শিরোনাম :
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে গবেষণা ও এআইয়ে জোর দিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী বন্যায় প্লাবিত গাজার ৭০ হাজার তাঁবু, ঝুঁকিতে ৪ লাখ মানুষ সড়কে একসঙ্গে প্রাণ হারাচ্ছে পরিবার, ছয় বছরে প্রায় ৩০০ পরিবার নিশ্চিহ্ন সিলেট টেস্টে হজের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে কঠিন হলো বাংলাদেশের জয়ের পথ সমবায় আন্দোলনকে দুর্নীতিমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সমবায়ের আদর্শে মানুষকে স্বনির্ভর করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরাও এনআইডি সেবার আওতায় আসবে: ইসি টং দোকান থেকে ক্যাসিনো সম্রাট রুবেল শত কোটি টাকার মালিক! ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

পঞ্চগড়ে বিক্রি করা জমি দখলের অভিযোগ 

পঞ্চগড়ে বিক্রি করা জমি পুনরায় দখল করার অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আব্বাস আলী পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি ইউনিয়নের রহমতপুর হরিপুর এলাকার মৃত দবির উদ্দীনের ছেলে।
জানা যায়, আব্বাস আলী প্রায় ১০ বছর পূর্বে রাকিবুল হাসান জানি নামের এক ব্যক্তির কাছে ৩টি সাব কবলা দলিল মূলে ৫১ শতক জমি বিক্রি করেন। জমি কিনে সেখানে রাকিবুল হাসান জানি নামের ওই ব্যক্তি গাছ লাগান।
গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর রাকিবুল হাসান জানি শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তার স্ত্রী ফেন্সি বেগম রংপুরের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান৷ দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চলমান থাকায় এবং জানি রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে এখবর জানতে পেরে আব্বাস আলী তার লোকজন নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর পূর্বের কেনা ২৫ শতক জমি দখল করার জন্য জমিতে গিয়ে মহেন্দ্র দিয়ে হালচাষ করেন এবং জমিতে লাগানো ৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ৮৪ টি গাছ কেটে নিয়ে যায়।
ফেন্সি বেগম জানান, আব্বাস আলী জমিতে গিয়ে দখল করার চেষ্টা করছে জানতে পারি। আমার স্বামী অসুস্থ থাকার কারনে আমি জমিতে যাই। আব্বাস আলী গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় ও হালচাষ করার সময় আমি বাধা দিলে আব্বাস আলী নিজে ও তার লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাকে মেরে ফেলার জন্য এগিয়ে আসে। তখন সেখানে উপস্থিত থাকা লোকজন আমাকে উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় সাথে সাথে আমি থানায় অভিযোগ দিলে থানার অফিসার ইনচার্জ আমাকে ও আব্বাস আলীকে ওই দিনই জমির কাগজ পত্র নিয়ে থানায় হাজির হতে বলে। আমি আমার কাগজ পত্র নিয়ে থানায় হাজির হলেও আব্বাস আলী হাজির হননি।
আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার কারনে আব্বাস ক্ষিপ্ত হয়ে বাকি ২৬ শতক জমিতেও মহেন্দ্র দিয়ে হালচাষ করেন। তখন আমি পুরনায় থানায় জানালে থানা থেকে পুলিশ এসে তদন্ত করে জমিতে হালচাষ করার সত্যতা পান। তখন আব্বাস আলীকে আসামী করে বোদা থানায় মামলা করা হয়।
একই এলাকার খবির উদ্দীন নামের এক ব্যক্তি জানান, রাকিবুল হাসান জানি ৩টি সাব কবলা দলিল মূলে আব্বাস আলীর নিকট থেকে কিনে নেন। তারপর থেকে সেই জমি তিনি ভোগদখল করেন। সেখানে তিনি গাছ লাগিয়ে ছিলেন।
আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, আব্বাস আলী তার নিজের বিক্রি করা জমি পুনরায় দখল করার জন্য জমিতে থাকা ৮৪টি গাছ কেটে নিয়ে সেখানে হালচাষ করেন।
নয়ন ইসলাম নামের এক ব্যক্তি জানান, আব্বাস আলী তার ৫১ শতক জমি রাকিবুল হাসান জানির নিকট বিক্রি করার পরেও সে জমি আবার দখল নেয়ার জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে জমিতে থাকা ৮৪ টি গাছ কেটে নিয়ে জমিতে হালচাষ করেছে৷
বোদা থানার এসআই আব্দুস ছালাম জানান, জমি নিয়ে গন্ডগোল থাকার কারনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করি।
আব্বাস আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তারা এলাকা থেকে উচ্ছেদ করার এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে জোর পূর্বক জমি লিখে নেয়।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে গবেষণা ও এআইয়ে জোর দিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

পঞ্চগড়ে বিক্রি করা জমি দখলের অভিযোগ 

আপডেট সময় ০৫:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫
পঞ্চগড়ে বিক্রি করা জমি পুনরায় দখল করার অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আব্বাস আলী পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি ইউনিয়নের রহমতপুর হরিপুর এলাকার মৃত দবির উদ্দীনের ছেলে।
জানা যায়, আব্বাস আলী প্রায় ১০ বছর পূর্বে রাকিবুল হাসান জানি নামের এক ব্যক্তির কাছে ৩টি সাব কবলা দলিল মূলে ৫১ শতক জমি বিক্রি করেন। জমি কিনে সেখানে রাকিবুল হাসান জানি নামের ওই ব্যক্তি গাছ লাগান।
গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর রাকিবুল হাসান জানি শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তার স্ত্রী ফেন্সি বেগম রংপুরের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান৷ দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চলমান থাকায় এবং জানি রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে এখবর জানতে পেরে আব্বাস আলী তার লোকজন নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর পূর্বের কেনা ২৫ শতক জমি দখল করার জন্য জমিতে গিয়ে মহেন্দ্র দিয়ে হালচাষ করেন এবং জমিতে লাগানো ৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ৮৪ টি গাছ কেটে নিয়ে যায়।
ফেন্সি বেগম জানান, আব্বাস আলী জমিতে গিয়ে দখল করার চেষ্টা করছে জানতে পারি। আমার স্বামী অসুস্থ থাকার কারনে আমি জমিতে যাই। আব্বাস আলী গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় ও হালচাষ করার সময় আমি বাধা দিলে আব্বাস আলী নিজে ও তার লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাকে মেরে ফেলার জন্য এগিয়ে আসে। তখন সেখানে উপস্থিত থাকা লোকজন আমাকে উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় সাথে সাথে আমি থানায় অভিযোগ দিলে থানার অফিসার ইনচার্জ আমাকে ও আব্বাস আলীকে ওই দিনই জমির কাগজ পত্র নিয়ে থানায় হাজির হতে বলে। আমি আমার কাগজ পত্র নিয়ে থানায় হাজির হলেও আব্বাস আলী হাজির হননি।
আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার কারনে আব্বাস ক্ষিপ্ত হয়ে বাকি ২৬ শতক জমিতেও মহেন্দ্র দিয়ে হালচাষ করেন। তখন আমি পুরনায় থানায় জানালে থানা থেকে পুলিশ এসে তদন্ত করে জমিতে হালচাষ করার সত্যতা পান। তখন আব্বাস আলীকে আসামী করে বোদা থানায় মামলা করা হয়।
একই এলাকার খবির উদ্দীন নামের এক ব্যক্তি জানান, রাকিবুল হাসান জানি ৩টি সাব কবলা দলিল মূলে আব্বাস আলীর নিকট থেকে কিনে নেন। তারপর থেকে সেই জমি তিনি ভোগদখল করেন। সেখানে তিনি গাছ লাগিয়ে ছিলেন।
আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, আব্বাস আলী তার নিজের বিক্রি করা জমি পুনরায় দখল করার জন্য জমিতে থাকা ৮৪টি গাছ কেটে নিয়ে সেখানে হালচাষ করেন।
নয়ন ইসলাম নামের এক ব্যক্তি জানান, আব্বাস আলী তার ৫১ শতক জমি রাকিবুল হাসান জানির নিকট বিক্রি করার পরেও সে জমি আবার দখল নেয়ার জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে জমিতে থাকা ৮৪ টি গাছ কেটে নিয়ে জমিতে হালচাষ করেছে৷
বোদা থানার এসআই আব্দুস ছালাম জানান, জমি নিয়ে গন্ডগোল থাকার কারনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করি।
আব্বাস আলী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তারা এলাকা থেকে উচ্ছেদ করার এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে জোর পূর্বক জমি লিখে নেয়।

Share this news as a Photo Card