সোমবার সারা দেশে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে, একই সঙ্গে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন রোগী।
গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন খুলনা বিভাগে, ২৮৩ জন। এরপরই রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা, যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮২ জন। ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ১৫৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১৩২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১২০ জন রোগী নতুন করে চিহ্নিত হয়েছেন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮৭ জন, রংপুর বিভাগে ৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।
সবশেষ এই পরিসংখ্যান যুক্ত হওয়ার পর চলতি বছরে দেশে মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৮৪৬ জনে। একই সময়ে এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৯৭ জন। তবে স্বস্তির খবর হলো, চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২০৫ জন রোগী, যা মোট আক্রান্তের একটি বড় অংশ।
লতি বছরের চিত্র আগের দুই বছরের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। গত বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন, যাদের মধ্যে মারা যান ৪১৩ জন। আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে আসছেন, জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 



















