ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সাহিত্য

নজরুল সঙ্গীতে নজরুল সৃষ্ট রাগ ও সুরের ব্যবহার

কাজী নজরুল ইসলাম। এই নামের উচ্চারণ শব্দাকারে বাতাসে ছড়িয়ে পড়তেই ফেনায়িত ঊর্মিালার মতো তোলপাড় সৃষ্টি হয় ভাবরাজ্যে। মস্তিষ্ক থেকে উৎসারিত

সম্প্রীতির কবি কাজী নজরুল ইসলাম

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংগীত সবখানে ছিল অবাধ বিচরণ। আমরা তার যে বিদ্রোহী সত্ত্বার

একটি শেষ অধ্যায় ও কিছু কথা

২০২৩ সালের ৭ রমজানে রংপুর যাবার জন্য টিকিট কেটেছি। সকাল বেলাই চলে যাবো অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে! রাতে ভালো লাগছিল না।

দুনিয়া দেখার নেশায় ঘর ছেড়েছিলেন ইবনে বতুতা

দুনিয়া দেখার নেশায় সেদিন ঘর ছাড়েন তরুণ এক মরোক্কান। দিনটা ছিল ১৩২৫ সালের ১৩ই জুন। তরুণের নাম আবদুল্লাহ মোহাম্মদ ইবনে

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ (১ জানুয়ারি ১৯৩৬-২৯ ডিসেম্বর ২০১৩) মাহমুদুন্নবী জ্যোতি মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম

বে-হাত ভালবাসা

অবিস্বরণীয় কোন অধ্যায় হতে পারিনি হতে পারিনি অপরিহার্য্য কোন উপপাদ্য তবুও এ পৃথিবীতে অবিনশ্বর হতে চেয়েছি। চেয়েছি অনেকের ডায়েরির স্হান

স্বশিক্ষিত পণ্ডিত আরজ আলী মাতুব্বর (১৭ ডিসেম্বর ১৯০০-১৫ মার্চ ১৯৮৫)

আরজ আলী মাতুব্বর একজন স্বশিক্ষিত পণ্ডিত, দার্শনিক, চিন্তাবিদ এবং লেখক ছিলেন। তার প্রকৃত নাম ছিলো “আরজ আলী”। আঞ্চলিক ভূস্বামী হওয়ার

বিজয়

দেশর জন্য যুদ্ধে যেতে ছাড়লো যারা ঘর তাদের রক্তে বিজয় এলো ষোলোই ডিসেম্বর। স্বাধিকারের শক্তি নিয়ে রাখতে দেশের মান সবাই

ইদানীং বিজয় সমাচার

এখন বিজয়ের কাষ্ঠহাসি আমজনতার হৃৎপিন্ডে ছুঁয়ে দেয় হাপরের তপ্তাগ্নি শীতার্ত রহিম চাচার ছেঁড়া কাঁথার নীচে হুপিং কাশি অর্ধাহারে জীবন্মৃত রহিমা

বিশ্ব সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের রূপায়ণ

সাহিত্য জাতির দর্পণস্বরূপ। সাহিত্যের মধ্যে প্রতিফলিত হয় একটি জাতির সামগ্রিক জীবনচিত্র। সমকালীন শিল্পমাধ্যম হিসেবে কথাসাহিত্যের অবস্থান নিঃসন্দেহে অগ্রগণ্য এবং স্বমহিমায়