ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবেন : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। শুধু সময়ের ব্যাপার৷

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে রহিমানপুর সম্মিলিত ঈদগাঁ আলীম মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের আগে বলেছিলাম এটা আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন৷ আমি আপনাদের ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না৷ তাই আপনাদের কিছু কাজ ও উন্নয়ন করে ঋণ পরিশোধ করতে চাই।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটা শক্তি বা ক্ষমতা৷ যেটা নিয়ে আপনি সব জায়গায় দাঁড়াতে পারবেন৷ এই কার্ডের মাধ্যমে একটা ক্ষমতা তৈরি হবে আপনাদের। পুরুষরা আপনাদের গুরুত্ব দেওয়া শুরু করবে৷ সবার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তিনি আমাদের এই এলাকা বেছে নিয়েছেন৷

মন্ত্রী বলেন, সরকারে আসার ২২ দিনের মধ্যে কার্ড দিয়েছি। ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ১৬ তারিখে খাল-খনন শুরু হবে। বর্ষার সময় যে পানি হয় সেটা সংরক্ষণ করে খরায় কাজে লাগানো হবে৷ প্রত্যেক কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। তা দিয়ে ন্যাযমূল্যে সার, সেচ ও বীজ কিনতে পারবেন৷

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর আইনকানুন ছিল না৷ আমাদের নানাভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। টাকা ছাড়া কার্ড পাওয়া যেতো না। এবারে কোনো টাকা লাগেনি৷ হতাশ হবেন না, সবাইকে কার্ড দেওয়া হবে। নারী ডিসি, এসপিরাও কার্ড পাবেন৷ তিনি কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটা পরের বিষয়৷ জনগণের শক্তির কাছে কোনো শক্তিই বড় নয়৷

নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে এই পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শর্তসাপেক্ষে কার্ড বিতরণের কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৫৯০ জন নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খায়রুল ইসলাম।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবেন : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড সবাই পাবেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। শুধু সময়ের ব্যাপার৷

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে রহিমানপুর সম্মিলিত ঈদগাঁ আলীম মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের আগে বলেছিলাম এটা আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন৷ আমি আপনাদের ঋণ কখনো শোধ করতে পারব না৷ তাই আপনাদের কিছু কাজ ও উন্নয়ন করে ঋণ পরিশোধ করতে চাই।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটা শক্তি বা ক্ষমতা৷ যেটা নিয়ে আপনি সব জায়গায় দাঁড়াতে পারবেন৷ এই কার্ডের মাধ্যমে একটা ক্ষমতা তৈরি হবে আপনাদের। পুরুষরা আপনাদের গুরুত্ব দেওয়া শুরু করবে৷ সবার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তিনি আমাদের এই এলাকা বেছে নিয়েছেন৷

মন্ত্রী বলেন, সরকারে আসার ২২ দিনের মধ্যে কার্ড দিয়েছি। ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ১৬ তারিখে খাল-খনন শুরু হবে। বর্ষার সময় যে পানি হয় সেটা সংরক্ষণ করে খরায় কাজে লাগানো হবে৷ প্রত্যেক কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। তা দিয়ে ন্যাযমূল্যে সার, সেচ ও বীজ কিনতে পারবেন৷

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর আইনকানুন ছিল না৷ আমাদের নানাভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। টাকা ছাড়া কার্ড পাওয়া যেতো না। এবারে কোনো টাকা লাগেনি৷ হতাশ হবেন না, সবাইকে কার্ড দেওয়া হবে। নারী ডিসি, এসপিরাও কার্ড পাবেন৷ তিনি কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটা পরের বিষয়৷ জনগণের শক্তির কাছে কোনো শক্তিই বড় নয়৷

নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সরকার সারা দেশে এই পাইলট প্রকল্প শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শর্তসাপেক্ষে কার্ড বিতরণের কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৫৯০ জন নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খায়রুল ইসলাম।