শিরোনাম :
আইনশৃঙ্খলায় রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁদপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ মৃত্যুর কারণ থেকে যৌন নির্যাতন, ফরেনসিক প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য হামের প্রকোপে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৭৭ সংস্কারে পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত জানালেন উপদেষ্টা নমিনেশন পেলেই জয়ী হওয়ার সংস্কৃতি আর থাকবে না: ইসি সরকারি ভবনের ছাদে বসছে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল শেখ হাসিনাই নন, বিদেশে থাকা সব অভিযুক্তকে ফেরাতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী স্কুলে হিজাব ইসলামে অপরিহার্য নয়

চাঁদপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ

চাঁদপুর শহরের এসকে শিল্পালয়ের মালিক পিন্টু দাস তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ নিখোঁজ রয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে। বুধবার তাঁর নিকটাত্মীয় এবং স্থানীয় একটি সংগঠনের একজন প্রতিনিধি বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন

নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন পিন্টু দাসের স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম এবং ছোট ছেলে রুপম। পরিবারটি চাঁদপুর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করত। জানা গেছে, বিভিন্ন কারণে পিন্টু দাস দীর্ঘদিন ধরে ঋণের বোঝা বহন করছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি বারবার হুমকির মুখে পড়েছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর থেকেই তাঁর ও পরিবারের কোনো খোঁজ মিলছে না।
তবে স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি ভিন্ন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা ধার দেওয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে তিনি গ্রাহকদের বন্ধকি স্বর্ণ ফেরত দিতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন। পাশাপাশি একাধিক সমিতি থেকে ব্যবসার নামে ঋণ নিয়ে তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, একাধিকবার দোকান স্থানান্তরের পর সবশেষে মদিনা মার্কেটের নিচতলায় ‘এসকে শিল্পালয়’ নামে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছিলেন পিন্টু দাস। অভিযোগ আছে, বন্ধক রাখা স্বর্ণের প্রকৃত বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম অর্থ দেওয়া হতো সেখানে।
রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান নামে একজন ভুক্তভোগী জানান, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার পঞ্চাশ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন। পরে টাকা ফেরত দিয়ে গহনা নিতে গেলে তাঁকে পরদিন আসতে বলা হয়, আর এরপরই পুরো পরিবারের নিখোঁজ হওয়ার খবর পান তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া দক্ষিণ গুণরাজদীর দুই বাসিন্দাও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন।
জানা গেছে, পিন্টু দাসের আদি বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে, আর কুমিল্লা ও মুদাফফরগঞ্জে তাঁর কিছু আত্মীয়স্বজন থাকেন। এলাকাবাসীর মধ্যে এখন আলোচনা চলছে, পরিবারটি সত্যিই নিখোঁজ নাকি নিজেরাই আত্মগোপনে গেছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মগোপনে গেলে তাঁকে খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন, বিষয়টি তাঁরা সবে জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
(এই প্রতিবেদনের তথ্য স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের বরাত দিয়ে তৈরি; নির্দিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নাম বা তাদের নিজস্ব শব্দচয়ন এড়িয়ে লেখা হয়েছে)
একটা কথা স্পষ্ট করে বলে রাখি — এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণভাবে আপনার দেওয়া মূল লেখার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পুনর্লিখন করা হয়েছে; আমি নিজে ঘটনাটি যাচাই করিনি বা কোনো অতিরিক্ত সূত্র থেকে নিশ্চিত করিনি। প্রকাশের আগে তথ্যগুলো (নাম, পরিমাণ, তারিখ) মূল প্রতিবেদক বা সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে আরেকবার মিলিয়ে নেওয়া ভালো, বিশেষত অভিযোগ-নির্ভর অংশগুলো (স্বর্ণ বন্ধকের পরিমাণ, ব্যক্তিদের নাম) যেহেতু এখনো অপ্রমাণিত অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আইনশৃঙ্খলায় রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

স্কুলে হিজাব ইসলামে অপরিহার্য নয়

২৫ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

চাঁদপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

চাঁদপুর শহরের এসকে শিল্পালয়ের মালিক পিন্টু দাস তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ নিখোঁজ রয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে। বুধবার তাঁর নিকটাত্মীয় এবং স্থানীয় একটি সংগঠনের একজন প্রতিনিধি বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন

নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন পিন্টু দাসের স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম এবং ছোট ছেলে রুপম। পরিবারটি চাঁদপুর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করত। জানা গেছে, বিভিন্ন কারণে পিন্টু দাস দীর্ঘদিন ধরে ঋণের বোঝা বহন করছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি বারবার হুমকির মুখে পড়েছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর থেকেই তাঁর ও পরিবারের কোনো খোঁজ মিলছে না।
তবে স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি ভিন্ন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা ধার দেওয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে তিনি গ্রাহকদের বন্ধকি স্বর্ণ ফেরত দিতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন। পাশাপাশি একাধিক সমিতি থেকে ব্যবসার নামে ঋণ নিয়ে তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, একাধিকবার দোকান স্থানান্তরের পর সবশেষে মদিনা মার্কেটের নিচতলায় ‘এসকে শিল্পালয়’ নামে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছিলেন পিন্টু দাস। অভিযোগ আছে, বন্ধক রাখা স্বর্ণের প্রকৃত বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম অর্থ দেওয়া হতো সেখানে।
রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান নামে একজন ভুক্তভোগী জানান, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার পঞ্চাশ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন। পরে টাকা ফেরত দিয়ে গহনা নিতে গেলে তাঁকে পরদিন আসতে বলা হয়, আর এরপরই পুরো পরিবারের নিখোঁজ হওয়ার খবর পান তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া দক্ষিণ গুণরাজদীর দুই বাসিন্দাও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন।
জানা গেছে, পিন্টু দাসের আদি বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে, আর কুমিল্লা ও মুদাফফরগঞ্জে তাঁর কিছু আত্মীয়স্বজন থাকেন। এলাকাবাসীর মধ্যে এখন আলোচনা চলছে, পরিবারটি সত্যিই নিখোঁজ নাকি নিজেরাই আত্মগোপনে গেছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মগোপনে গেলে তাঁকে খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন, বিষয়টি তাঁরা সবে জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
(এই প্রতিবেদনের তথ্য স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের বরাত দিয়ে তৈরি; নির্দিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নাম বা তাদের নিজস্ব শব্দচয়ন এড়িয়ে লেখা হয়েছে)
একটা কথা স্পষ্ট করে বলে রাখি — এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণভাবে আপনার দেওয়া মূল লেখার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পুনর্লিখন করা হয়েছে; আমি নিজে ঘটনাটি যাচাই করিনি বা কোনো অতিরিক্ত সূত্র থেকে নিশ্চিত করিনি। প্রকাশের আগে তথ্যগুলো (নাম, পরিমাণ, তারিখ) মূল প্রতিবেদক বা সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে আরেকবার মিলিয়ে নেওয়া ভালো, বিশেষত অভিযোগ-নির্ভর অংশগুলো (স্বর্ণ বন্ধকের পরিমাণ, ব্যক্তিদের নাম) যেহেতু এখনো অপ্রমাণিত অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card