আগের দিন শেষে ৪ উইকেটে ২১১ রান তুলে আফগানিস্তান হয়তো কিছুটা স্বস্তিতেই ছিল। বাংলাদেশের ৩৪৬ রানের জবাবে সেটি অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতেই ছবিটা পাল্টে দিয়েছে বাংলাদেশের পেসাররা। হাসান মাহমুদের ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক আর এবাদত হোসেনের ধারালো বোলিংয়ে আফগানরা অলআউট হয়েছে ২৪০ রানে। ১০৬ রানের লিড নিয়ে এখন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামছে বাংলাদেশ।
দিনের প্রথম আঘাতটা এসেছে এবাদতের হাত ধরে। আগের দিনই ছন্দে ফেরার আভাস দিয়েছিলেন তিনি। নতুন বলে ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে ভেঙে দেন রহমত শাহর সঙ্গে তাঁর ৮০ রানের জুটি।
এরপর মঞ্চ দখল করে নেন হাসান। প্রথমে দারুণ এক ইনসুইঙ্গারে বোল্ড করেন নতুন ব্যাটার ইসমাত আলমকে। পরের বলে আউটসুইঙ্গারে কাইস আহমেদের ব্যাটের বাইরের কানা ছুঁয়ে বল যায় পেছনে, আর লিটন দাস নেন চমৎকার এক ক্যাচ। তৃতীয় বলে ভেতরে ঢোকা বলে পরাস্ত হন জিয়া আকবর। বল তাঁর প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার আউট দেননি। রিভিউ নিয়ে বাংলাদেশ দেখে, পিচিং, ইমপ্যাক্ট ও হিটিং, তিন জায়গাতেই জ্বলছে লাল বাতি। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় হাসানের হ্যাটট্রিক। এই কীর্তি গড়া প্রথম বাংলাদেশি পেসার তিনি।
এখানেই থামেননি হাসান। ইয়ামিন আহমাদজাইকে ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার পূর্ণ করেন তিনি। ততক্ষণে আফগানদের শেষ উইকেটের জুটি বাকি। সেই ফাঁকেই সেঞ্চুরি তুলে নেন রহমত শাহ। শেষ পর্যন্ত সঙ্গীর অভাবে ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্য প্রান্তে মোহাম্মদ সালিম উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলে এবাদতের শিকার হন, আর তাতেই শেষ হয় আফগানদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন হাসান। এবাদত ৫৬ রানে নিয়েছেন ৪টি। বাকি উইকেটটি পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 



















