ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আগামী ৭ই এপ্রিল পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা কক্ষ বন্ধ থাকবে। যে কারণে কোন সংবাদ প্রকাশিত হবে না। ৮ই এপ্রিল থেকে নিয়মিত সংবাদ পরিবেশিত হবে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। এবারের ঈদযাত্রা হয়েছে স্বস্তির ও নির্বিঘ্ন : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের শঙ্কা, সতর্কতা জারি ডিসির বাংলো থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ১০০ বস্তা ব্যালট পেপার উদ্ধার মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়াল লন্ডনে ঈদ করবেন বেগম খালেদা জিয়া পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান ভূমিকম্পে মিয়ানমার-থাইল্যান্ডে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেলেন সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক মিয়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিন

তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।
✅ওয়ারিশ সনদ পত্র।
✅পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল।
✅নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট যার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয় আবার কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে অথবা কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয় ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখনোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন। লেখন : আইন সচিব, মানবাধিকার তথ্য ও পর্যবেক্ষণ সোসাইটি

বন্টননামা দলিল কেন প্রয়োজন?

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ৭ই এপ্রিল পর্যন্ত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা কক্ষ বন্ধ থাকবে। যে কারণে কোন সংবাদ প্রকাশিত হবে না। ৮ই এপ্রিল থেকে নিয়মিত সংবাদ পরিবেশিত হবে। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিন

আপডেট সময় ১০:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।
✅ওয়ারিশ সনদ পত্র।
✅পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল।
✅নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।

এই তিনিটি ডকুমেন্ট যার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয় আবার কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে অথবা কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।

মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয় ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।

তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখনোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।

অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন। লেখন : আইন সচিব, মানবাধিকার তথ্য ও পর্যবেক্ষণ সোসাইটি

বন্টননামা দলিল কেন প্রয়োজন?