শিরোনাম :
আসিফ সহ চারজনের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি: অনুসন্ধানে দুদক ভারত সফর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে : দীনেশ বেতন বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা বিদ্যুৎ মন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাষ্ট্রপতি বিপিএল ফিক্সিংয়ে এবার বিসিবির পরিচালক সমালোচনার মুখে স্থগিত আইয়ুব বাচ্চুর ‘উত্তরাধিকার’ ট্রিবিউট প্রকল্প বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও এনেছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক জোরদারের আশা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দুই বছরের মধ্যে গ্রাম ও শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ : তথ্য উপদেষ্টা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

ভারত সফর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে : দীনেশ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক আরও নিবিড় করার লক্ষ্যে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই প্রস্তাবের কথা জানান।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দলীয় অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে দুই দেশের সংসদ সদস্যরা একটি বন্ধুত্ব গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করতে পারেন, যা দুই দেশের জনগণের মধ্যে ‘পিপল-টু-পিপল’ সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে পরিচিত জাতীয় সংসদ ভবনে আসতে পেরে তিনি আনন্দ ও সম্মান প্রকাশ করেন এবং বলেন, সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে সংসদেই।

সংসদ ভবনের স্থাপত্য ও তার চারপাশের জলাধার-প্রকৃতির প্রশংসা করে হাইকমিশনার বলেন, এই দৃশ্য তাকে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হোয়্যার দ্য মাইন্ড ইজ উইদাউট ফিয়ার অ্যান্ড দ্য হেড ইজ হেল্ড হাই’ কবিতার কথা মনে করিয়ে দেয়।

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, উভয় বৈঠকই ছিল ফলপ্রসূ এবং দুই দেশের সংসদ সদস্যরা কীভাবে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ সময় তিনি জানান, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সকালেই তার কথা হয়েছে এবং ওম বিড়লা বাংলাদেশের স্পিকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারতের ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপে দুই দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা দলীয় বিভাজন অতিক্রম করে অংশ নিতে পারবেন বলে জানান হাইকমিশনার। তিনি বলেন, রাজনীতি নিজ নিজ পথে চলবে, তবে সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান হিসেবেই থেকে যাবে। এ ধরনের যোগাযোগকে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি জানান, ভারতের পক্ষ থেকেও শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও এখতিয়ারের ওপর নির্ভরশীল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব ব্যক্তি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী হলে ইতিবাচক ফলাফলই আসবে বলে তিনি আশাবাদী। গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, আলোচনা একটি প্রবাহমান নদীর মতো—চলতেই থাকে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নব-নির্বাচিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

৩১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ভারত সফর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে : দীনেশ

আপডেট সময় ০৪:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক আরও নিবিড় করার লক্ষ্যে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই প্রস্তাবের কথা জানান।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দলীয় অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে দুই দেশের সংসদ সদস্যরা একটি বন্ধুত্ব গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করতে পারেন, যা দুই দেশের জনগণের মধ্যে ‘পিপল-টু-পিপল’ সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে। ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে পরিচিত জাতীয় সংসদ ভবনে আসতে পেরে তিনি আনন্দ ও সম্মান প্রকাশ করেন এবং বলেন, সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে সংসদেই।

সংসদ ভবনের স্থাপত্য ও তার চারপাশের জলাধার-প্রকৃতির প্রশংসা করে হাইকমিশনার বলেন, এই দৃশ্য তাকে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হোয়্যার দ্য মাইন্ড ইজ উইদাউট ফিয়ার অ্যান্ড দ্য হেড ইজ হেল্ড হাই’ কবিতার কথা মনে করিয়ে দেয়।

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, উভয় বৈঠকই ছিল ফলপ্রসূ এবং দুই দেশের সংসদ সদস্যরা কীভাবে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ সময় তিনি জানান, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সকালেই তার কথা হয়েছে এবং ওম বিড়লা বাংলাদেশের স্পিকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারতের ‘টেম্পল অব ডেমোক্রেসি’ পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপে দুই দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা দলীয় বিভাজন অতিক্রম করে অংশ নিতে পারবেন বলে জানান হাইকমিশনার। তিনি বলেন, রাজনীতি নিজ নিজ পথে চলবে, তবে সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্বের প্রতিষ্ঠান হিসেবেই থেকে যাবে। এ ধরনের যোগাযোগকে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি জানান, ভারতের পক্ষ থেকেও শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও এখতিয়ারের ওপর নির্ভরশীল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব ব্যক্তি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী হলে ইতিবাচক ফলাফলই আসবে বলে তিনি আশাবাদী। গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, আলোচনা একটি প্রবাহমান নদীর মতো—চলতেই থাকে।

Share this news as a Photo Card