ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে থাকা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া নিজেদের মধ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) কম্বোডিয়া থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া তাদের বিতর্কিত সীমান্ত জুড়ে দীর্ঘদিন থেকে মাঝে মাঝেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে দুদেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভেঙে এ মাসে আবারও সংঘাতে জড়ায় দুপক্ষ। সদ্য সৃষ্টি হওয়া এই সংঘাতে প্রাণ যায় ৪৭ জনের এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নেয় নিরাপদ স্থানে।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক বিবৃতিতে জানায়, আজ শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই চুক্তি কার্যকর হবে। এর আওতায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আক্রমণ সম্পূর্ভাবে বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি দুপক্ষই সৈন্য মোতায়েনের কাজ বন্ধ রাখবে এবং যতদ্রুত সম্ভব বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়া বেসামরিক লোকজনকে তাদের ঠিকানায় ফেরা নিশ্চিত করবে। এছাড়া, দুটি দেশই সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে এবং সীমান্ত থকে মাইন অপসারণে কাজ করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আসিয়ান জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকের পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে তিন দিনের সীমান্ত আলোচনা শেষে যুদ্ধবিরতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো। এছাড়া, যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অস্ত্রবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মালয়েশিয়া।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া

আপডেট সময় ১২:২৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে থাকা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া নিজেদের মধ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) কম্বোডিয়া থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া তাদের বিতর্কিত সীমান্ত জুড়ে দীর্ঘদিন থেকে মাঝে মাঝেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে দুদেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভেঙে এ মাসে আবারও সংঘাতে জড়ায় দুপক্ষ। সদ্য সৃষ্টি হওয়া এই সংঘাতে প্রাণ যায় ৪৭ জনের এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নেয় নিরাপদ স্থানে।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক বিবৃতিতে জানায়, আজ শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই চুক্তি কার্যকর হবে। এর আওতায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আক্রমণ সম্পূর্ভাবে বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি দুপক্ষই সৈন্য মোতায়েনের কাজ বন্ধ রাখবে এবং যতদ্রুত সম্ভব বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়া বেসামরিক লোকজনকে তাদের ঠিকানায় ফেরা নিশ্চিত করবে। এছাড়া, দুটি দেশই সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে এবং সীমান্ত থকে মাইন অপসারণে কাজ করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আসিয়ান জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকের পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে তিন দিনের সীমান্ত আলোচনা শেষে যুদ্ধবিরতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো। এছাড়া, যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অস্ত্রবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মালয়েশিয়া।