ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাসীর নজর এখন ট্রাম্পের দিকে

ইসলামাবাদে বহুল প্রতীক্ষিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই হঠাৎ থমকে গেছে। দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে বৈঠক স্থবির হয়ে পড়ায় এখন সবার দৃষ্টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। খবর আল জাজিরার।

আলোচনা শেষ হওয়ার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের এত দ্রুত পাকিস্তান ত্যাগ করা ছিল বড় ধরনের বিস্ময়। ধারণা করা হচ্ছিল, ইসলামাবাদে আজ সকালে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ভ্যান্স এক সংবাদ বিবৃতিতে জানান- কোনো চুক্তি হয়নি। এর কিছুক্ষণ পরেই তিনি দেশের উদ্দেশে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন।

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ ছিল লেবানন ও হরমুজ প্রণালি ইস্যু।

লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্র, যা তেহরানের কাছে ছিল অগ্রহণযোগ্য। হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ওয়াশিংটন এমন কিছু শর্ত দিয়েছিল, যা ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।

মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তান উভয় পক্ষকে যোগাযোগের পথ খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। ইসলামাবাদ বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে মত দিলেও এখন সব নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর।

কূটনৈতিক বল এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোর্টে। ইসলামাবাদের এই ঐতিহাসিক কিন্তু ব্যর্থ আলোচনার পর ট্রাম্প এখন সামরিক নাকি কূটনৈতিক—কোন পথে হাঁটবেন, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

যেসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড় দেয়নি তেহরান

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

বিশ্ববাসীর নজর এখন ট্রাম্পের দিকে

আপডেট সময় ০২:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে বহুল প্রতীক্ষিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই হঠাৎ থমকে গেছে। দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে বৈঠক স্থবির হয়ে পড়ায় এখন সবার দৃষ্টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। খবর আল জাজিরার।

আলোচনা শেষ হওয়ার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের এত দ্রুত পাকিস্তান ত্যাগ করা ছিল বড় ধরনের বিস্ময়। ধারণা করা হচ্ছিল, ইসলামাবাদে আজ সকালে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে ভ্যান্স এক সংবাদ বিবৃতিতে জানান- কোনো চুক্তি হয়নি। এর কিছুক্ষণ পরেই তিনি দেশের উদ্দেশে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন।

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ ছিল লেবানন ও হরমুজ প্রণালি ইস্যু।

লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্র, যা তেহরানের কাছে ছিল অগ্রহণযোগ্য। হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ওয়াশিংটন এমন কিছু শর্ত দিয়েছিল, যা ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।

মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তান উভয় পক্ষকে যোগাযোগের পথ খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। ইসলামাবাদ বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে মত দিলেও এখন সব নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর।

কূটনৈতিক বল এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোর্টে। ইসলামাবাদের এই ঐতিহাসিক কিন্তু ব্যর্থ আলোচনার পর ট্রাম্প এখন সামরিক নাকি কূটনৈতিক—কোন পথে হাঁটবেন, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।