সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলায় দাপট দেখিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয় ব্যাটারদের সামনে বাংলাদেশের বোলাররা দিনভর বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন। তিন সেশনে মাত্র তিনটি উইকেট পেয়েছে স্বাগতিকেরা। দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান। হাতে আছে আরও সাত উইকেট, আর লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রানের।
রোববার (৮ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষ হয়েছে। সফরকারীরা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের লিড পেরিয়ে এখন বেশ এগিয়ে।
দিনের শুরুটা অবশ্য বাংলাদেশের জন্য কিছুটা আশার ছিল। প্রথম সেশনে জশুয়া ডা সিলভাকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। এরপর ৬১ রান করা ব্রেন্ডন কিংকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। স্পিনারদের হাত ধরেই ম্যাচে ফেরার একটা সম্ভাবনা তখন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই ধারা ধরে রাখা যায়নি।
দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট হাতে নিয়ন্ত্রণ নেন কেভাম হজ ও কেভিন উইকহ্যাম। তৃতীয় উইকেটে তাঁদের জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় উইকেটে থেকে রান তোলার পাশাপাশি তাঁরা বাংলাদেশের বোলিংয়ের ওপর চাপও ধরে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ৭৮ রান করা উইকহ্যামকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তাইজুল। বাঁহাতি এই স্পিনার ক্যাচও নেন নিজের বলেই।
উইকহ্যাম আউট হলেও বাংলাদেশের স্বস্তি ফেরেনি। অন্য প্রান্তে হজ তখনও দুর্দান্ত ছন্দে। একের পর এক বাউন্ডারিতে তিনি পৌঁছে যান সেঞ্চুরিতে, যা তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক। দিন শেষ করেছেন অপরাজিত ১৪০ রানে। তাঁর সঙ্গে ২০ রানে অপরাজিত আছেন আমির জাঙ্গু, যিনি প্রথম ইনিংসেও সেঞ্চুরি করেছিলেন।
শেষ দিনে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় কাজ হবে দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যত তাড়াতাড়ি থামানো যাবে, লক্ষ্য তাড়া করার সুযোগও ততটাই বাস্তবসম্মত থাকবে। তবে সাত উইকেট হাতে নিয়ে ক্যারিবীয়রা আরও রান যোগ করতে পারলে চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন হবে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১ম ইনিংস): ৩৫৬
বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ৩৮৬ (হৃদয় ২৪২*, মুশফিক ৩৪; ওয়ারিক্যান ৪/১০৪)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২য় ইনিংস): ৩৪৫/৩ (হজ ১৪০*, উইকহ্যাম ৭৮, কিং ৬১; তাইজুল ২/১১৮, মিরাজ ১/৫৮)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১৫ রানে এগিয়ে
চলমান বার্তা ডেস্ক : 





















