শিরোনাম :
মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরাও এনআইডি সেবার আওতায় আসবে: ইসি টং দোকান থেকে ক্যাসিনো সম্রাট রুবেল শত কোটি টাকার মালিক! ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য পরীমণিকে লিগ্যাল নোটিশ, অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা শীতের আমেজে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল ঘিরে জাপানি শর্তে বিতর্ক, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা শেখ হাসিনার বিষয়ে আবেগ নয়, আইনই প্রয়োগ হবে: আইনমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিকল্প গাদি আইজেনকোট: সেনাপ্রধান থেকে সরকার গঠনের দৌড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন

দেশ যত দ্রুত নির্বাচনের ট্র্যাকে উঠবে ততই মঙ্গল : মির্জা ফখরুল

‘যত দ্রুত দেশকে নির্বাচনের ট্র্যাকে উঠানো যাবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বুধবার (৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস ও অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে যখন দেশের মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে তখন একটি মহল এটার বিরোধিতা করে নানা ধরণের বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কী? জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি এই কথাগুলোর উত্তর কতবার দিয়েছি। দুইদিন আগেও আমরা সংবাদ সম্মেলন করেছি। একটা কথা বলতে চাই, গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি যদি কেউ থাকে সেটা হচ্ছে বিএনপি এবং সবচেয়ে বেশি লড়াই যদি করে গণতন্ত্রের জন্য সেটা বিএনপি। বাংলাদেশে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বিএনপি নিয়ে এসেছে বহুদলীয় গণতন্ত্রে এবং পরবর্তীকালে সংসদীয় গণতন্ত্রে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সুতরাং এই বিষয়ে প্রশ্ন করার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি জিনিস কী, দেশটাকে সকলে মিলে বাঁচাতে হবে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হচ্ছে দেশকে সঠিক ট্র্যাকে উঠানো এবং যত দ্রুত উঠানো যাবে ততই মঙ্গল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা মনে করে যে, নির্বাচন প্রয়োজন নেই আমার মনে হয়, তারা আবার চিন্তা করবেন। নির্বাচন প্রয়োজন জনগণের জন্য। একটা নির্বাচিত সরকার দরকার, যে সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক থাকবে। সেই কারণেই আমরা বলছি যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন এবং সেই সংস্কারে আমরা অংশ নিচ্ছি। প্রত্যেকটি সংস্কারের দাবি আমরাই তুলেছি। সুতরাং সংস্কার এবং নির্বাচন— এর মধ্যে কোনো সাংঘর্ষিক কিছু নেই, দুইটা একসাথে চলবে।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎধীন অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের সাথে তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত হন। দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস নিউরো সমস্যায় এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এরপর একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখতে যান মির্জা ফখরুল এবং তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা খুব ভালো করে জানেন, আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতন-হত্যা-গুম-খুনের সবচেয়ে বড় ভিক্টিম আমাদের দল বিএনপি। আমার নিজেরও ১১২টা মামলা এবং ১৩ বার জেলে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সবসময় মনে করি যে সমস্ত রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকবে, যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে কাজ করবে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ কাজ করেছে, তাদের প্রতিটি ব্যক্তির শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত এবং শাস্তি হওয়া উচিত।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা, তিনি এককভাবে আমি মনে করি দ্যা রেসপনসিবল ফর দ্যা কিলিং অব থাউজেন্টস অব পিপল। তার বিচার শুরু হয়েছে, আমরা আশাবাদী তার ও তার সঙ্গে যারা গণহত্যায় জড়িত এবং এই ফ্যাসিস্ট আক্রমণের সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেকেরেই বিচার হবে।

সেই হিসেবে দলগত হিসেবেও তাদের বিচার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

জি এম কাদের রাতের আঁধার জোর করে চেয়ারম্যান হয়েছেন : চুন্নু

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

দেশ যত দ্রুত নির্বাচনের ট্র্যাকে উঠবে ততই মঙ্গল : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

‘যত দ্রুত দেশকে নির্বাচনের ট্র্যাকে উঠানো যাবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বুধবার (৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস ও অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে যখন দেশের মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে তখন একটি মহল এটার বিরোধিতা করে নানা ধরণের বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কী? জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি এই কথাগুলোর উত্তর কতবার দিয়েছি। দুইদিন আগেও আমরা সংবাদ সম্মেলন করেছি। একটা কথা বলতে চাই, গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি যদি কেউ থাকে সেটা হচ্ছে বিএনপি এবং সবচেয়ে বেশি লড়াই যদি করে গণতন্ত্রের জন্য সেটা বিএনপি। বাংলাদেশে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বিএনপি নিয়ে এসেছে বহুদলীয় গণতন্ত্রে এবং পরবর্তীকালে সংসদীয় গণতন্ত্রে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সুতরাং এই বিষয়ে প্রশ্ন করার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি জিনিস কী, দেশটাকে সকলে মিলে বাঁচাতে হবে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হচ্ছে দেশকে সঠিক ট্র্যাকে উঠানো এবং যত দ্রুত উঠানো যাবে ততই মঙ্গল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা মনে করে যে, নির্বাচন প্রয়োজন নেই আমার মনে হয়, তারা আবার চিন্তা করবেন। নির্বাচন প্রয়োজন জনগণের জন্য। একটা নির্বাচিত সরকার দরকার, যে সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক থাকবে। সেই কারণেই আমরা বলছি যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন এবং সেই সংস্কারে আমরা অংশ নিচ্ছি। প্রত্যেকটি সংস্কারের দাবি আমরাই তুলেছি। সুতরাং সংস্কার এবং নির্বাচন— এর মধ্যে কোনো সাংঘর্ষিক কিছু নেই, দুইটা একসাথে চলবে।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎধীন অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের সাথে তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত হন। দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস নিউরো সমস্যায় এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এরপর একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখতে যান মির্জা ফখরুল এবং তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা খুব ভালো করে জানেন, আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতন-হত্যা-গুম-খুনের সবচেয়ে বড় ভিক্টিম আমাদের দল বিএনপি। আমার নিজেরও ১১২টা মামলা এবং ১৩ বার জেলে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সবসময় মনে করি যে সমস্ত রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকবে, যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে কাজ করবে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ কাজ করেছে, তাদের প্রতিটি ব্যক্তির শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত এবং শাস্তি হওয়া উচিত।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা, তিনি এককভাবে আমি মনে করি দ্যা রেসপনসিবল ফর দ্যা কিলিং অব থাউজেন্টস অব পিপল। তার বিচার শুরু হয়েছে, আমরা আশাবাদী তার ও তার সঙ্গে যারা গণহত্যায় জড়িত এবং এই ফ্যাসিস্ট আক্রমণের সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেকেরেই বিচার হবে।

সেই হিসেবে দলগত হিসেবেও তাদের বিচার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

জি এম কাদের রাতের আঁধার জোর করে চেয়ারম্যান হয়েছেন : চুন্নু

Share this news as a Photo Card