শিরোনাম :
আসিফ সহ চারজনের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি: অনুসন্ধানে দুদক ভারত সফর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে : দীনেশ বেতন বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা বিদ্যুৎ মন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাষ্ট্রপতি বিপিএল ফিক্সিংয়ে এবার বিসিবির পরিচালক সমালোচনার মুখে স্থগিত আইয়ুব বাচ্চুর ‘উত্তরাধিকার’ ট্রিবিউট প্রকল্প বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও এনেছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক জোরদারের আশা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দুই বছরের মধ্যে গ্রাম ও শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ : তথ্য উপদেষ্টা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আসিফ সহ চারজনের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি: অনুসন্ধানে দুদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের গণসংযোগ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিমকে। টিমে আরও রয়েছেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

আসিফ মাহমুদ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুম আহমেদ। অভিযোগ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চরম অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করিয়ে নতুন পদায়নের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৭৬ লাখ টাকা। এছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও পছন্দসই স্থানে পদায়নের বিনিময়ে আদায় করা হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

দুদকের অভিযোগপত্রে আরও উঠে এসেছে একটি বিস্তৃত সিন্ডিকেটের নাম, যেখানে সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মাসুম আহমেদের পাশাপাশি জড়িত রয়েছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির, আনিচ, ইব্রাহিম, জুলহাস, নাকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ ও কোরবান আলীসহ আরও কয়েকজন। তাদের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সব ধরনের টেন্ডারবাজি ও কেনাকাটায় সংঘবদ্ধভাবে দুর্নীতি চালানোর অভিযোগ তুলেছে দুদক।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এমন সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুসন্ধান শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই স্পষ্ট হবে অভিযোগের সত্যতা এবং দায় কার ওপর বর্তায়।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নব-নির্বাচিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

৩১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

আসিফ সহ চারজনের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতি: অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় ০৫:২৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের গণসংযোগ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিমকে। টিমে আরও রয়েছেন সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

আসিফ মাহমুদ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মাসুম আহমেদ। অভিযোগ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চরম অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করিয়ে নতুন পদায়নের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৭৬ লাখ টাকা। এছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতি ও পছন্দসই স্থানে পদায়নের বিনিময়ে আদায় করা হয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

দুদকের অভিযোগপত্রে আরও উঠে এসেছে একটি বিস্তৃত সিন্ডিকেটের নাম, যেখানে সচিব মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মাসুম আহমেদের পাশাপাশি জড়িত রয়েছেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, মামুন, জাহিদ, আমির, আনিচ, ইব্রাহিম, জুলহাস, নাকিমউদ্দিন, আলী হোসেন, আবু সাঈদ ও কোরবান আলীসহ আরও কয়েকজন। তাদের বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সব ধরনের টেন্ডারবাজি ও কেনাকাটায় সংঘবদ্ধভাবে দুর্নীতি চালানোর অভিযোগ তুলেছে দুদক।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এমন সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুসন্ধান শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই স্পষ্ট হবে অভিযোগের সত্যতা এবং দায় কার ওপর বর্তায়।

Share this news as a Photo Card