শিরোনাম :
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে গবেষণা ও এআইয়ে জোর দিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী বন্যায় প্লাবিত গাজার ৭০ হাজার তাঁবু, ঝুঁকিতে ৪ লাখ মানুষ সড়কে একসঙ্গে প্রাণ হারাচ্ছে পরিবার, ছয় বছরে প্রায় ৩০০ পরিবার নিশ্চিহ্ন সিলেট টেস্টে হজের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে কঠিন হলো বাংলাদেশের জয়ের পথ সমবায় আন্দোলনকে দুর্নীতিমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সমবায়ের আদর্শে মানুষকে স্বনির্ভর করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরাও এনআইডি সেবার আওতায় আসবে: ইসি টং দোকান থেকে ক্যাসিনো সম্রাট রুবেল শত কোটি টাকার মালিক! ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

একটি গাছে বারো রঙয়ের ফুল ফোটালেন আব্বাস আলী

ফুল ভালবাসে না এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। আর সেই ফুল প্রেমীদের একজন আব্বাস আলী। তার  দীর্ঘ গবেষণা আর পরিশ্রমের পর একটি গাছে বারো রঙয়ের ফুল ফোটাতে সক্ষম হয়েছেন আব্বাস আলী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রংপুর জেলাধীন বদরগঞ্জ উপজেলার ৯নং দামুদারপুর ইউনিয়নের বানুয়া পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্বাস আলী প্রায় ২ যুগ আগে ছোট আকারে তার বাসতবাড়ীর এক পাশে শুরু করেন নার্সারী। বর্তমানে তার একই নামে  চারটি  শাখা সহ একটি সেল সেন্টার রয়েছেন। সেখানে কাজ করছেন প্রায় এক’শ শ্রমিক। তিনি তার বাগানে দেশী ফল-মূলের গাছ এর পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারাও উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন আব্বাস আলী। শুধু বিদেশী ফলের চারাই নয়। পাশাপাশি বিদেশী ফুলের চারা সহ দেশী ফুলের চারাও পাওয়া যায় তার নার্সারীতে।
সৌরভ নার্সারীতে চারা কিনতে আসা মাসুম মিয়া নামে একজন ক্রেতা বলেন,আমি অনেক নার্সারীতে গিয়ে ছিলাম কিন্তু এনার মত ব্যাতিক্রমি গাছ বা চারা কোথাও পাইনি।তিনি আরো বলেন আমি এখানে একটি গাছে বারো কালারে বাগান বিলাস ফুল ফুটতে দেখে আবাক হয়েছি।
সৌরভ নার্সারীর প্রোপাইটার মোঃ আব্বাস আলী বলেন,আমি আজ থেকে প্রায় ২ যুগ আগে মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে আমার বসতভিটার এক পাশে শুরু করেছিলাম একক উদ্যোগে। তখন সবাই আমাকে নিয়ে উপহাস করেছিল। আমি তাদের উপহাসকে আমার প্রেরণা মনে করেছি। এবং তাদের এই উপহাস আমাকে আরো সফলতার কাজে হেল্প করেছেন। তিনি আরো বলেন, আমি প্রথমের দিকে ক্ষতি গ্রস্ত হলেও বর্তমানে আমি সফল এবং লাভবান। আমাদের একটি থেকে এখন পাঁচটি শাখা করেছি। সব মিলে আমি প্রায় এক শত পরিবারের কর্ম সংস্থান করতে পেরেছি। তবে আমি যদি সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগীতা এবং কৃষি অধিদপ্তর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতাসহ তাদের পৃষ্টোপোষকতা পাই আরো ভাল কিছু করতে পারব বলে দাবী করেন আব্বাস আলী।
বদরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার মোছাঃ সেলিনা আফরোজ বলেন,আমি সেখানে গিয়েছিলাম এবং দেখে এসেছি। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সর্বদা  তদারকি করব এবং সর্বদা  যে সকল পরামর্শ লাগবে আমরা তা প্রদান করব।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে গবেষণা ও এআইয়ে জোর দিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

একটি গাছে বারো রঙয়ের ফুল ফোটালেন আব্বাস আলী

আপডেট সময় ০৯:৫০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
ফুল ভালবাসে না এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। আর সেই ফুল প্রেমীদের একজন আব্বাস আলী। তার  দীর্ঘ গবেষণা আর পরিশ্রমের পর একটি গাছে বারো রঙয়ের ফুল ফোটাতে সক্ষম হয়েছেন আব্বাস আলী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রংপুর জেলাধীন বদরগঞ্জ উপজেলার ৯নং দামুদারপুর ইউনিয়নের বানুয়া পাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্বাস আলী প্রায় ২ যুগ আগে ছোট আকারে তার বাসতবাড়ীর এক পাশে শুরু করেন নার্সারী। বর্তমানে তার একই নামে  চারটি  শাখা সহ একটি সেল সেন্টার রয়েছেন। সেখানে কাজ করছেন প্রায় এক’শ শ্রমিক। তিনি তার বাগানে দেশী ফল-মূলের গাছ এর পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারাও উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন আব্বাস আলী। শুধু বিদেশী ফলের চারাই নয়। পাশাপাশি বিদেশী ফুলের চারা সহ দেশী ফুলের চারাও পাওয়া যায় তার নার্সারীতে।
সৌরভ নার্সারীতে চারা কিনতে আসা মাসুম মিয়া নামে একজন ক্রেতা বলেন,আমি অনেক নার্সারীতে গিয়ে ছিলাম কিন্তু এনার মত ব্যাতিক্রমি গাছ বা চারা কোথাও পাইনি।তিনি আরো বলেন আমি এখানে একটি গাছে বারো কালারে বাগান বিলাস ফুল ফুটতে দেখে আবাক হয়েছি।
সৌরভ নার্সারীর প্রোপাইটার মোঃ আব্বাস আলী বলেন,আমি আজ থেকে প্রায় ২ যুগ আগে মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে আমার বসতভিটার এক পাশে শুরু করেছিলাম একক উদ্যোগে। তখন সবাই আমাকে নিয়ে উপহাস করেছিল। আমি তাদের উপহাসকে আমার প্রেরণা মনে করেছি। এবং তাদের এই উপহাস আমাকে আরো সফলতার কাজে হেল্প করেছেন। তিনি আরো বলেন, আমি প্রথমের দিকে ক্ষতি গ্রস্ত হলেও বর্তমানে আমি সফল এবং লাভবান। আমাদের একটি থেকে এখন পাঁচটি শাখা করেছি। সব মিলে আমি প্রায় এক শত পরিবারের কর্ম সংস্থান করতে পেরেছি। তবে আমি যদি সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগীতা এবং কৃষি অধিদপ্তর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতাসহ তাদের পৃষ্টোপোষকতা পাই আরো ভাল কিছু করতে পারব বলে দাবী করেন আব্বাস আলী।
বদরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার মোছাঃ সেলিনা আফরোজ বলেন,আমি সেখানে গিয়েছিলাম এবং দেখে এসেছি। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সর্বদা  তদারকি করব এবং সর্বদা  যে সকল পরামর্শ লাগবে আমরা তা প্রদান করব।

Share this news as a Photo Card