শিরোনাম :
ময়মনসিংহে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: অভিযুক্তদের বাড়িঘর ভাঙচুর ফার্মগেটের মসজিদ থেকে আটক ৫ জঙ্গি কারাগারে কালোটাকা ও মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ককটেল ফাটিয়ে সংকট তৈরি সম্ভব নয়, বললেন উপদেষ্টা জাহেদ প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির তেলের পর নতুন চাপ বাসভাড়া কি.মি. এ বাড়ল ১৭ পয়সা জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক উপস্থিতি রাশিয়ায় নির্বাচনে পুতিনের দলের রেকর্ড ভূমিধস জয় সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে গোল, নতুন রেকর্ড হল্যান্ডের

নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে জোর আলোচনা, এগিয়ে চার নাম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আলোচনা। সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এখন ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সাধারণ মানুষের আগ্রহ—সবখানেই একটাই প্রশ্ন, কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?
বিএনপির একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচিত চারটি নাম হলো—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম নাসিমুল গনি। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, শেষ মুহূর্তে চমক হিসেবে অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন। একইভাবে সাবেক মন্ত্রী ও শিক্ষক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাও তাকে শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে।
অন্যদিকে ড. আবদুল মঈন খান তার দীর্ঘ সংসদীয় ও মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ভদ্র ও সংযত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের বাইরে আলোচিত নাম এম নাসিমুল গনি। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের কারণে তাকেও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
যদিও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানা আলোচনা চলছে, বিএনপি কিংবা সরকারের দায়িত্বশীল কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুধু বলেছেন, “সময়ই সব বলে দেবে।”
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন করে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনের সব নজর এখন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকেই।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: অভিযুক্তদের বাড়িঘর ভাঙচুর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে গোল, নতুন রেকর্ড হল্যান্ডের

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়ে জোর আলোচনা, এগিয়ে চার নাম

আপডেট সময় ১০:০৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আলোচনা। সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এখন ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সাধারণ মানুষের আগ্রহ—সবখানেই একটাই প্রশ্ন, কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি?
বিএনপির একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচিত চারটি নাম হলো—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম নাসিমুল গনি। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, শেষ মুহূর্তে চমক হিসেবে অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেও রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন। একইভাবে সাবেক মন্ত্রী ও শিক্ষক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাও তাকে শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে।
অন্যদিকে ড. আবদুল মঈন খান তার দীর্ঘ সংসদীয় ও মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ভদ্র ও সংযত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের বাইরে আলোচিত নাম এম নাসিমুল গনি। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের কারণে তাকেও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
যদিও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানা আলোচনা চলছে, বিএনপি কিংবা সরকারের দায়িত্বশীল কোনো নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুধু বলেছেন, “সময়ই সব বলে দেবে।”
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন করে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনের সব নজর এখন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকেই।

Share this news as a Photo Card