শিরোনাম :
মুসলিম বিশ্বকে তাদের আসল শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান খামেনির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ-চীনের মক্কা চুক্তিতে ঝুঁকির কিছু নেই:পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঢাকায় আরও দুই রুটে মেট্রোরেল প্রতিমন্ত্রীর কাছে বাবা হত্যার ন্যায়বিচার চাইল দুই শিশু সেপ্টেম্বরে শুরু হবে মালয়েশিয়ায় ২ লাখ কর্মী পাঠানো কিয়েভের উপকণ্ঠে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ৩৭ গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হুমকির অভিযোগ, তদন্তে মেলেনি সত্যতা গুম-খুন ও জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

রাঙামাটিতে বন্যা: ৩০ গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ, সেনা সহায়তায় ফিরলেন সাজেকের পর্যটকরা

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বাঘাইছড়ি পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড এবং আটটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য চাল, ডাল, চিড়া, চিনি ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। অনেক পরিবার গৃহপালিত পশু নিয়েও নিরাপদ আশ্রয়ে উঠেছে। তবে দুর্গত এলাকার কিছু বাসিন্দার অভিযোগ, এখনও সব জায়গায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগকারী প্রধান সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় কয়েক শত পর্যটক আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়। সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রায় ১৫০ জন পর্যটক ফিরে গেলেও শুক্রবার সকালে আরও ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে, রাঙামাটির শুকুরছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি পিলার হেলে পড়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পুরো রাঙামাটি শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।
রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০৪টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, আরও ১২৯টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

মুসলিম বিশ্বকে তাদের আসল শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান খামেনির

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

গুম-খুন ও জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

২৯ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রাঙামাটিতে বন্যা: ৩০ গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ, সেনা সহায়তায় ফিরলেন সাজেকের পর্যটকরা

আপডেট সময় ১২:৪৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বাঘাইছড়ি পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড এবং আটটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য চাল, ডাল, চিড়া, চিনি ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। অনেক পরিবার গৃহপালিত পশু নিয়েও নিরাপদ আশ্রয়ে উঠেছে। তবে দুর্গত এলাকার কিছু বাসিন্দার অভিযোগ, এখনও সব জায়গায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগকারী প্রধান সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় কয়েক শত পর্যটক আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়। সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রায় ১৫০ জন পর্যটক ফিরে গেলেও শুক্রবার সকালে আরও ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে, রাঙামাটির শুকুরছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি পিলার হেলে পড়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পুরো রাঙামাটি শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।
রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০৪টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, আরও ১২৯টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Share this news as a Photo Card