ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈলে মায়ের দায়ের করা মামলায় শিশু সন্তানের লাশ কবর থেকে উত্তোলন 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের পাঁচপীর কবরস্থান থেকে রবিবার (৩১ আগস্ট) ৮ বছরের এক শিশুর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই। এসময় লাশের  বিভিন্ন অংশ নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করেন তারা।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, স্বপরিবারে কাজের জন্য নারায়গঞ্জে যায় সুরাতুনের পরিবার । সংসার জীবনে ১৩ বছরের মাথায় নেমে আসে পারিবারিক কলহ বিবাদ। স্বামী মুনিরুজ্জামান প্রায় সময় টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো সুরাতুনকে। ২০২৪ সালের ৯ আগষ্ট টাকার জন্য মারপিটও করে স্ত্রীকে এবং বলে যে টাকা না দিলে তোমাকে ও তোমার ছেলেকে মেরে ফেলবো। কথাবলার ৩দিনের মাথায় ১৩ আগষ্ট বিছানার নিচে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে শিশুপুত্র নয়নকে শ্বসরোধ করে হত্যা করে চলে যায় দূবৃত্তরা।
এঘটনায় নারায়গঞ্জের ফতুল্লার উপজেলার উত্তর নরসিংপুর মহল্লার সুজন ও নিহতের পিতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন সুরাতুন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন এবং লাশের বিভিন্ন অংশের নমুনা নিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৩১ আগস্ট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাফিউল মাজলুবিন রহমান স্থীনীয় পুলিশ ফোর্স ও এলাকার উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।
এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশে আমরা লাশের নমুনা সংগ্রহ করেছি। এটি রাসায়নিক পরিক্ষাগারে পাঠানো হবে। রির্পোট পেলেই লাশের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

রাণীশংকৈলে মায়ের দায়ের করা মামলায় শিশু সন্তানের লাশ কবর থেকে উত্তোলন 

আপডেট সময় ০৭:২৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের পাঁচপীর কবরস্থান থেকে রবিবার (৩১ আগস্ট) ৮ বছরের এক শিশুর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই। এসময় লাশের  বিভিন্ন অংশ নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করেন তারা।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, স্বপরিবারে কাজের জন্য নারায়গঞ্জে যায় সুরাতুনের পরিবার । সংসার জীবনে ১৩ বছরের মাথায় নেমে আসে পারিবারিক কলহ বিবাদ। স্বামী মুনিরুজ্জামান প্রায় সময় টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো সুরাতুনকে। ২০২৪ সালের ৯ আগষ্ট টাকার জন্য মারপিটও করে স্ত্রীকে এবং বলে যে টাকা না দিলে তোমাকে ও তোমার ছেলেকে মেরে ফেলবো। কথাবলার ৩দিনের মাথায় ১৩ আগষ্ট বিছানার নিচে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে শিশুপুত্র নয়নকে শ্বসরোধ করে হত্যা করে চলে যায় দূবৃত্তরা।
এঘটনায় নারায়গঞ্জের ফতুল্লার উপজেলার উত্তর নরসিংপুর মহল্লার সুজন ও নিহতের পিতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন সুরাতুন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন এবং লাশের বিভিন্ন অংশের নমুনা নিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৩১ আগস্ট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাফিউল মাজলুবিন রহমান স্থীনীয় পুলিশ ফোর্স ও এলাকার উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।
এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশে আমরা লাশের নমুনা সংগ্রহ করেছি। এটি রাসায়নিক পরিক্ষাগারে পাঠানো হবে। রির্পোট পেলেই লাশের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।