ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অত্যাধুনিক গোয়েন্দা ড্রোন ধ্বংসের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যতম ব্যয়বহুল ও বিরল প্রযুক্তির ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নেভি সেফটি কমান্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৯ এপ্রিল এই ড্রোনটি নিখোঁজ হয়। তবে অভিযানের নিরাপত্তার খাতিরে দুর্ঘটনার সঠিক অবস্থান এখনও প্রকাশ করা হয়নি। খবর সিএনএনের।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ড্রোনটি ইতালির সিগোনেলা নেভাল এয়ার স্টেশন থেকে উড্ডয়ন করে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির ওপর দিয়ে উড়ছিল। এটি ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। এরপর ৯ হাজার ২৫০ ফুট উচ্চতায় নামার পর পুরোপুরি নিখোঁজ হয়ে যায়। ড্রোনটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া জরুরি সংকেত পাঠিয়েছিল বলে তথ্যে জানা গেছে।

বিধ্বস্ত হওয়া এই ড্রোনটি মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে থাকা বিরল ও দামী আকাশযানগুলোর একটি। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নর্থরোপ গ্রুম্যানের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ট্রাইটন ড্রোনের মূল্য প্রায় ২৪ কোটি মার্কিন ডলার। যা একটি এফ-৩৫সি স্টিলথ ফাইটার জেটের চেয়েও দ্বিগুণ বেশি। এই ড্রোনটি টানা ২৪ ঘণ্টার বেশি আকাশে উড়তে পারে। গোয়েন্দা নজরদারির জন্য এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ড্রোন হিসেবে বিবেচিত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও নৌ-অবরোধের পরিস্থিতির মধ্যেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটল। তবে ড্রোনটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি হামলার শিকার হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

অত্যাধুনিক গোয়েন্দা ড্রোন ধ্বংসের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৩:৪১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যতম ব্যয়বহুল ও বিরল প্রযুক্তির ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নেভি সেফটি কমান্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ৯ এপ্রিল এই ড্রোনটি নিখোঁজ হয়। তবে অভিযানের নিরাপত্তার খাতিরে দুর্ঘটনার সঠিক অবস্থান এখনও প্রকাশ করা হয়নি। খবর সিএনএনের।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ড্রোনটি ইতালির সিগোনেলা নেভাল এয়ার স্টেশন থেকে উড্ডয়ন করে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির ওপর দিয়ে উড়ছিল। এটি ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। এরপর ৯ হাজার ২৫০ ফুট উচ্চতায় নামার পর পুরোপুরি নিখোঁজ হয়ে যায়। ড্রোনটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া জরুরি সংকেত পাঠিয়েছিল বলে তথ্যে জানা গেছে।

বিধ্বস্ত হওয়া এই ড্রোনটি মার্কিন নৌবাহিনীর বহরে থাকা বিরল ও দামী আকাশযানগুলোর একটি। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নর্থরোপ গ্রুম্যানের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ট্রাইটন ড্রোনের মূল্য প্রায় ২৪ কোটি মার্কিন ডলার। যা একটি এফ-৩৫সি স্টিলথ ফাইটার জেটের চেয়েও দ্বিগুণ বেশি। এই ড্রোনটি টানা ২৪ ঘণ্টার বেশি আকাশে উড়তে পারে। গোয়েন্দা নজরদারির জন্য এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ড্রোন হিসেবে বিবেচিত।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও নৌ-অবরোধের পরিস্থিতির মধ্যেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটল। তবে ড্রোনটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি হামলার শিকার হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানায়নি।