ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে কে এই আরিফ মোহাম্মদ খান?
ভারতের অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন। তাঁর এই নিযুক্তি দুদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভারতীয় পররাষ্ট্র পরিষেবার (আইএফএস) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা খান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দীর্ঘ ও সফল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। এর আগে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পূর্ববর্তী পদগুলোতে তাঁর উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন।
খান-এর বাংলাদেশে নিযুক্তি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। বাণিজ্য, নিরাপত্তা, সংস্কৃতি এবং যোগাযোগ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা প্রসারিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন দুদেশের সরকার সম্পর্ককে আরও গভীরতর করার জন্য একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
নতুন হাইকমিশনার হিসেবে খানের সামনে রয়েছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ। তাঁর প্রধান লক্ষ্য হবে দুদেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও মজবুত করা এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলি আরও প্রসারিত করা। বিশেষ করে, বাণিজ্য ও সংযোগ বৃদ্ধিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দুদেশের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার জন্যও তিনি কাজ করবেন।
খানের নিযুক্তি সম্পর্কে বাংলাদেশেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, তাঁর নেতৃত্ব ও কূটনীতির দক্ষতা দুদেশের জন্য লাভজনক হবে।
খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন দেশে ভারতের কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আরিফ মোহাম্মদ খানের ঢাকায় আগমন দুদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক মাইলফলক হতে পারে। তাঁর নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্ব আরও গভীরতর করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। তাঁর মেয়াদে দুদেশের মধ্যে আরও অনেক নতুন অধ্যায় রচিত হবে বলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের বিশ্বাস
চলমান বার্তা ডেস্ক : 

























