ইরান সীমান্তে ইরাকের অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন

চলমান সংঘাতের উত্তেজনা রুখতে ইরান সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ইরাক। সীমান্ত এলাকাটি যাতে নতুন কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত না হয় এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়, সেজন্যই বাগদাদের এই কঠোর অবস্থান।

দীর্ঘদিন ধরে ইরান-ইরাক সীমান্তের এই পার্বত্য এলাকাটি বিভিন্ন কুর্দি গোষ্ঠীর যাতায়াতের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে সেখানে ইরাকি বাহিনীর অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন মূলত কয়েকটি বিশেষ বার্তা বহন করছে।

প্রথমত, বাগদাদ তেহরানকে আশ্বস্ত করতে চায়, ইরাকি ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো বিরোধী গোষ্ঠী যাতে ইরানে হামলা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে তারা অত্যন্ত কঠোর।

দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে ২০২৩ সালের দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তির প্রতি ইরাকের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, উত্তর ইরাকে অবস্থানরত ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে দমনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ছিল বাগদাদের।

অতিরিক্ত এই সেনা মোতায়েন মূলত সশস্ত্র কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি একটি সতর্কবার্তা। কারণ এখন থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে তাদের অনুপ্রবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হবে, যা নিয়ে ইরান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছিল।

উত্তর ইরাকের কুর্দি অঞ্চলে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই বাগদাদের পক্ষ থেকে এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এই মুহূর্তে বাগদাদ এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উভয়েই একমত, চলমান এই বিস্তৃত সংঘাতের মাঝে তারা কোনোভাবেই এই সীমান্ত অঞ্চলকে নতুন কোনো ‘ফ্রন্ট লাইন’ বা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে দেবে না।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে খুলে গেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা আসামির হাতে হাতকড়া

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ইরান সীমান্তে ইরাকের অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন

আপডেট সময় ০১:০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

চলমান সংঘাতের উত্তেজনা রুখতে ইরান সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ইরাক। সীমান্ত এলাকাটি যাতে নতুন কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত না হয় এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়, সেজন্যই বাগদাদের এই কঠোর অবস্থান।

দীর্ঘদিন ধরে ইরান-ইরাক সীমান্তের এই পার্বত্য এলাকাটি বিভিন্ন কুর্দি গোষ্ঠীর যাতায়াতের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে সেখানে ইরাকি বাহিনীর অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন মূলত কয়েকটি বিশেষ বার্তা বহন করছে।

প্রথমত, বাগদাদ তেহরানকে আশ্বস্ত করতে চায়, ইরাকি ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো বিরোধী গোষ্ঠী যাতে ইরানে হামলা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে তারা অত্যন্ত কঠোর।

দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে ২০২৩ সালের দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তির প্রতি ইরাকের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, উত্তর ইরাকে অবস্থানরত ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে দমনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ছিল বাগদাদের।

অতিরিক্ত এই সেনা মোতায়েন মূলত সশস্ত্র কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি একটি সতর্কবার্তা। কারণ এখন থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে তাদের অনুপ্রবেশ আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হবে, যা নিয়ে ইরান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছিল।

উত্তর ইরাকের কুর্দি অঞ্চলে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই বাগদাদের পক্ষ থেকে এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এই মুহূর্তে বাগদাদ এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উভয়েই একমত, চলমান এই বিস্তৃত সংঘাতের মাঝে তারা কোনোভাবেই এই সীমান্ত অঞ্চলকে নতুন কোনো ‘ফ্রন্ট লাইন’ বা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে দেবে না।

Share this news as a Photo Card