনটি অভিযোগে শেখ হাসিনা দোষী প্রমাণিত হয়েছেন এবং তিনি গণঅভ্যুত্থান দমনের প্রধান নির্দেশদাতা ছিলেন।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভে প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানি এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে মারাত্মক আহত করার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা হয়। গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) আলোচিত এই মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনার রায়

আপডেট সময় ০৪:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যাসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

শেখ হাসিনার এ রায় বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে।

বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। দেশজুড়ে বিস্তৃত ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে তার নির্দেশে সহিংস দমন-পীড়নের অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। গত বছরের সেই আন্দোলনে জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারায়।

সিএনএন

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ। গত বছর ছাত্র আন্দোলন দমনে সংঘটিত ব্যাপক সহিংসতা ও শতাধিক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ী প্রমাণিত হওয়ার পর সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয়। এই সহিংসতা থেকেই শেষ পর্যন্ত তার সরকারের পতন ঘটে।

রয়টার্স

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ আদালত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে কয়েক মাসব্যাপী বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করে। দশকের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এটি সবচেয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ। আর এই রায় এমন এক সময়ে এলো যখন আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এএফপি

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একটি আদালত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। বিচারক রায় পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতকক্ষে উপস্থিতদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও করতালি বেজে ওঠে।

৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভারতে থেকে দেশে ফিরে বিচার মোকাবিলা করতে অস্বীকৃতি জানান। গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন, সেই আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগেই তার বিরুদ্ধে এই মামলার বিচার চলছিল।

আল জাজিরা

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত বছরের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয়। ৭৮ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে পলাতক অবস্থায় ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন এবং অনুপস্থিতিতেই তার বিচার করা হয়। ট্রাইব্যুনাল তাকে গত বছরের গণবিক্ষোভ দমনের ‘মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান স্থপতি’ বলে অভিহিত করেছে। গত বছরের সেই দমন-পীড়নে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হন, যার দায় আদালত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকারের ওপর বর্তায় বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

ডন

পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একটি আদালত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। মাসব্যাপী বিচার শেষে আদালত রায়ে জানান—গত বছর ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান দমনে প্রাণঘাতী অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, যা তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী প্রমাণ করেছে। রায়টি এমন সময় এলো যখন আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এনডিটিভি

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। গত বছরের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে কয়েক মাসব্যাপী বিচার শেষে ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করে। সেই সহিংস দমন-পীড়নের পরই তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। আদালত জানায়, তিনটি অভিযোগে শেখ হাসিনা দোষী প্রমাণিত হয়েছেন এবং তিনি গণঅভ্যুত্থান দমনের প্রধান নির্দেশদাতা ছিলেন।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভে প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানি এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে মারাত্মক আহত করার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা হয়। গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) আলোচিত এই মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।