ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

কিছু সংগঠন ও গোষ্ঠী অন্তর্বর্তী সরকারকে অনির্দিষ্টকাল রাখতে চায়: মির্জা ফখরুল

আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “বেশ কিছু সংগঠন, বেশ কিছু গোষ্ঠী তারা ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন এই অন্তর্বর্তী সরকারকে অনিদিষ্টকালের জন্য রাখা হোক। তারা একেবারে পরিবর্তন করে দেবে, সমস্ত সংস্কার-টংস্কার তারাই করে দেবে। তাহলেতো জনগণের দরকার নেই, পার্লামেন্টের দরকার নেই।”

সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে “দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট: উচ্চকক্ষের গঠন” শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ সংক্রান্ত জাতীয় দৈনিকের একটি খবরের কথা উল্লেখ করে মি. আলমগীর বলেন, “একটা পত্রিকা খবর দিয়েছে একটা জরিপের বরাত দিয়ে। এই জরিপ কারা দিয়েছে আমি ঠিক বলতে পারবো না। নাম দিয়েছে ব্রাক ইন্সটিটিউট। আমি জানি না তারা কীভাবে জরিপটা করেছে।”

“তারা বলছে ৮০ শতাংশ লোক চায় যে যতদিন খুশি এই সরকার থাকুক। আমি জানি না এই কথা তারা কোথা থেকে পেলো। জনগণ এটা কোনো দিনই মেনে নেবে না। এ ধরনের কথা, এ ধরনের রিপোর্ট করা থেকে আমার মনে হয় ভেবেচিন্তে করা উচিত। এটা দিয়ে যেন বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে,” বলেন মি. আলমগীর।

আপাতত রাষ্ট্র পরিচালনা এবং নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিএনপির মহাসচিব।

তিনি বলেন, “আমার দল যেটা বিশ্বাস করে, মৌলিক যে পরিবর্তন আনতে হবে, সেগুলো জনগণের মতামত ছাড়া সম্ভব নয়। তার জন্য একমাত্র জায়গা হচ্ছে পার্লামেন্ট। সুতরাং, এর জন্য সত্যিকার অর্থে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে।”

“সেই নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবেন, তারা সিদ্ধান্ত নেবেন কোন পরিবর্তনগুলো হওয়া দরকার। শুধু পরিবর্তনই করতে হবে, নাকি নতুন করে লিখতে হবে, নাকি একেবারে বাতিল করে নতুন সংবিধান আনতে হবে, সেটা পার্লামেন্টই সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি,” বলেন বিএনপি মহাসচিব।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার’ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

একইসাথে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনে এখনো সেই সব ব্যক্তিরা রয়ে গেছেন যারা ‘ফ্যাসিস্ট সরকারকে সহায়তা করতো’, এমন অভিযোগ করে তাদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানান তিনি। বলেন, “আমি আহ্বান জানাবো দ্রুত তাদের চিহ্নিত করে আপনাদের যেই জায়গা থেকে পলিসিগুলো হয়, সেখান থেকে সরিয়ে একটি কাঠামো তৈরি করেন, যেখানে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে।”

আরো পড়ুন : মহানবী (সা.) অন্ধকার দূর করে সত্য ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করেন : তারেক রহমান

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

কিছু সংগঠন ও গোষ্ঠী অন্তর্বর্তী সরকারকে অনির্দিষ্টকাল রাখতে চায়: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৫:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “বেশ কিছু সংগঠন, বেশ কিছু গোষ্ঠী তারা ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন এই অন্তর্বর্তী সরকারকে অনিদিষ্টকালের জন্য রাখা হোক। তারা একেবারে পরিবর্তন করে দেবে, সমস্ত সংস্কার-টংস্কার তারাই করে দেবে। তাহলেতো জনগণের দরকার নেই, পার্লামেন্টের দরকার নেই।”

সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে “দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট: উচ্চকক্ষের গঠন” শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ সংক্রান্ত জাতীয় দৈনিকের একটি খবরের কথা উল্লেখ করে মি. আলমগীর বলেন, “একটা পত্রিকা খবর দিয়েছে একটা জরিপের বরাত দিয়ে। এই জরিপ কারা দিয়েছে আমি ঠিক বলতে পারবো না। নাম দিয়েছে ব্রাক ইন্সটিটিউট। আমি জানি না তারা কীভাবে জরিপটা করেছে।”

“তারা বলছে ৮০ শতাংশ লোক চায় যে যতদিন খুশি এই সরকার থাকুক। আমি জানি না এই কথা তারা কোথা থেকে পেলো। জনগণ এটা কোনো দিনই মেনে নেবে না। এ ধরনের কথা, এ ধরনের রিপোর্ট করা থেকে আমার মনে হয় ভেবেচিন্তে করা উচিত। এটা দিয়ে যেন বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে,” বলেন মি. আলমগীর।

আপাতত রাষ্ট্র পরিচালনা এবং নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিএনপির মহাসচিব।

তিনি বলেন, “আমার দল যেটা বিশ্বাস করে, মৌলিক যে পরিবর্তন আনতে হবে, সেগুলো জনগণের মতামত ছাড়া সম্ভব নয়। তার জন্য একমাত্র জায়গা হচ্ছে পার্লামেন্ট। সুতরাং, এর জন্য সত্যিকার অর্থে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে।”

“সেই নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবেন, তারা সিদ্ধান্ত নেবেন কোন পরিবর্তনগুলো হওয়া দরকার। শুধু পরিবর্তনই করতে হবে, নাকি নতুন করে লিখতে হবে, নাকি একেবারে বাতিল করে নতুন সংবিধান আনতে হবে, সেটা পার্লামেন্টই সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি,” বলেন বিএনপি মহাসচিব।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার’ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

একইসাথে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনে এখনো সেই সব ব্যক্তিরা রয়ে গেছেন যারা ‘ফ্যাসিস্ট সরকারকে সহায়তা করতো’, এমন অভিযোগ করে তাদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানান তিনি। বলেন, “আমি আহ্বান জানাবো দ্রুত তাদের চিহ্নিত করে আপনাদের যেই জায়গা থেকে পলিসিগুলো হয়, সেখান থেকে সরিয়ে একটি কাঠামো তৈরি করেন, যেখানে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে।”

আরো পড়ুন : মহানবী (সা.) অন্ধকার দূর করে সত্য ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করেন : তারেক রহমান