শিরোনাম :
জ্যাম কমাতে রাস্তায় নামলেন ঢাকার বাস মালিকরা পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সার সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথমবার পারমাণবিক বিক্রিয়া, নভেম্বরের শেষে গ্রিডে বিদ্যুৎ সৌদি আরব থেকে এক সপ্তাহে বিতাড়িত ১০ হাজার বাংলাদেশি হামে ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭৩ সেবার মান বাড়লে চিকিৎসায় বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমবে: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি মারুবেনির বৈঠক, আলোচনায় এআই ডেটা সেন্টার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে

মোবাইল গেম-এ আসক্ত শিক্ষার্থীরা, পড়াশোনায় অমনোযোগী

মোঃ মুনছুর হেলাল
৯০ দশকের আগের মত গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষার্থীগুলো এখন আর সন্ধ্যার  পরে বই নিয়ে পড়তে বসে না, একটু সময় পেলেই বসে যায় মোবাইলে গেমস খেলার জন্য। আগের মত সন্তানদের প্রতি নেই  মা–বাবার শাসন।  এ যুগের মা-বাবারা তাদের সন্তানকে ডিজিটাল স্মার্টফোনের দিকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য কিনে দেন বেশি দামি স্মার্ট ফোন।
অথচ আজ থেকে দশ বছর আগেও সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত, পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হতো, সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো ।
যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই । এই পড়াশোনা করার  জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিলো। প্রতিদিন বিকেল হলেই বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা থেকে শুরু করে  নাচ,গান বা তবলার সুর ভেসে আাসতো।
তখনকার সময়ে যারা  আগের বছর পাশ করতো তাদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ করে তাদের পুরনো  বই সংগ্রহ করে চলতো পড়াশোনা। মাত্র আট থেকে দশ বছরের ব্যবধানে সব প্রায় বিলীন হয়ে গেছে । সন্ধ্যার পর ছাত্র-ছাত্রীদের বাজারে তো দূরের কথা ঘরের বাইরে দেখলেই সবাই অবাক হতো, শাসন করতো। আর এখন বাড়ী গেলে দেখি অনেক রাত পর্যন্ত ছেলেরা বাজারে আড্ডা দিচ্ছে। কেউ কিছু বলছে না। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও শুনতে পাওয়া যায়না পড়ার শব্দ।
গ্রুপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস, পাব্জি, ফ্রী ফায়ার, টিকটক, ফেসবুক, ইউটিউব, চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি, গ্রুপিং করা, শিক্ষা গুরুর সাথে বেয়াদবী, শিক্ষকের নামে মিথ্যাচার করা, নিয়ম ভাঙ্গা, বেয়াদবী এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকা । এভাবে বাবার টাকা নষ্ট করে স্মার্ট মোবাইল ব্যবহার করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এ দেশের ছাত্র সমাজ । ছাত্র সমাজকে বাঁচাতে হলে সন্ধ্যা ছয়টা  থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা জরুরী বলে মনে করেন অভিবাবকেরা ।
লেখক: সাংবাদিক।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

রুশ ডিজেল আমদানির পরিকল্পনায় ট্রাম্পকে ঘিরে ওয়াশিংটনে বিতর্ক

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে

১১ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মোবাইল গেম-এ আসক্ত শিক্ষার্থীরা, পড়াশোনায় অমনোযোগী

আপডেট সময় ১১:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪
মোঃ মুনছুর হেলাল
৯০ দশকের আগের মত গ্রাম অঞ্চলের শিক্ষার্থীগুলো এখন আর সন্ধ্যার  পরে বই নিয়ে পড়তে বসে না, একটু সময় পেলেই বসে যায় মোবাইলে গেমস খেলার জন্য। আগের মত সন্তানদের প্রতি নেই  মা–বাবার শাসন।  এ যুগের মা-বাবারা তাদের সন্তানকে ডিজিটাল স্মার্টফোনের দিকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য কিনে দেন বেশি দামি স্মার্ট ফোন।
অথচ আজ থেকে দশ বছর আগেও সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত, পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হতো, সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো ।
যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই । এই পড়াশোনা করার  জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিলো। প্রতিদিন বিকেল হলেই বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা থেকে শুরু করে  নাচ,গান বা তবলার সুর ভেসে আাসতো।
তখনকার সময়ে যারা  আগের বছর পাশ করতো তাদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ করে তাদের পুরনো  বই সংগ্রহ করে চলতো পড়াশোনা। মাত্র আট থেকে দশ বছরের ব্যবধানে সব প্রায় বিলীন হয়ে গেছে । সন্ধ্যার পর ছাত্র-ছাত্রীদের বাজারে তো দূরের কথা ঘরের বাইরে দেখলেই সবাই অবাক হতো, শাসন করতো। আর এখন বাড়ী গেলে দেখি অনেক রাত পর্যন্ত ছেলেরা বাজারে আড্ডা দিচ্ছে। কেউ কিছু বলছে না। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও শুনতে পাওয়া যায়না পড়ার শব্দ।
গ্রুপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস, পাব্জি, ফ্রী ফায়ার, টিকটক, ফেসবুক, ইউটিউব, চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি, গ্রুপিং করা, শিক্ষা গুরুর সাথে বেয়াদবী, শিক্ষকের নামে মিথ্যাচার করা, নিয়ম ভাঙ্গা, বেয়াদবী এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকা । এভাবে বাবার টাকা নষ্ট করে স্মার্ট মোবাইল ব্যবহার করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এ দেশের ছাত্র সমাজ । ছাত্র সমাজকে বাঁচাতে হলে সন্ধ্যা ছয়টা  থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা জরুরী বলে মনে করেন অভিবাবকেরা ।
লেখক: সাংবাদিক।
আরো পড়ুন : আওয়ামী লীগের নীতি কি পাল্টে গেছে?

Share this news as a Photo Card