ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনেক পরীক্ষক খাতা না দেখে ‘হেলপার’ দিয়ে মূল্যায়ন করেন : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি তেল কিনতে ক্রেতাদের ডাকছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘গভীর অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান বিদেশি ঋণ জাতিকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেবে না : জামায়াতের আমির নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ অশুভ শক্তি ইসরায়েল মানবতার জন্য অভিশাপ : খাজা আসিফ জ্বালানির ভর্তুকির বাইরেও লাগবে ৩৬ হাজার কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল পাস যুদ্ধবিরতি থেকে সরে দাঁড়ানোর হুঁমকি ইরানের রায়ে সন্তুষ্ট নয় আবু সাঈদের বাবা

বাংলাদেশের কাছে ইলিশের আবদার ভারতের

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে বিতর্কের জেরে ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানিতে সাধারণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই উপহার হিসেবে ইলিশ পাঠাত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। দুর্গাপূজা, পয়লা বৈশাখ ও জামাই ষষ্ঠীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে ভারতে গেছে ইলিশ। দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করতে এই ইলিশ পাঠানো বেশ কার্যকর হয়েছে বলে মনে করত সরকার। তবে, গণবিপ্লবের মুখে ওই সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট দিল্লিতে পালিয়ে যাওয়ার পর এবারের দুর্গাপূজায় ইলিশ নাও পেতে পারে ভারত—এমন গুঞ্জন উঠেছে। এমন অবস্থায় ভারতের পক্ষ থেকে ইলিশ পাঠানোর আবদার করে বাংলাদেশের কাছে চিঠি পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ যায় ভারতে। তবে, এবার ইলিশ যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। এ অনিশ্চয়তার মধ্যেও কিছুটা আশার আলো দেখা গেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ভারতের ফিস এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্য়াসোসিয়েশন ইলিশ রপ্তানির জন্য় আবেদন জানিয়েছে। প্রতিবারের রীতি মেনে ভারতে ইলিশ পাঠানোর জন্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে আবেদন করেছে তারা।

জানা গেছে, রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ২০১৯ সালে দুর্গাপূজার উপহার হিসেবে ভারতে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করেছিল শেখ হাসিনা সরকার। ২০২০ সালেও ইলিশ গেছে দেশটিতে। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, গত বছরও এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইলিশ গিয়েছিল বাংলাদেশ থেকে। তবে, এবার আবেদন করা হলেও কী পরিমাণ ইলিশ পাবে ভারত বা আদৌ পাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত না।

আরো পড়ুন : দিল্লির সমান জায়গা দখল করেছে চীন : রাহুল গান্ধী

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

অনেক পরীক্ষক খাতা না দেখে ‘হেলপার’ দিয়ে মূল্যায়ন করেন : শিক্ষামন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

বাংলাদেশের কাছে ইলিশের আবদার ভারতের

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে বিতর্কের জেরে ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানিতে সাধারণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই উপহার হিসেবে ইলিশ পাঠাত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। দুর্গাপূজা, পয়লা বৈশাখ ও জামাই ষষ্ঠীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে ভারতে গেছে ইলিশ। দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করতে এই ইলিশ পাঠানো বেশ কার্যকর হয়েছে বলে মনে করত সরকার। তবে, গণবিপ্লবের মুখে ওই সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট দিল্লিতে পালিয়ে যাওয়ার পর এবারের দুর্গাপূজায় ইলিশ নাও পেতে পারে ভারত—এমন গুঞ্জন উঠেছে। এমন অবস্থায় ভারতের পক্ষ থেকে ইলিশ পাঠানোর আবদার করে বাংলাদেশের কাছে চিঠি পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাংলাদেশ থেকে ইলিশ যায় ভারতে। তবে, এবার ইলিশ যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। এ অনিশ্চয়তার মধ্যেও কিছুটা আশার আলো দেখা গেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ভারতের ফিস এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স অ্য়াসোসিয়েশন ইলিশ রপ্তানির জন্য় আবেদন জানিয়েছে। প্রতিবারের রীতি মেনে ভারতে ইলিশ পাঠানোর জন্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে আবেদন করেছে তারা।

জানা গেছে, রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ২০১৯ সালে দুর্গাপূজার উপহার হিসেবে ভারতে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি করেছিল শেখ হাসিনা সরকার। ২০২০ সালেও ইলিশ গেছে দেশটিতে। হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, গত বছরও এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইলিশ গিয়েছিল বাংলাদেশ থেকে। তবে, এবার আবেদন করা হলেও কী পরিমাণ ইলিশ পাবে ভারত বা আদৌ পাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত না।

আরো পড়ুন : দিল্লির সমান জায়গা দখল করেছে চীন : রাহুল গান্ধী