শিরোনাম :
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে গবেষণা ও এআইয়ে জোর দিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী বন্যায় প্লাবিত গাজার ৭০ হাজার তাঁবু, ঝুঁকিতে ৪ লাখ মানুষ সড়কে একসঙ্গে প্রাণ হারাচ্ছে পরিবার, ছয় বছরে প্রায় ৩০০ পরিবার নিশ্চিহ্ন সিলেট টেস্টে হজের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে কঠিন হলো বাংলাদেশের জয়ের পথ সমবায় আন্দোলনকে দুর্নীতিমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সমবায়ের আদর্শে মানুষকে স্বনির্ভর করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মাদ্রাসায় মুজিববাদ-মওদুদীবাদ চলবে না: সরোয়ার আলমগীর ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুরাও এনআইডি সেবার আওতায় আসবে: ইসি টং দোকান থেকে ক্যাসিনো সম্রাট রুবেল শত কোটি টাকার মালিক! ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আসামী হলেন সাংবাদিক

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদক বিরোধী অভিযানের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মামলার আসামী হয়েছেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি খালেদ হাসান।
 ৫ জানুয়ারী রবিবার উপজেলার বাবুরহাট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ।
 সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক খালেদ সেখানকার তথ্য সংগ্রহ করেতে যান।
পুলিশ অভিযান শেষ করে মাদক কারবারি হাফিজুর ও তার স্ত্রীকে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় এলাকাবাসী অবরুদ্ধ করে মাদক ব্যবসায়ী হাফিজুর ও তার স্ত্রীকে ছিনিয়ে নেয়।
পরবর্তীতে পুলিশ আসামী হাফিজুর ও তার স্ত্রীকে না পেয়ে থানায় ফেরত আসে এবং মাদক ব্যবসায়ী হাফিজুরের বিরুদ্ধে একটি  এজাহার দায়ের করে।
এজাহারে এলাকাবাসীকে ইন্ধন দেয়ার অভিযোগে সাংবাদিক খালেদ হাসানকে ৬ নং আসামী করে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।
সাংবাদিক খালেদ হাসান জানান, মাদক বিরোধী অভিযানের ঘটনা শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং সেখানকার তথ্য সংগ্রহ করতে ও ভিডিও ধারন করতে থাকি। একপর্যায়ে স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট কয়েকজন সদস্য আমাকে ভিডিও করতে নিষেধ করেন এবং মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার জোর চেষ্টা করেন। পরে আমি কৌশলে সেখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে জানতে পারি পুলিশ আমাকে আসামী করে মামলা করেছে। যেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসি, সেখানে উল্টো আমাদের নামেই মামলা দেয়া হয়।  যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। আমি এই ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহার সহ সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাই।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এ এস খোকন বলেন, মাদক বিরোধী অভিযানের ঘটনাটি শুনেছি। আমাদের প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান সেখানে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তুু তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজেই মামলার আসামি হয়েছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দ্রুত হয়রানিমূলক মামলা থেকে খালেদ হাসানের নাম প্রত্যাহারের আহ্বান জানাই।
ভুরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সম্মিলিত  শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মাইটিভি প্রতিনিধি মাইদুল ইসলাম মুকুল জানান, একজন সাংবাদিকের নামে এরকম অভিযোগের সঠিক তদন্ত হওয়া জরুরী। আমরা চাই কোন নির্দোষ সাংবাদিক যেন কোন প্রকার হয়রানি শিকার না হন।
ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ  আল হেলাল মাহমুদ জানান, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সাথে সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা না থাকলে তিনি আইনি সহায়তা পাবেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে গবেষণা ও এআইয়ে জোর দিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আসামী হলেন সাংবাদিক

আপডেট সময় ০৫:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫
কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদক বিরোধী অভিযানের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মামলার আসামী হয়েছেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রতিনিধি খালেদ হাসান।
 ৫ জানুয়ারী রবিবার উপজেলার বাবুরহাট এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ।
 সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক খালেদ সেখানকার তথ্য সংগ্রহ করেতে যান।
পুলিশ অভিযান শেষ করে মাদক কারবারি হাফিজুর ও তার স্ত্রীকে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় এলাকাবাসী অবরুদ্ধ করে মাদক ব্যবসায়ী হাফিজুর ও তার স্ত্রীকে ছিনিয়ে নেয়।
পরবর্তীতে পুলিশ আসামী হাফিজুর ও তার স্ত্রীকে না পেয়ে থানায় ফেরত আসে এবং মাদক ব্যবসায়ী হাফিজুরের বিরুদ্ধে একটি  এজাহার দায়ের করে।
এজাহারে এলাকাবাসীকে ইন্ধন দেয়ার অভিযোগে সাংবাদিক খালেদ হাসানকে ৬ নং আসামী করে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।
সাংবাদিক খালেদ হাসান জানান, মাদক বিরোধী অভিযানের ঘটনা শুনে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং সেখানকার তথ্য সংগ্রহ করতে ও ভিডিও ধারন করতে থাকি। একপর্যায়ে স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট কয়েকজন সদস্য আমাকে ভিডিও করতে নিষেধ করেন এবং মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার জোর চেষ্টা করেন। পরে আমি কৌশলে সেখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে জানতে পারি পুলিশ আমাকে আসামী করে মামলা করেছে। যেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসি, সেখানে উল্টো আমাদের নামেই মামলা দেয়া হয়।  যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। আমি এই ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহার সহ সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাই।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এ এস খোকন বলেন, মাদক বিরোধী অভিযানের ঘটনাটি শুনেছি। আমাদের প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান সেখানে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তুু তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজেই মামলার আসামি হয়েছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দ্রুত হয়রানিমূলক মামলা থেকে খালেদ হাসানের নাম প্রত্যাহারের আহ্বান জানাই।
ভুরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সম্মিলিত  শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মাইটিভি প্রতিনিধি মাইদুল ইসলাম মুকুল জানান, একজন সাংবাদিকের নামে এরকম অভিযোগের সঠিক তদন্ত হওয়া জরুরী। আমরা চাই কোন নির্দোষ সাংবাদিক যেন কোন প্রকার হয়রানি শিকার না হন।
ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ  আল হেলাল মাহমুদ জানান, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সাথে সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা না থাকলে তিনি আইনি সহায়তা পাবেন।

Share this news as a Photo Card