শিরোনাম :
পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতায় ভারত-মার্কিন সম্পর্কে টান পড়তে পারে: জয়শঙ্কর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক মেজর জেনারেল বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী স্কোয়াড অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো : পেট্রোবাংলা ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল ”আমার সব সময় গরিব ছেলে পছন্দ ছিলো”: প্রভা মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশের সঙ্গে হকারদের সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন ইরাক থেকে মার্কিন সেনা পুরোপুরি সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ৫০ টাকার গাছ ৪০০ টাকায় ক্রয় চীন সীমান্তের কাছে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমান বিধ্বস্ত

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল

মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এক গ্রাহকের হাতে এসেছে ৫০৬ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের বিল। এ ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ওই গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিলটি এসেছে মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী আলেয়া খাতুনের নামে। সেপ্টেম্বর মাসের এই বিলে গ্রাহকের শ্রেণি লেখা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।

বিলের তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫, আর ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট। এই ব্যবহারের বিপরীতে স্বাভাবিক বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ ধরা হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে বিলের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ এই অঙ্ক হতো ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ তা হতো ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এই বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর।

ঘটনার পর ক্ষোভ জানিয়েছেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। তিনি বলেন, ‘এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার চাই।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

পীরগঞ্জে বাঁশ দিয়ে রেল ক্রসিং পাহাড়ায় ভ্যান চালক

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

চীন সীমান্তের কাছে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমান বিধ্বস্ত

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল

আপডেট সময় ০২:০৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল

মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এক গ্রাহকের হাতে এসেছে ৫০৬ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের বিল। এ ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ওই গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিলটি এসেছে মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী আলেয়া খাতুনের নামে। সেপ্টেম্বর মাসের এই বিলে গ্রাহকের শ্রেণি লেখা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।

বিলের তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫, আর ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট। এই ব্যবহারের বিপরীতে স্বাভাবিক বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ ধরা হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে বিলের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ এই অঙ্ক হতো ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ তা হতো ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এই বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর।

ঘটনার পর ক্ষোভ জানিয়েছেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। তিনি বলেন, ‘এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে আমাদের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার চাই।’

Share this news as a Photo Card