ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ইরানে মার্কিন স্পেশাল বাহিনীর প্রবেশ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের নতুন মোড়, গোপন সামরিক অভিযান নাকি কৌশলগত পদক্ষেপ—জানুন বিস্তারিত এই প্রতিবেদনে।

ইরানে প্রবেশ করল মার্কিন বাহিনী

  • এস কে চন্দন
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 8

ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করতে ইরানের মাটিতে প্রবেশ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশেষ চৌকস দল ‘স্পেশাল ফোর্স’।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাতে এই দেশটিতে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। 

ইরানে মার্কিন স্পেশাল বাহিনীর প্রবেশ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের নতুন মোড়, গোপন সামরিক অভিযান নাকি কৌশলগত পদক্ষেপ—জানুন বিস্তারিত এই প্রতিবেদনে।

গত ৫ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে এই প্রথম মার্কিন স্থলবাহিনী সরাসরি ইরানের ভূখণ্ডে পা রাখল। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ইরানে প্রবেশের এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি।

এরআগে শুক্রবার দিনের শুরুতে ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। বিমানটিতে সাধারণত দুজন ক্রু থাকেন। আকাশযুদ্ধের ইতিহাসে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত এই দুই সেনার মধ্যে একজনকে অতি-ঝুঁকিপূর্ণ এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে নিরাপদে উদ্ধার করে নিজেদের ডেরায় ফিরিয়ে এনেছে মার্কিন কমান্ডোরা।

বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
তবে সেই উদ্ধার অভিযান মোটেও সহজ ছিল না। সেখানে উপস্থিত উদ্ধারকারী মার্কিন ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ করে ইরানের পুলিশ ও স্থানীয় সশস্ত্র মিলিশিয়ারা। পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, গুলিতে একটি হেলিকপ্টারের পেছনের লেজের অংশে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায় এবং কুণ্ডলী পাকিয়ে ধোঁয়া বের হতে থাকে।

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়, কোনো সাধারণ নাগরিক বা মিলিশিয়া যদি ওই নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় আটক করে দিতে পারেন, তবে তাকে নগদ ৬০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কারের লোভে দলে দলে মানুষ এখন অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে পাহাড়ি উপত্যকায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে।

এই রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিখোঁজ বিমানসেনার কোনো ক্ষতি হলে আমেরিকা কী কঠোর পদক্ষেপ নেবে— এমন সরাসরি প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়ে ট্রাম্প শুধু বলেছেন, “এ বিষয়ে আমি এখন কোনো মন্তব্য করতে পারছি না, কারণ আমরা আশা করছি তেমন খারাপ কিছু ঘটবে না।

ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফেরানোর হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

 

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানে ‘নরক’ নেমে আসবে : ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ইরানে মার্কিন স্পেশাল বাহিনীর প্রবেশ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের নতুন মোড়, গোপন সামরিক অভিযান নাকি কৌশলগত পদক্ষেপ—জানুন বিস্তারিত এই প্রতিবেদনে।

ইরানে প্রবেশ করল মার্কিন বাহিনী

আপডেট সময় ১২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করতে ইরানের মাটিতে প্রবেশ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশেষ চৌকস দল ‘স্পেশাল ফোর্স’।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাতে এই দেশটিতে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। 

ইরানে মার্কিন স্পেশাল বাহিনীর প্রবেশ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের নতুন মোড়, গোপন সামরিক অভিযান নাকি কৌশলগত পদক্ষেপ—জানুন বিস্তারিত এই প্রতিবেদনে।

গত ৫ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে এই প্রথম মার্কিন স্থলবাহিনী সরাসরি ইরানের ভূখণ্ডে পা রাখল। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ইরানে প্রবেশের এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি।

এরআগে শুক্রবার দিনের শুরুতে ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। বিমানটিতে সাধারণত দুজন ক্রু থাকেন। আকাশযুদ্ধের ইতিহাসে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত এই দুই সেনার মধ্যে একজনকে অতি-ঝুঁকিপূর্ণ এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে নিরাপদে উদ্ধার করে নিজেদের ডেরায় ফিরিয়ে এনেছে মার্কিন কমান্ডোরা।

বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
তবে সেই উদ্ধার অভিযান মোটেও সহজ ছিল না। সেখানে উপস্থিত উদ্ধারকারী মার্কিন ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ করে ইরানের পুলিশ ও স্থানীয় সশস্ত্র মিলিশিয়ারা। পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, গুলিতে একটি হেলিকপ্টারের পেছনের লেজের অংশে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায় এবং কুণ্ডলী পাকিয়ে ধোঁয়া বের হতে থাকে।

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়, কোনো সাধারণ নাগরিক বা মিলিশিয়া যদি ওই নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় আটক করে দিতে পারেন, তবে তাকে নগদ ৬০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কারের লোভে দলে দলে মানুষ এখন অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে পাহাড়ি উপত্যকায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে।

এই রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিখোঁজ বিমানসেনার কোনো ক্ষতি হলে আমেরিকা কী কঠোর পদক্ষেপ নেবে— এমন সরাসরি প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়ে ট্রাম্প শুধু বলেছেন, “এ বিষয়ে আমি এখন কোনো মন্তব্য করতে পারছি না, কারণ আমরা আশা করছি তেমন খারাপ কিছু ঘটবে না।

ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে’ ফেরানোর হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত