শিরোনাম :
উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ১৩০০ প্রকল্পে অনিয়ম খতিয়ে দেখছে সরকার : অর্থমন্ত্রী এনবিআর আন্দোলনে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার লঘুদণ্ড মওকুফ জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই : হুমায়ুন কবির জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধীদের বেশি দিন আটকে রাখা যায় না : আইজিপি হাকিমাবাদে বার্ষিক ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী স. মহফিল অনুষ্ঠিত নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে ৯ দিন পর ২ শ্রমিক উদ্ধার বগুড়ায় ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ল প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে হরমুজ প্রণালিতে সৌদি ট্যাংকারে ইরানি হামলা, নিহত দুই নাবিক

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ১১৬৩ রোগী

সোমবার সারা দেশে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে, একই সঙ্গে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন রোগী।

গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন খুলনা বিভাগে, ২৮৩ জন। এরপরই রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা, যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮২ জন। ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ১৫৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১৩২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১২০ জন রোগী নতুন করে চিহ্নিত হয়েছেন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮৭ জন, রংপুর বিভাগে ৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

সবশেষ এই পরিসংখ্যান যুক্ত হওয়ার পর চলতি বছরে দেশে মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৮৪৬ জনে। একই সময়ে এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯৭ জন। তবে স্বস্তির খবর হলো, চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২০৫ জন রোগী, যা মোট আক্রান্তের একটি বড় অংশ।

লতি বছরের চিত্র আগের দুই বছরের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। গত বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন, যাদের মধ্যে মারা যান ৪১৩ জন। আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে আসছেন, জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ১৩০০ প্রকল্পে অনিয়ম খতিয়ে দেখছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

হরমুজ প্রণালিতে সৌদি ট্যাংকারে ইরানি হামলা, নিহত দুই নাবিক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ১১৬৩ রোগী

আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সোমবার সারা দেশে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে, একই সঙ্গে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন রোগী।

গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন খুলনা বিভাগে, ২৮৩ জন। এরপরই রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা, যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮২ জন। ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ১৫৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১৩২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১২০ জন রোগী নতুন করে চিহ্নিত হয়েছেন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮৭ জন, রংপুর বিভাগে ৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

সবশেষ এই পরিসংখ্যান যুক্ত হওয়ার পর চলতি বছরে দেশে মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৮৪৬ জনে। একই সময়ে এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯৭ জন। তবে স্বস্তির খবর হলো, চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২০৫ জন রোগী, যা মোট আক্রান্তের একটি বড় অংশ।

লতি বছরের চিত্র আগের দুই বছরের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। গত বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন, যাদের মধ্যে মারা যান ৪১৩ জন। আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে আসছেন, জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

Share this news as a Photo Card