শিরোনাম :
সমবায় আন্দোলনকে দুর্নীতিমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সমবায়ের আদর্শে মানুষকে স্বনির্ভর করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরাও এনআইডি সেবার আওতায় আসবে: ইসি টং দোকান থেকে ক্যাসিনো সম্রাট রুবেল শত কোটি টাকার মালিক! ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য পরীমণিকে লিগ্যাল নোটিশ, অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা শীতের আমেজে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল ঘিরে জাপানি শর্তে বিতর্ক, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা শেখ হাসিনার বিষয়ে আবেগ নয়, আইনই প্রয়োগ হবে: আইনমন্ত্রী

সমবায় আন্দোলনকে দুর্নীতিমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে সমবায় সমিতিগুলোকে  পণ্য বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি আরও বলেছেন, ‘সমবায় সমিতিগুলোর মধ্যে দুর্নীতির কারণে বেশিরভাগ সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে এবং তাদের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি সমিতি মাত্র সফলভাবে কাজ করছে। অথচ সমবায় আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সমবায় আন্দোলনকে সফল করতে হলে সংগঠনগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।’  একই সঙ্গে সমবায় সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনেরও আহ্বান জানান তিনি।

আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সমবায় সমিতিগুলোর মধ্যে দুর্নীতির কারণে বেশিরভাগ সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে এবং তাদের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি সমিতি মাত্র সফলভাবে কাজ করছে। অথচ সমবায় আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সমবায় আন্দোলনকে সফল করতে হলে সংগঠনগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।’

ইতিহাসের কথা

রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, ১৯০৪ সালে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সমবায়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে উদ্যোগ জিয়াউর রহমান নিয়েছিলেন, তার সঙ্গে সমবায়কে যুক্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ষাটের দশকে সমবায় আন্দোলনের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত ড. আখতার হামিদ খানকে পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বার্ডের মহাপরিচালকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। এতে সমবায় আন্দোলন অনেকটা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পিছিয়ে পড়ার কারণ

অতীতের সাফল্যের কথা বলে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপ করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে সমবায়ের সেই অবস্থান এখন আর নেই। ধীরে ধীরে সমবায় আন্দোলন একেবারে নিচের দিকে চলে গেছে। এখন আর আগের মতো এই আন্দোলনের প্রতি গুরুত্ব বা মনোযোগ দেখা যায় না।’

তাঁর মতে, বাংলাদেশে এনজিওর ধারণা অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়েছে, আর এর কারণেও সমবায় আন্দোলন পিছিয়ে পড়েছে। সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন এনজিওর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। তাই সমিতিগুলো যেন সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইন সংশোধন ও বাজারজাতকরণ

সমবায় খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য বিদ্যমান আইন সংশোধন ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

পণ্য বাজারজাতকরণ নিয়ে তিনি বলেন, সমবায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য বাজারে তোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমবায় অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিতে পারে। সমবায়ভিত্তিক কোম্পানি গড়ে তোলা যেতে পারে, যারা সমিতিগুলোকে পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা করবে। বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে যথেষ্ট ঘাটতি আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঐক্যের আহ্বান

সমবায়ের মূল ধারণা একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করা, মনে করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলার কথাও বলেন তিনি।

সফল সমবায়ী ও প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করে তিনি জানান, সম্প্রতি বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে গিয়ে তিনি সেখানকার কাজ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। আজকের অনুষ্ঠানে কয়েকটি সফল সমবায়ের অগ্রগতি দেখেও আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান। সমবায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনটি শুধু ধরে রাখলেই হবে না, এগিয়েও নিতে হবে। এজন্য একে আরও ব্যাপকভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের অন্যান্য তথ্য

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মো. আবদুস সালাম। স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক সেলিম ফকির।

সমবায় অধিদপ্তরের আয়োজনে এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘করবো সমবায়, গড়বো দেশ। সবার জন্য বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানে সফল সমবায়ীদের পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

উল্লাপাড়া-কাশিনাথপুর রেলপথের দাবিতে শাহজাদপুরে মানববন্ধন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

শেখ হাসিনার বিষয়ে আবেগ নয়, আইনই প্রয়োগ হবে: আইনমন্ত্রী

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সমবায় আন্দোলনকে দুর্নীতিমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট সময় ০৫:৪৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে সমবায় সমিতিগুলোকে  পণ্য বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি আরও বলেছেন, ‘সমবায় সমিতিগুলোর মধ্যে দুর্নীতির কারণে বেশিরভাগ সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে এবং তাদের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি সমিতি মাত্র সফলভাবে কাজ করছে। অথচ সমবায় আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সমবায় আন্দোলনকে সফল করতে হলে সংগঠনগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।’  একই সঙ্গে সমবায় সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনেরও আহ্বান জানান তিনি।

আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সমবায় সমিতিগুলোর মধ্যে দুর্নীতির কারণে বেশিরভাগ সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে এবং তাদের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি সমিতি মাত্র সফলভাবে কাজ করছে। অথচ সমবায় আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সমবায় আন্দোলনকে সফল করতে হলে সংগঠনগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে।’

ইতিহাসের কথা

রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, ১৯০৪ সালে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সমবায়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে উদ্যোগ জিয়াউর রহমান নিয়েছিলেন, তার সঙ্গে সমবায়কে যুক্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ষাটের দশকে সমবায় আন্দোলনের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত ড. আখতার হামিদ খানকে পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বার্ডের মহাপরিচালকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। এতে সমবায় আন্দোলন অনেকটা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পিছিয়ে পড়ার কারণ

অতীতের সাফল্যের কথা বলে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপ করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে সমবায়ের সেই অবস্থান এখন আর নেই। ধীরে ধীরে সমবায় আন্দোলন একেবারে নিচের দিকে চলে গেছে। এখন আর আগের মতো এই আন্দোলনের প্রতি গুরুত্ব বা মনোযোগ দেখা যায় না।’

তাঁর মতে, বাংলাদেশে এনজিওর ধারণা অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়েছে, আর এর কারণেও সমবায় আন্দোলন পিছিয়ে পড়েছে। সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন এনজিওর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। তাই সমিতিগুলো যেন সেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইন সংশোধন ও বাজারজাতকরণ

সমবায় খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য বিদ্যমান আইন সংশোধন ও যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

পণ্য বাজারজাতকরণ নিয়ে তিনি বলেন, সমবায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য বাজারে তোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমবায় অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিতে পারে। সমবায়ভিত্তিক কোম্পানি গড়ে তোলা যেতে পারে, যারা সমিতিগুলোকে পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা করবে। বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে যথেষ্ট ঘাটতি আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঐক্যের আহ্বান

সমবায়ের মূল ধারণা একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করা, মনে করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলার কথাও বলেন তিনি।

সফল সমবায়ী ও প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করে তিনি জানান, সম্প্রতি বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে গিয়ে তিনি সেখানকার কাজ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। আজকের অনুষ্ঠানে কয়েকটি সফল সমবায়ের অগ্রগতি দেখেও আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান। সমবায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনটি শুধু ধরে রাখলেই হবে না, এগিয়েও নিতে হবে। এজন্য একে আরও ব্যাপকভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের অন্যান্য তথ্য

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মো. আবদুস সালাম। স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক সেলিম ফকির।

সমবায় অধিদপ্তরের আয়োজনে এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘করবো সমবায়, গড়বো দেশ। সবার জন্য বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানে সফল সমবায়ীদের পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

Share this news as a Photo Card