ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

জয়কে নিয়ে সোহেল তাজের ব্যঙ্গ

জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড নিয়ে আলোচনা চলছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের কর্তা ব্যক্তিদের বক্তব্যেও মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উঠে এসেছে কয়েকজনের নাম। এমন এক সময়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজও যোগ দিয়েছেন সেই আলোচনায়।

এবার সোহেল তাজ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে জুলাই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যদিও তিনি যে তা ব্যঙ্গার্থে বলেছেন, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

শনিবার দিনগত রাতে ফেসবুক পোস্টে সোহেল তাজ লেখেন, ‘আজকে পত্রিকায় পড়লাম বিএনপির নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভুত্থানের মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমান। আবার জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব ছাত্র-জনতার, কোনো দলের নয়। আবার কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে মাহফুজ। আশ্চর্য হবার কিছুই থাকবে না যদি কয়েকদিন পর শোনা যায়, মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে সজীব ওয়াজেদ জয়। আমাদের সবার নিশ্চয়ই মনে আছে, বেচারা প্রিন্স চার্লসকে কত বছরই না অপেক্ষা করতে হয়েছিল রাজা হবার জন্য।’

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই মাসের মাথায় এখন এ আন্দোলনের কৃতিত্বের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। আলোচনা হচ্ছে এ আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কে বা কারা সেটি নিয়ে। নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে এই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। মূলত এরপর থেকেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

এরপর গতকাল শনিবার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু দাবি করে বলেছেন, ‘এই আন্দোলনের একমাত্র ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছেন তারেক রহমান। কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যা করা দরকার সবই করেছেন তিনি (তারেক রহমান)।’

আরো পড়ুন : বিদেশি চাপে সাবের হোসেনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে : নুর

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

জয়কে নিয়ে সোহেল তাজের ব্যঙ্গ

আপডেট সময় ০৩:২৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড নিয়ে আলোচনা চলছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের কর্তা ব্যক্তিদের বক্তব্যেও মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উঠে এসেছে কয়েকজনের নাম। এমন এক সময়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজও যোগ দিয়েছেন সেই আলোচনায়।

এবার সোহেল তাজ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে জুলাই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যদিও তিনি যে তা ব্যঙ্গার্থে বলেছেন, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

শনিবার দিনগত রাতে ফেসবুক পোস্টে সোহেল তাজ লেখেন, ‘আজকে পত্রিকায় পড়লাম বিএনপির নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভুত্থানের মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমান। আবার জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব ছাত্র-জনতার, কোনো দলের নয়। আবার কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে মাহফুজ। আশ্চর্য হবার কিছুই থাকবে না যদি কয়েকদিন পর শোনা যায়, মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে সজীব ওয়াজেদ জয়। আমাদের সবার নিশ্চয়ই মনে আছে, বেচারা প্রিন্স চার্লসকে কত বছরই না অপেক্ষা করতে হয়েছিল রাজা হবার জন্য।’

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুই মাসের মাথায় এখন এ আন্দোলনের কৃতিত্বের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। আলোচনা হচ্ছে এ আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কে বা কারা সেটি নিয়ে। নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে এই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। মূলত এরপর থেকেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ শব্দটি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।

এরপর গতকাল শনিবার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু দাবি করে বলেছেন, ‘এই আন্দোলনের একমাত্র ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছেন তারেক রহমান। কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যা করা দরকার সবই করেছেন তিনি (তারেক রহমান)।’

আরো পড়ুন : বিদেশি চাপে সাবের হোসেনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে : নুর