ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

গাজা যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাব

গাজা যুদ্ধ বন্ধে হোয়াইট হাউস ২০ দফা প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এসব প্রস্তাব গাজা যুদ্ধের তাৎক্ষণিক সমাপ্তি ঘটাতে পারে। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৬৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।

যদি দুই পক্ষ এই পরিকল্পনায় সম্মত হয়, তবে যুদ্ধ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হবে, গাজায় বন্দী সব জীবিত ও মৃত জিম্মিদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে। গাজা উপত্যকা অস্থায়ীভাবে একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের অধীনে পরিচালিত হবে, যেখানে হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না এবং ইসরায়েল গাজা দখল করবে না। খবর আল জাজিরার।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, তবে হামাস নেতা মাহমুদ মারদাওয়ি আল জাজিরাকে বলেছেন, তারা এখনও লিখিত কোনো প্রস্তাব পাননি।

ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা:

১. গাজা হবে একটি সন্ত্রাসমুক্ত অঞ্চল, যা প্রতিবেশীদের জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করবে না।

২. গাজার মানুষের কল্যাণের জন্য গাজাকে পুনর্গঠন করা হবে, যারা ইতোমধ্যেই যথেষ্ট কষ্ট ভোগ করেছে।

৩. উভয় পক্ষ এ প্রস্তাবে সম্মত হলে যুদ্ধ সঙ্গে সঙ্গে শেষ হবে। ইসরায়েলি সেনারা জিম্মি ফেরতের প্রস্তুতির জন্য নির্ধারিত সীমারেখায় সরে যাবে। এ সময়ে সব সামরিক অভিযান বন্ধ থাকবে, যুদ্ধের লাইন স্থির থাকবে যতক্ষণ না সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের শর্ত পূরণ হয়।

৪. ইসরায়েল প্রকাশ্যে এই চুক্তি গ্রহণ করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব জীবিত ও মৃত জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

৫. সব জিম্মি মুক্তির পর, ইসরায়েল ২৫০ জন আজীবন কারাবন্দীকে মুক্তি দেবে এবং ১ হাজার ৭০০ গাজাবাসীকে মুক্তি দেবে যাদের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর এর পর আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে নারী ও শিশুরাও থাকবে। প্রতিটি মৃত ইসরায়েলি জিম্মির বিনিময়ে ১৫ জন মৃত গাজাবাসীর মরদেহ ফেরত দেওয়া হবে।

৬. জিম্মি ফেরতের পর, যারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অস্ত্র ত্যাগ করবে, সেই হামাস সদস্যদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হবে। যারা গাজা ছাড়তে চাইবে, তাদের নিরাপদে অন্য দেশে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

৭. এ চুক্তি গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে গাজায় পূর্ণ মাত্রায় মানবিক সাহায্য পাঠানো হবে। পানি, বিদ্যুৎ, নিকাশী ব্যবস্থা, হাসপাতাল, বেকারি পুনর্নির্মাণ এবং ধ্বংসাবশেষ সরাতে যন্ত্রপাতি প্রবেশ করানোসহ ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারির মানবিক সাহায্য চুক্তির শর্ত মেনে সহায়তা দেওয়া হবে।

৮. জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে সাহায্য প্রবেশ করানো হবে, কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই। রাফাহ সীমান্তও এই ব্যবস্থার অধীনে উন্মুক্ত থাকবে।

৯. গাজা পরিচালিত হবে একটি অস্থায়ী, নিরপেক্ষ ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটির মাধ্যমে। এ কমিটি গাজার জনগণের দৈনন্দিন প্রশাসনিক সেবা পরিচালনা করবে। এ কমিটির তদারকি করবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা “বোর্ড অব পিস”, যার নেতৃত্ব দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন বিশ্বনেতারা, যেমন সাবেক যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার।

১০. ট্রাম্প একটি বিশেষ অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা করবেন, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আধুনিক শহর উন্নয়নের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় গাজা পুনর্গঠন করা হবে।

১১. একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) গড়ে তোলা হবে, যাতে শুল্ক সুবিধা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সুযোগ থাকবে।

১২. কাউকে গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। যারা যেতে চাইবে যেতে পারবে এবং চাইলে ফিরে আসতে পারবে। তবে গাজায় থেকেই নতুন জীবন গড়তে উৎসাহিত করা হবে।

১৩. হামাস ও অন্যান্য গোষ্ঠী গাজার শাসনে কোনোভাবেই অংশ নেবে না। সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকি করবে।

১৪. আঞ্চলিক অংশীদাররা গ্যারান্টি দেবে যে হামাস চুক্তি মানবে এবং নতুন গাজা কোনো হুমকি তৈরি করবে না।

১৫. যুক্তরাষ্ট্র আরব ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে মিলে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠন করবে। এ বাহিনী গাজার ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেবে এবং মিসর ও জর্ডানের সঙ্গে কাজ করবে।

১৬. ইসরায়েল গাজা দখল করবে না বা সংযুক্ত করবে না। আইএসএফ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েল ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে, তবে নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকবে যতক্ষণ না গাজা সম্পূর্ণ নিরাপদ হয়।

১৭. যদি হামাস এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে মুক্ত হওয়া সন্ত্রাসমুক্ত এলাকায় মানবিক সাহায্য ও উন্নয়ন কার্যক্রম চলতে থাকবে।

১৮. ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে উৎসাহিত করতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ প্রক্রিয়া চালু করা হবে।

১৯. গাজা পুনর্গঠনের পাশাপাশি যদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করে, তবে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম হবে।

২০. যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংলাপ চালাবে যাতে একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণ করা যায়।

ট্রাম্পকে ‘শান্তির দূত’ বললেন শাহবাজ শরীফ

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

গাজা যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাব

আপডেট সময় ১১:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজা যুদ্ধ বন্ধে হোয়াইট হাউস ২০ দফা প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এসব প্রস্তাব গাজা যুদ্ধের তাৎক্ষণিক সমাপ্তি ঘটাতে পারে। এ যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৬৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।

যদি দুই পক্ষ এই পরিকল্পনায় সম্মত হয়, তবে যুদ্ধ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হবে, গাজায় বন্দী সব জীবিত ও মৃত জিম্মিদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে। গাজা উপত্যকা অস্থায়ীভাবে একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের অধীনে পরিচালিত হবে, যেখানে হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না এবং ইসরায়েল গাজা দখল করবে না। খবর আল জাজিরার।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, তবে হামাস নেতা মাহমুদ মারদাওয়ি আল জাজিরাকে বলেছেন, তারা এখনও লিখিত কোনো প্রস্তাব পাননি।

ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা:

১. গাজা হবে একটি সন্ত্রাসমুক্ত অঞ্চল, যা প্রতিবেশীদের জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করবে না।

২. গাজার মানুষের কল্যাণের জন্য গাজাকে পুনর্গঠন করা হবে, যারা ইতোমধ্যেই যথেষ্ট কষ্ট ভোগ করেছে।

৩. উভয় পক্ষ এ প্রস্তাবে সম্মত হলে যুদ্ধ সঙ্গে সঙ্গে শেষ হবে। ইসরায়েলি সেনারা জিম্মি ফেরতের প্রস্তুতির জন্য নির্ধারিত সীমারেখায় সরে যাবে। এ সময়ে সব সামরিক অভিযান বন্ধ থাকবে, যুদ্ধের লাইন স্থির থাকবে যতক্ষণ না সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের শর্ত পূরণ হয়।

৪. ইসরায়েল প্রকাশ্যে এই চুক্তি গ্রহণ করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব জীবিত ও মৃত জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

৫. সব জিম্মি মুক্তির পর, ইসরায়েল ২৫০ জন আজীবন কারাবন্দীকে মুক্তি দেবে এবং ১ হাজার ৭০০ গাজাবাসীকে মুক্তি দেবে যাদের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর এর পর আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে নারী ও শিশুরাও থাকবে। প্রতিটি মৃত ইসরায়েলি জিম্মির বিনিময়ে ১৫ জন মৃত গাজাবাসীর মরদেহ ফেরত দেওয়া হবে।

৬. জিম্মি ফেরতের পর, যারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অস্ত্র ত্যাগ করবে, সেই হামাস সদস্যদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হবে। যারা গাজা ছাড়তে চাইবে, তাদের নিরাপদে অন্য দেশে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

৭. এ চুক্তি গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে গাজায় পূর্ণ মাত্রায় মানবিক সাহায্য পাঠানো হবে। পানি, বিদ্যুৎ, নিকাশী ব্যবস্থা, হাসপাতাল, বেকারি পুনর্নির্মাণ এবং ধ্বংসাবশেষ সরাতে যন্ত্রপাতি প্রবেশ করানোসহ ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারির মানবিক সাহায্য চুক্তির শর্ত মেনে সহায়তা দেওয়া হবে।

৮. জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে সাহায্য প্রবেশ করানো হবে, কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই। রাফাহ সীমান্তও এই ব্যবস্থার অধীনে উন্মুক্ত থাকবে।

৯. গাজা পরিচালিত হবে একটি অস্থায়ী, নিরপেক্ষ ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটির মাধ্যমে। এ কমিটি গাজার জনগণের দৈনন্দিন প্রশাসনিক সেবা পরিচালনা করবে। এ কমিটির তদারকি করবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা “বোর্ড অব পিস”, যার নেতৃত্ব দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন বিশ্বনেতারা, যেমন সাবেক যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার।

১০. ট্রাম্প একটি বিশেষ অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা করবেন, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের আধুনিক শহর উন্নয়নের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় গাজা পুনর্গঠন করা হবে।

১১. একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) গড়ে তোলা হবে, যাতে শুল্ক সুবিধা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সুযোগ থাকবে।

১২. কাউকে গাজা ছাড়তে বাধ্য করা হবে না। যারা যেতে চাইবে যেতে পারবে এবং চাইলে ফিরে আসতে পারবে। তবে গাজায় থেকেই নতুন জীবন গড়তে উৎসাহিত করা হবে।

১৩. হামাস ও অন্যান্য গোষ্ঠী গাজার শাসনে কোনোভাবেই অংশ নেবে না। সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া তদারকি করবে।

১৪. আঞ্চলিক অংশীদাররা গ্যারান্টি দেবে যে হামাস চুক্তি মানবে এবং নতুন গাজা কোনো হুমকি তৈরি করবে না।

১৫. যুক্তরাষ্ট্র আরব ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে মিলে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) গঠন করবে। এ বাহিনী গাজার ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেবে এবং মিসর ও জর্ডানের সঙ্গে কাজ করবে।

১৬. ইসরায়েল গাজা দখল করবে না বা সংযুক্ত করবে না। আইএসএফ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েল ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করবে, তবে নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকবে যতক্ষণ না গাজা সম্পূর্ণ নিরাপদ হয়।

১৭. যদি হামাস এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে মুক্ত হওয়া সন্ত্রাসমুক্ত এলাকায় মানবিক সাহায্য ও উন্নয়ন কার্যক্রম চলতে থাকবে।

১৮. ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের মধ্যে সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে উৎসাহিত করতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ প্রক্রিয়া চালু করা হবে।

১৯. গাজা পুনর্গঠনের পাশাপাশি যদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করে, তবে ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম হবে।

২০. যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংলাপ চালাবে যাতে একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণ করা যায়।

ট্রাম্পকে ‘শান্তির দূত’ বললেন শাহবাজ শরীফ