ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

‘মার্চ ফর ইউনিটি’র গাড়িবহরে হামলা, রণক্ষেত্র মোল্লাহাট

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর ইউনিটি’র গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মোল্লাহাট মাদরাসাঘাট এলাকা।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোল্লাহাট মাদরাসাঘাট এলাকায় দুর্ত্তরা শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং গাড়ি থামিয়ে কয়েকজনকে মারধর করে। পরে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা এলাকা।

ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত তিন শিক্ষার্থী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাজ করছে।

খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের মাদরাসা ঘাট এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

জানা যায়, সকালে খুলনা মহানগর থেকে শিক্ষার্থীদের বহনকারী ২৫টি বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

শিক্ষার্থীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোল্লাহাট পার হওয়ার সময় একটি বাসে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। স্থানীয়রা হামলাকারীদের সহযোগিতা করেন। থানার সামনে ঘটনা ঘটলেও পুলিশ নিরব ভূমিকায় ছিল।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের গাড়ি বহরের একটি গাড়ি পেছনে পড়ে যায়। ফকিরহাটের নওয়াপাড়া এলাকা থেকে শুরু করে মোল্লাহাটের একটি ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ওই গাড়িটিকে সাধারণ যাত্রীবাহী একটি বাস বার বার চাপ দিচ্ছিল। একপর্যায়ে ওই গাড়ির লোকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে ওই গাড়ির লোকজন এবং স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। শিক্ষার্থীদের বহনকারী সেবা গ্রিন লাইন গাড়িটির গ্লাস ভাঙচুর করা হয় এসময়। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন খুলনার সমন্বয়ক জহুরুল তানভীর বলেন, খুলনা থেকে শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের গাড়িবহর ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। অনেকে আহত হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসররা এ আক্রমণ করেছে।

আরেক সমন্বয়ক মিনহাজুল আবেদীন সম্পদ বলেন, পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করা হয়েছে। তবে কোনো বাধা আমাদের লক্ষ্য থেকে সরাতে পারবে না। আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরেছে। এর বিচার অতিদ্রুত করতে হবে, জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর না হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে জড়িতদের খুঁজে বের করবে।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। শিক্ষার্থীরা গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন। যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

‘মার্চ ফর ইউনিটি’র গাড়িবহরে হামলা, রণক্ষেত্র মোল্লাহাট

আপডেট সময় ০৩:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর ইউনিটি’র গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে মোল্লাহাট মাদরাসাঘাট এলাকা।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোল্লাহাট মাদরাসাঘাট এলাকায় দুর্ত্তরা শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং গাড়ি থামিয়ে কয়েকজনকে মারধর করে। পরে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা এলাকা।

ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত তিন শিক্ষার্থী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাজ করছে।

খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের মাদরাসা ঘাট এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

জানা যায়, সকালে খুলনা মহানগর থেকে শিক্ষার্থীদের বহনকারী ২৫টি বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

শিক্ষার্থীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোল্লাহাট পার হওয়ার সময় একটি বাসে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। স্থানীয়রা হামলাকারীদের সহযোগিতা করেন। থানার সামনে ঘটনা ঘটলেও পুলিশ নিরব ভূমিকায় ছিল।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের গাড়ি বহরের একটি গাড়ি পেছনে পড়ে যায়। ফকিরহাটের নওয়াপাড়া এলাকা থেকে শুরু করে মোল্লাহাটের একটি ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত ওই গাড়িটিকে সাধারণ যাত্রীবাহী একটি বাস বার বার চাপ দিচ্ছিল। একপর্যায়ে ওই গাড়ির লোকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে ওই গাড়ির লোকজন এবং স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। শিক্ষার্থীদের বহনকারী সেবা গ্রিন লাইন গাড়িটির গ্লাস ভাঙচুর করা হয় এসময়। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন খুলনার সমন্বয়ক জহুরুল তানভীর বলেন, খুলনা থেকে শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের গাড়িবহর ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। অনেকে আহত হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসররা এ আক্রমণ করেছে।

আরেক সমন্বয়ক মিনহাজুল আবেদীন সম্পদ বলেন, পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করা হয়েছে। তবে কোনো বাধা আমাদের লক্ষ্য থেকে সরাতে পারবে না। আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরেছে। এর বিচার অতিদ্রুত করতে হবে, জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর না হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে জড়িতদের খুঁজে বের করবে।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। শিক্ষার্থীরা গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন। যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।