ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

ঢাকায় হঠাৎ বেড়েছে ডায়েরিয়ার প্রকোপ

তীব্র গরম আর দূষিত খাবার পানির কারণে রাজধানীতে হঠাৎ দেখা দিয়েছে ডায়েরিয়ার প্রকোপ। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) হাসপাতালে প্রতি ঘণ্টায় আসছে প্রায় অর্ধশতাধিক রোগী। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা। এ অবস্থায় নিরাপদ পানি ও খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।

ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার একদিনের মাথায় মারা গেছে আড়াই বছরের শিশু মিজান। যমজ সন্তানের একজনকে হারিয়ে দিশেহারা তাদের বাবা-মা। শিশু মিজানের বাবা জানান, গতকাল কালকে রাত থেকে দুজনেরই প্রচণ্ড বমি হয়। মুখ দিয়ে লালাও ঝরছিল। এবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মারা যায় একজন। আরেকজন এখন হাসপাতালে ভর্তি আছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, তীব্র গরম আর অনিরাপদ পানি ডায়েরিয়ার অন্যতম কারণ।

আইসিডিডিআরবির শিশু বিশেষজ্ঞ ড. লুবাবা শাহরিন বলেন, ‘প্রতিবছরই জুন মাসে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়। এর অন্যতম কারণ হলো খোলা জায়গার খাবার খাওয়া। এ ছাড়াও বাসায় যে পানি পান করা হয়, সেটি অনেক সময় নিরাপদ থাকে না। সেই পানি ফুটিয়ে পান না করার ফলেও অনেকে ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়।’

আইসিডিডিআরবির প্রধান ড. বাহারুল আলম বলেন, ‘খাবার স্যালাইন খাওয়ার পর যদি মনে হয়, রোগীর অবস্থা খারাপ হচ্ছে, বমি বাড়ছে, খাবার স্যালাইন খেতে পারছে না অথবা রোগী নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। অনেকে বিভিন্ন কোমল পানীয় পান করেন। এটি আমরা সম্পূর্ণ নিষেধ করি। এটি ছাড়া স্বাভাবিক খাবার রোগীকে দিতে হবে।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০০৭ ও ২০১৮ সালের পর এবারই রোগীর চাপ এতটা বেড়েছে। তবে রোগীর চাপ সামলাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন : জিয়াউর রহমানের আমলে দরখাস্ত করে দল গঠন করেছিল আ’লীগ : মির্জা ফখরুল

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঢাকায় হঠাৎ বেড়েছে ডায়েরিয়ার প্রকোপ

আপডেট সময় ১০:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

তীব্র গরম আর দূষিত খাবার পানির কারণে রাজধানীতে হঠাৎ দেখা দিয়েছে ডায়েরিয়ার প্রকোপ। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) হাসপাতালে প্রতি ঘণ্টায় আসছে প্রায় অর্ধশতাধিক রোগী। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা। এ অবস্থায় নিরাপদ পানি ও খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।

ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার একদিনের মাথায় মারা গেছে আড়াই বছরের শিশু মিজান। যমজ সন্তানের একজনকে হারিয়ে দিশেহারা তাদের বাবা-মা। শিশু মিজানের বাবা জানান, গতকাল কালকে রাত থেকে দুজনেরই প্রচণ্ড বমি হয়। মুখ দিয়ে লালাও ঝরছিল। এবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মারা যায় একজন। আরেকজন এখন হাসপাতালে ভর্তি আছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, তীব্র গরম আর অনিরাপদ পানি ডায়েরিয়ার অন্যতম কারণ।

আইসিডিডিআরবির শিশু বিশেষজ্ঞ ড. লুবাবা শাহরিন বলেন, ‘প্রতিবছরই জুন মাসে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়। এর অন্যতম কারণ হলো খোলা জায়গার খাবার খাওয়া। এ ছাড়াও বাসায় যে পানি পান করা হয়, সেটি অনেক সময় নিরাপদ থাকে না। সেই পানি ফুটিয়ে পান না করার ফলেও অনেকে ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়।’

আইসিডিডিআরবির প্রধান ড. বাহারুল আলম বলেন, ‘খাবার স্যালাইন খাওয়ার পর যদি মনে হয়, রোগীর অবস্থা খারাপ হচ্ছে, বমি বাড়ছে, খাবার স্যালাইন খেতে পারছে না অথবা রোগী নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে, তাহলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। অনেকে বিভিন্ন কোমল পানীয় পান করেন। এটি আমরা সম্পূর্ণ নিষেধ করি। এটি ছাড়া স্বাভাবিক খাবার রোগীকে দিতে হবে।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০০৭ ও ২০১৮ সালের পর এবারই রোগীর চাপ এতটা বেড়েছে। তবে রোগীর চাপ সামলাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন : জিয়াউর রহমানের আমলে দরখাস্ত করে দল গঠন করেছিল আ’লীগ : মির্জা ফখরুল