শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখলচেষ্টার অভিযোগ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দিতে চায় সরকার, শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু বেনজীরকে ফেরাতে সরকারের প্রক্রিয়া শুরু, জানালেন উপদেষ্টা ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফের বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম, কার্যকর আজ সন্ধ্যা থে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ-ভারত

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন। তিব্বতে ১৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বেইজিং প্রশাসন। বিশাল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্যাপক প্রভাব পড়বে ভাটির দেশ ভারত-বাংলাদেশে।

২০২০ সালের শেষদিকে তিব্বতীয় মালভূমিতে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা দেয় চীন। ওই অঞ্চলের সর্বোচ্চ ও চীনের ৫ম বৃহত্তম ইয়ারলুং জাংপো নদের ভাটিতে বাঁধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং প্রশাসন। ভারত সরকারের আপত্তি উপেক্ষা করে এবার বাঁধ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিলো চীনা সরকার।

বলা হচ্ছে, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়েও তিনগুণ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে চীনের নতুন এই প্রকল্প থেকে। বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে প্রায় ৩০ হাজার কোটি কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টা। ব্যয়ের দিক থেকেও এটি থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিব্বতীয় মালভূমিতে চীনের এমন উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভারত-বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ।

তিব্বত ছাড়াও চীন, ভারত, ভূটান এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নিম্নমুখে প্রবাহিত হয় ইয়ারলুং জাংপো নদ। যা ব্রহ্মপুত্র নামে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম হয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশে। বৃহৎ এই নদীর নিম্নভাগে বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভাটির দেশগুলোতে। শঙ্কা- বাঁধটির কারণে, পাল্টে যেতে পারে নদের নিম্নভাগের পানিপ্রবাহ এবং গতিপথ। যাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে ভারত ও বাংলাদেশে।

ধারণা করা হচ্ছে, বাঁধটি নির্মাণের ফলে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বহু মানুষ। এমন কি ঝুঁকিতে পড়তে পারে তিব্বতের নিম্নভাগের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায়।

এরইমধ্যে, ইয়ারলুং জাংপো নদের উপরিভাগে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে চীন। ভবিষ্যতেও নদীটি ঘিরে আরও পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছে শি জিনপিং প্রশাসন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট

০২ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ-ভারত

আপডেট সময় ১০:৫২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ব্রহ্মপুত্রের উজানে বাঁধ দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাচ্ছে চীন। তিব্বতে ১৩৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বেইজিং প্রশাসন। বিশাল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ব্যাপক প্রভাব পড়বে ভাটির দেশ ভারত-বাংলাদেশে।

২০২০ সালের শেষদিকে তিব্বতীয় মালভূমিতে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা দেয় চীন। ওই অঞ্চলের সর্বোচ্চ ও চীনের ৫ম বৃহত্তম ইয়ারলুং জাংপো নদের ভাটিতে বাঁধটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং প্রশাসন। ভারত সরকারের আপত্তি উপেক্ষা করে এবার বাঁধ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিলো চীনা সরকার।

বলা হচ্ছে, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চেয়েও তিনগুণ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে চীনের নতুন এই প্রকল্প থেকে। বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে প্রায় ৩০ হাজার কোটি কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টা। ব্যয়ের দিক থেকেও এটি থ্রি জর্জেস জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে তিব্বতীয় মালভূমিতে চীনের এমন উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভারত-বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ।

তিব্বত ছাড়াও চীন, ভারত, ভূটান এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নিম্নমুখে প্রবাহিত হয় ইয়ারলুং জাংপো নদ। যা ব্রহ্মপুত্র নামে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম হয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশে। বৃহৎ এই নদীর নিম্নভাগে বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভাটির দেশগুলোতে। শঙ্কা- বাঁধটির কারণে, পাল্টে যেতে পারে নদের নিম্নভাগের পানিপ্রবাহ এবং গতিপথ। যাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে ভারত ও বাংলাদেশে।

ধারণা করা হচ্ছে, বাঁধটি নির্মাণের ফলে বাস্তুচ্যুত হতে পারে বহু মানুষ। এমন কি ঝুঁকিতে পড়তে পারে তিব্বতের নিম্নভাগের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায়।

এরইমধ্যে, ইয়ারলুং জাংপো নদের উপরিভাগে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে চীন। ভবিষ্যতেও নদীটি ঘিরে আরও পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছে শি জিনপিং প্রশাসন।

Share this news as a Photo Card