ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অপমানজনকভাবে পিছু হটলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে ‘অপমানজনক পিছু হটা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করেছে, ট্রাম্প তার পূর্বের কঠোর হুমকি থেকে সরে এসে কার্যত ইরানের শর্ত মেনে নিয়েছেন।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা ‘অবৈধ’ বলে সমালোচনা করেন। খবর দ্যা মিররের।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে জানায়, ট্রাম্প আবারও নিজের হুমকি থেকে সরে এসে বলেছেন, আমি ইরানের বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও আক্রমণ দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক ম্যাট ব্র্যাডলি জানান, ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে একটি ব্যানারে দেখানো হচ্ছে- ইরানবিরোধী বক্তব্য থেকে ট্রাম্পের অপমানজনক পিছু হটা; যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের শর্ত মেনে নিয়েছেন ট্রাম্প।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বিবৃতিতে জানান, ইরানের ওপর হামলা বন্ধ হলে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান বন্ধ করবে। তিনি আরও বলেন, আগামী দুই সপ্তাহে ইরানের সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে।

এই যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাবও প্রকাশ করেছে, যা ট্রাম্প ‘আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, আমি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি।

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাব আমরা পেয়েছি এবং মনে করছি এটি আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি। অতীতের বেশিরভাগ মতবিরোধ ইতোমধ্যে সমাধানের পথে, আর এই দুই সপ্তাহের সময়ের মধ্যেই একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

সার্বিকভাবে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরছে।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

অপমানজনকভাবে পিছু হটলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৪:১৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে ‘অপমানজনক পিছু হটা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করেছে, ট্রাম্প তার পূর্বের কঠোর হুমকি থেকে সরে এসে কার্যত ইরানের শর্ত মেনে নিয়েছেন।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা ‘অবৈধ’ বলে সমালোচনা করেন। খবর দ্যা মিররের।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে জানায়, ট্রাম্প আবারও নিজের হুমকি থেকে সরে এসে বলেছেন, আমি ইরানের বিরুদ্ধে বোমা হামলা ও আক্রমণ দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক ম্যাট ব্র্যাডলি জানান, ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে একটি ব্যানারে দেখানো হচ্ছে- ইরানবিরোধী বক্তব্য থেকে ট্রাম্পের অপমানজনক পিছু হটা; যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের শর্ত মেনে নিয়েছেন ট্রাম্প।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বিবৃতিতে জানান, ইরানের ওপর হামলা বন্ধ হলে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান বন্ধ করবে। তিনি আরও বলেন, আগামী দুই সপ্তাহে ইরানের সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে।

এই যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাবও প্রকাশ করেছে, যা ট্রাম্প ‘আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, আমি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করতে সম্মত হয়েছি। এটি হবে দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি।

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাব আমরা পেয়েছি এবং মনে করছি এটি আলোচনার জন্য একটি কার্যকর ভিত্তি। অতীতের বেশিরভাগ মতবিরোধ ইতোমধ্যে সমাধানের পথে, আর এই দুই সপ্তাহের সময়ের মধ্যেই একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

সার্বিকভাবে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই যুদ্ধবিরতিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরছে।