ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ষড়যন্ত্র চলছে, ঐক্যবদ্ধ না হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে : তারেক রহমান ওসমান হাদির ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তিন দলের বৈঠক ওসমান হাদির সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড হাদির ওপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার স্থান নেই : মির্জা ফখরুল ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত 

তীব্র তাপদাহে বিপাকে মোংলার খেটে খাওয়া মানুষ

 মাসুদ রানা, মোংলা প্রতিনিধি:
 সারা দেশের ন্যায় মোংলা সহ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয় এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে  তীব্র তাপপ্রবাহ। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষের জনজীবন। বয়ে যাওয়া এ তাপদাহ আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানায় মোংলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগার কর্তৃপক্ষ।
আবহাওয়া অফিস জানায়, দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চলে তাপপ্রবাহ বেশি বলে জানিয়েছে মোংলার আবহাওয়া অফিস। মোংলা উপকুলীয় এলাকায় শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টায়  রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়েস, যা আজ শনিবার  সর্বোচ্চ তাপমাত্র  ৪১ ডিগ্রী। দুই দিনে ছিল এ অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গরমের তিব্রতা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটির পক্ষ  থেকে।
মোংলা আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, মোংলা সহ দক্ষিনাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা ও বিভাগীয় শহরের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে আরো ২/৩ দিন। টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মোংলা সহ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয অঞ্চলে মানুষ। অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন তেমন বাইরে বের হচ্ছেন না। গরমে টিকতে না পেরে দিনমজুররা দুপুরের আগেই কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছেন।
এদিকে, গরমে একটু স্বস্তি পেতে ঠান্ডা শরবত, পানি, আইসক্রিম খেয়ে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে। অতিরিক্ত গরমে গা ঘেমে শরীরে বসে যাওয়ায় জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, হিটস্ট্রোকসহ রোগবালাই বেড়ে চলেছে। শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকেরা। এই আবহাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
শহরের ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালক ও রিকশাচালকরা বলেন, প্রচণ্ড গরমে রোজার মাসে যাত্রী পাইনি। আবার সেই গরম শুরু হয়েছে। একেবারেই যাত্রী নেই, সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে। জানি না কবে বৃষ্টির দেখা মিলবে।
ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ষড়যন্ত্র চলছে, ঐক্যবদ্ধ না হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে : তারেক রহমান

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

তীব্র তাপদাহে বিপাকে মোংলার খেটে খাওয়া মানুষ

আপডেট সময় ১১:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
 মাসুদ রানা, মোংলা প্রতিনিধি:
 সারা দেশের ন্যায় মোংলা সহ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয় এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে  তীব্র তাপপ্রবাহ। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মানুষের জনজীবন। বয়ে যাওয়া এ তাপদাহ আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানায় মোংলা আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগার কর্তৃপক্ষ।
আবহাওয়া অফিস জানায়, দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চলে তাপপ্রবাহ বেশি বলে জানিয়েছে মোংলার আবহাওয়া অফিস। মোংলা উপকুলীয় এলাকায় শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টায়  রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়েস, যা আজ শনিবার  সর্বোচ্চ তাপমাত্র  ৪১ ডিগ্রী। দুই দিনে ছিল এ অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গরমের তিব্রতা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটির পক্ষ  থেকে।
মোংলা আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, মোংলা সহ দক্ষিনাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা ও বিভাগীয় শহরের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে আরো ২/৩ দিন। টানা তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মোংলা সহ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকুলীয অঞ্চলে মানুষ। অতি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন তেমন বাইরে বের হচ্ছেন না। গরমে টিকতে না পেরে দিনমজুররা দুপুরের আগেই কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছেন।
এদিকে, গরমে একটু স্বস্তি পেতে ঠান্ডা শরবত, পানি, আইসক্রিম খেয়ে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে। অতিরিক্ত গরমে গা ঘেমে শরীরে বসে যাওয়ায় জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, হিটস্ট্রোকসহ রোগবালাই বেড়ে চলেছে। শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে পরামর্শ দিচ্ছেন মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকেরা। এই আবহাওয়ায় খেটে খাওয়া মানুষেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
শহরের ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালক ও রিকশাচালকরা বলেন, প্রচণ্ড গরমে রোজার মাসে যাত্রী পাইনি। আবার সেই গরম শুরু হয়েছে। একেবারেই যাত্রী নেই, সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে। জানি না কবে বৃষ্টির দেখা মিলবে।
আরো পড়ুন : শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে সুন্দরবনে হরিণ শিকারের চেষ্টায় যুবক আটক