ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা অব্যাহত, নিহতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৭৫৬

১২ সেপ্টেম্বর গাজা শহরের আল-নাসর স্ট্রিটে ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের ধ্বংসাবশেষ পেরিয়ে পথ চলছে ফিলিস্তিনিরা। ছবি: এএফপি

ইসরায়েলের চলমান গণহত্যায় গাজায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার ৭৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামলায় আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৪ হাজার ৫৯ জনে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৮টি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে, এর মধ্যে দুইটি মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ২০০ জন। তবে এখনও অনেক মরদেহ ধ্বংসস্তূপ ও রাস্তায় পড়ে আছে, যেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছেন না।

শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। গত ২৭ মে থেকে এখন পর্যন্ত সাহায্য নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৭৯ জনে এবং আহত হয়েছেন ১৮ হাজার ৯১ জনের বেশি।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অপুষ্টি ও অনাহারে আরও দুজন মারা গেছে, যার মধ্যে একজন শিশু রয়েছে । এর ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ১৪৩ জন শিশু। জাতিসংঘ-সমর্থিত আইপিসি (আইপিসি) গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে অন্তত ১৩৫ জন মারা গেছে, যার মধ্যে ২৮ শিশু।

ইসরায়েল ২ মার্চ থেকে গাজার সব সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ২৪ লাখ মানুষের এই অঞ্চল এখন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে পড়েছে।

শুধু ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েলের নতুন করে হামলা শুরু হওয়ার পর ১২ হাজার ২০৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫২ হাজার ১৮ জন আহত হয়েছেন। এ হামলার মাধ্যমে জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি ভেঙে দেয় ইসরায়েল।

গত নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলাও চলছে।

ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কারোপের নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা অব্যাহত, নিহতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৭৫৬

আপডেট সময় ১১:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসরায়েলের চলমান গণহত্যায় গাজায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪ হাজার ৭৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামলায় আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৪ হাজার ৫৯ জনে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৮টি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে, এর মধ্যে দুইটি মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ২০০ জন। তবে এখনও অনেক মরদেহ ধ্বংসস্তূপ ও রাস্তায় পড়ে আছে, যেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছেন না।

শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৪৩ জন আহত হয়েছেন। গত ২৭ মে থেকে এখন পর্যন্ত সাহায্য নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৭৯ জনে এবং আহত হয়েছেন ১৮ হাজার ৯১ জনের বেশি।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অপুষ্টি ও অনাহারে আরও দুজন মারা গেছে, যার মধ্যে একজন শিশু রয়েছে । এর ফলে গত বছরের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ১৪৩ জন শিশু। জাতিসংঘ-সমর্থিত আইপিসি (আইপিসি) গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে অন্তত ১৩৫ জন মারা গেছে, যার মধ্যে ২৮ শিশু।

ইসরায়েল ২ মার্চ থেকে গাজার সব সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ২৪ লাখ মানুষের এই অঞ্চল এখন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে পড়েছে।

শুধু ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েলের নতুন করে হামলা শুরু হওয়ার পর ১২ হাজার ২০৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫২ হাজার ১৮ জন আহত হয়েছেন। এ হামলার মাধ্যমে জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি ভেঙে দেয় ইসরায়েল।

গত নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলাও চলছে।

ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কারোপের নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প