শিরোনাম :
চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা: ইসি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ১৩০০ প্রকল্পে অনিয়ম খতিয়ে দেখছে সরকার : অর্থমন্ত্রী এনবিআর আন্দোলনে শাস্তি পাওয়া ২০ কর্মকর্তার লঘুদণ্ড মওকুফ জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই : হুমায়ুন কবির জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধীদের বেশি দিন আটকে রাখা যায় না : আইজিপি হাকিমাবাদে বার্ষিক ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী স. মহফিল অনুষ্ঠিত নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে ৯ দিন পর ২ শ্রমিক উদ্ধার বগুড়ায় ধানক্ষেতে গিয়ে পড়ল প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে

বাংলাদেশে আল-কায়েদার ঘাঁটি বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে জাতিসংঘের একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন সামনে আসার পর এ নিয়ে প্রাথমিক কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রবিবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রতিবেদনটি এখনও পড়া হয়নি বলেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও অবস্থান নেওয়া সমীচীন নয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেদনটি আমি এখনও পড়িনি। শুনেছি মাত্র। সেখানে হয়তো কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নিজে না দেখে এ নিয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।’ সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান, ‘আমরা এগুলো এই মুহূর্তে আমলে নিচ্ছি না। রিপোর্টও পড়া হয়নি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে যতটুকু জেনেছি, তাতে বলা হয়েছে—এমন কিছু হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে মাত্র। শুধু অনুমাননির্ভর কোনও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার পদক্ষেপ নিতে পারে না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আল-কায়েদা ও আইএসবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে ঘিরে। ওই প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনটির ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা বাংলাদেশে ছোট পরিসরে ও গোপনে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল-কায়েদার কোনও সক্রিয় ঘাঁটি ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টিকে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে। এই পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করেই দেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে, আর সেই আলোচনার মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয় সরকারের অবস্থান কী।

সাংবাদিক সম্মেলনে আল-কায়েদা প্রসঙ্গের বাইরেও উঠে আসে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি সংক্রান্ত প্রশ্ন। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অর্জিত অগ্রগতি সংকলিত করে শিগগিরই তা প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যে অগ্রগতি ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা করতে পেরেছি, সেগুলো কম্পাইল করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশন থেকে অথবা একটি সমন্বিত প্রতিবেদন আকারে মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করবো বলে আশা করছি।’

সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ড চালুর পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের ধর্মীয় ব্যক্তিদের অনুদান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি সেই বৈঠকেই অনুমোদিত হয়েছিল। একই সঙ্গে ক্রীড়াবিদ ও সংস্কৃতিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

খাদ্য নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনা প্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে। জাতীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি বিভিন্ন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, যার ফলে খাদ্য নিরাপত্তার একটি শক্ত ভিত্তি ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সব মিলিয়ে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক দিকে, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখিত সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে সরকার এখনও সতর্ক ও পর্যবেক্ষণমূলক অবস্থানেই রয়েছে; নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপে যেতে নারাজ কর্তৃপক্ষ। অন্য দিকে, সরকার তার ছয় মাসের কার্যক্রমের একটি সামগ্রিক চিত্র শিগগিরই জনসম্মুখে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে কৃষি কার্ড থেকে শুরু করে ধর্মীয় ব্যক্তিদের স্বীকৃতি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতের অর্জন এবং খাদ্য নিরাপত্তার অগ্রগতি—সবকিছুই স্থান পাবে।

আল-কায়েদা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনা এখনও থামেনি। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, জাতিসংঘের এই ধরনের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনকে হালকাভাবে না দেখে বরং প্রাথমিক তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করাই সমীচীন হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—কোনও প্রতিবেদন প্রকাশ্যে পড়ার আগে এবং তার তথ্যভিত্তি যাচাই না করে কোনও ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না। আগামী দিনগুলোতে প্রতিবেদনটি খতিয়ে দেখার পর সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা: ইসি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বাংলাদেশে আল-কায়েদার ঘাঁটি বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে জাতিসংঘের একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন সামনে আসার পর এ নিয়ে প্রাথমিক কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রবিবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রতিবেদনটি এখনও পড়া হয়নি বলেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও অবস্থান নেওয়া সমীচীন নয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেদনটি আমি এখনও পড়িনি। শুনেছি মাত্র। সেখানে হয়তো কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নিজে না দেখে এ নিয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।’ সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান, ‘আমরা এগুলো এই মুহূর্তে আমলে নিচ্ছি না। রিপোর্টও পড়া হয়নি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে যতটুকু জেনেছি, তাতে বলা হয়েছে—এমন কিছু হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে মাত্র। শুধু অনুমাননির্ভর কোনও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার পদক্ষেপ নিতে পারে না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আল-কায়েদা ও আইএসবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে ঘিরে। ওই প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনটির ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা বাংলাদেশে ছোট পরিসরে ও গোপনে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল-কায়েদার কোনও সক্রিয় ঘাঁটি ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টিকে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে। এই পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করেই দেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে, আর সেই আলোচনার মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয় সরকারের অবস্থান কী।

সাংবাদিক সম্মেলনে আল-কায়েদা প্রসঙ্গের বাইরেও উঠে আসে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি সংক্রান্ত প্রশ্ন। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অর্জিত অগ্রগতি সংকলিত করে শিগগিরই তা প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যে অগ্রগতি ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা করতে পেরেছি, সেগুলো কম্পাইল করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশন থেকে অথবা একটি সমন্বিত প্রতিবেদন আকারে মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করবো বলে আশা করছি।’

সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কৃষক কার্ড চালুর পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের ধর্মীয় ব্যক্তিদের অনুদান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি সেই বৈঠকেই অনুমোদিত হয়েছিল। একই সঙ্গে ক্রীড়াবিদ ও সংস্কৃতিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

খাদ্য নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনা প্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে। জাতীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি বিভিন্ন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, যার ফলে খাদ্য নিরাপত্তার একটি শক্ত ভিত্তি ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সব মিলিয়ে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এক দিকে, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখিত সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে সরকার এখনও সতর্ক ও পর্যবেক্ষণমূলক অবস্থানেই রয়েছে; নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপে যেতে নারাজ কর্তৃপক্ষ। অন্য দিকে, সরকার তার ছয় মাসের কার্যক্রমের একটি সামগ্রিক চিত্র শিগগিরই জনসম্মুখে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে কৃষি কার্ড থেকে শুরু করে ধর্মীয় ব্যক্তিদের স্বীকৃতি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতের অর্জন এবং খাদ্য নিরাপত্তার অগ্রগতি—সবকিছুই স্থান পাবে।

আল-কায়েদা সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনা এখনও থামেনি। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, জাতিসংঘের এই ধরনের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনকে হালকাভাবে না দেখে বরং প্রাথমিক তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করাই সমীচীন হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—কোনও প্রতিবেদন প্রকাশ্যে পড়ার আগে এবং তার তথ্যভিত্তি যাচাই না করে কোনও ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না। আগামী দিনগুলোতে প্রতিবেদনটি খতিয়ে দেখার পর সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card