বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ শোনা যাচ্ছিল অনেকদিন থেকেই। এই অভিযোগ তুলে নির্বাচন বয়কটও করেছিল ঢাকার বেশ কিছু ক্লাব। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সেই তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনএসসি। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির বোর্ড ভেঙে দিয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি ঘোষণা করেছে এনএসসি। আগামী ৩ মাস দায়িত্ব পালন করবে এই অ্যাডহক কমিটি। কমিটিতে বর্তমান কমিটির কোনো পরিচালক নেই।
প্রস্তাবিত এডহক কমিটির ১১ সদস্য হলেন— তামিম ইকবাল, রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল নান্নু, আতাহার আলী খান, তানজীম চৌধুরী, সালমান ইস্পাহিনী, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা।
গত মাসে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল এনএসসি। সেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেন গত ৫ এপ্রিল। এর দুদিন পর ব্যবস্থা নিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
তবে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে গত বছর হওয়া বিসিবি নির্বাচনে কী কী অসঙ্গতি পাওয়া গেছে সেটি স্পষ্ট করা হয়নি এনএসসির পক্ষ থেকে।
বিসিবি স্বায়ত্তশাসিত একটি প্রতিষ্ঠান। যেটি সরাসরি জবাবদিহি করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছে। কোনো বোর্ডে রাজনৈতিক বা সরকারি হস্তক্ষেপ হলে সেই দেশের ক্রিকেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসে আইসিসি থেকে।
বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার কথা ইতোমধ্যেই আইসিসিকে ইমেইলে জানিয়েছে এনএসসি। একই সঙ্গে এডহক কমিটির নামও ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এনএসসি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















