সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের বিচারবিভাগীয় তদন্ত হবে এবং যাদের উসকানিতে এই প্রাণহানি, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় একথা বলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু করা ৭ মিনিটের ভাষণের শুরুতে সরকারপ্রধান আশুরার দিনে কারবালায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও এই আন্দোলনে নিহতদের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, পরিতাপের বিষয় হলো কিছু মহল এই আন্দোলনকে ব্যবহার করছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরপরও কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায়। আমি বিশ্বাস করি ছাত্রসমাজ উচ্চআদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবে।
আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় সরকারপ্রধান ‘বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক’উল্লেখ করে বলেন, আপনজন হারানোর বেদনা যে কতো কষ্টের, তা আমার থেকে কেউ ভালো জানেন না। হত্যাকাণ্ডের বিচারবিভাগীয় তদন্ত হবে এবং যাদের উসকানিতে এই প্রাণহানি, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনায় যাঁরা নিহত হয়েছে তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদেরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আরো পড়ুন : ঢাবিতে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ