২০২৬ বিশ্বকাপে ফেভারিটের তকমা ছিল আর্জেন্টিনার গায়েই। শিরোপা ধরে রাখার প্রত্যাশাও ছিল আলবিসেলেস্তেদের কাছে। লিওনেল মেসি আপ্রাণ চেষ্টা করেও দলকে সেই শিরোপা এনে দিতে পারেননি। ফাইনালে স্পেনের কাছে হারে আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ হয়। বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও তাই মেসির হাতে ওঠেনি। ব্যালন ডি’অর জেতার সম্ভাবনাও কার্যত সেখানেই ফুরিয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত হলোও তা-ই। এবার ব্যালন ডি’অরের মুকুট উঠল ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের মাথায়। বিশ্বসেরা ফুটবলারের এই খেতাব জিতে তিনি নাম লেখালেন নতুন অধ্যায়ে। আর তালিকায় মেসির অবস্থান পাঁচ নম্বরে।
তবে পুরস্কারের মঞ্চে না জিতলেও ইতিহাসের পাতায় ঠিকই জায়গা করে নিয়েছেন মেসি। আউটফিল্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যালন ডি’অরের শীর্ষ পাঁচে জায়গা পাওয়া সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার এখন তিনি। তালিকা ঘোষণার সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৯ বছর চার মাস। ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে এমন নজির আগে দেখা যায়নি।
গোলরক্ষকদের হিসাবে ধরলে অবশ্য এই রেকর্ডের মালিক ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন। ২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অরে তিনি চতুর্থ স্থান পেয়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৯ বছর ১০ মাস। এরপর থেকে মেসির চেয়ে বয়সে বড় কোনো খেলোয়াড় সেরা পাঁচে জায়গা পাননি।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালটি মেসির জন্য ছিল রোমাঞ্চে ভরা। জাতীয় দলকে কাঁধে করে তিনি নিয়ে গেছেন বিশ্বকাপের ফাইনাল পর্যন্ত। শিরোপা অধরা থেকে গেলেও সেই পথচলা আলাদা করে মনে রাখার মতো। আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত জিতলে ব্যালন ডি’অরের সংখ্যা তিনি ৯-এ নিয়ে যেতে পারতেন কি না, সেই প্রশ্ন রয়ে গেল অনুত্তরই।
ক্রীড়া ডেস্ক : 




















