ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ ব্রডশিট জবাব না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এমপিও স্থগিত ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ইরানে সাড়ে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে একই পরিবারের ১২ জনসহ ১৩ জন নিহত রাষ্ট্রপতিকে প্রত্যাখ্যান করেছি : জামায়াত আমির রোববার ১১টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা ‘কিলার চুপ্পু’ স্লোগানে উত্তাল সংসদ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ : রাষ্ট্রপতি

রোদ-বৃষ্টির খেলা

রোদ-বৃষ্টির খেলা
রহীম শাহ

রোদ ভেসে যায়, মাঠের পাড়ে, তাই ছুটেছি মাঠে
সোনার চাদর বিছিয়ে যেন রোদরা মাঠে হাঁটে।
রোদ হেঁটে যায় এদিক-সেদিক, বেশ তো স্বাধীন তারা,
রোদ-ঝলমল দিন দুপুরে ঘুমিয়ে পড়ে পাড়া।
সূর্য যখন পশ্চিমে যায়, রোদ হেঁটে যায় পুবে
একটি মেঘের পাহাড় পেয়ে সূর্য গেল ডুবে।
রোদ পালাল এদিক-সেদিক, ডানপাশে-বামপাশে
আকাশভরা মেঘগুলো সব গড়িয়ে পড়ে ঘাসে।
দাঁড়িয়ে আছি মাঠের উপর মেঘের ভাঙা শুরু
বজ্রপাতের ঝলকানিতে বুকটা দুরু দুরু।
বৃষ্টি নেমে ভিজিয়ে দিল মিষ্টি বিকেলটাকে
আমার দুচোখ সাঁতার কাটে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে।
আকাশ জুড়ে কান্না বুঝি বৃষ্টি ঝাপুর-ঝুপুর
বনহিজলের পাতায় পাতায় বাজছে যেন নুপূর।
ঝুপ করে সাঁঝ নামল বুঝি কাকের পিঠের মতো
ওই দিকে মা খোকনকে তার ডাকছে অবিরত।
মা ডেকেছেন-ফিরব বাড়ি; হঠাৎ করি খেয়াল,
মাঠ ও বাড়ির মধ্যিখানে বৃষ্টি হলো দেয়াল।
মায়ের কাছে ছুটে যাব বাড়িয়ে দিলাম হাত
নীল আকাশের কান্না যেন থামল অকস্মাৎ।

আরো পড়ুন : তোমার দয়ায়

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে চলমান বার্তার বার্তা বিভাগ ১৬-২৫ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় কোন সংবাদ প্রকাশ করা হবে। ২৬ মার্চ থেকে যথারীতি সংবাদ পরিবেশিত হবে। কর্তৃপক্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

রোদ-বৃষ্টির খেলা

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

রোদ-বৃষ্টির খেলা
রহীম শাহ

রোদ ভেসে যায়, মাঠের পাড়ে, তাই ছুটেছি মাঠে
সোনার চাদর বিছিয়ে যেন রোদরা মাঠে হাঁটে।
রোদ হেঁটে যায় এদিক-সেদিক, বেশ তো স্বাধীন তারা,
রোদ-ঝলমল দিন দুপুরে ঘুমিয়ে পড়ে পাড়া।
সূর্য যখন পশ্চিমে যায়, রোদ হেঁটে যায় পুবে
একটি মেঘের পাহাড় পেয়ে সূর্য গেল ডুবে।
রোদ পালাল এদিক-সেদিক, ডানপাশে-বামপাশে
আকাশভরা মেঘগুলো সব গড়িয়ে পড়ে ঘাসে।
দাঁড়িয়ে আছি মাঠের উপর মেঘের ভাঙা শুরু
বজ্রপাতের ঝলকানিতে বুকটা দুরু দুরু।
বৃষ্টি নেমে ভিজিয়ে দিল মিষ্টি বিকেলটাকে
আমার দুচোখ সাঁতার কাটে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে।
আকাশ জুড়ে কান্না বুঝি বৃষ্টি ঝাপুর-ঝুপুর
বনহিজলের পাতায় পাতায় বাজছে যেন নুপূর।
ঝুপ করে সাঁঝ নামল বুঝি কাকের পিঠের মতো
ওই দিকে মা খোকনকে তার ডাকছে অবিরত।
মা ডেকেছেন-ফিরব বাড়ি; হঠাৎ করি খেয়াল,
মাঠ ও বাড়ির মধ্যিখানে বৃষ্টি হলো দেয়াল।
মায়ের কাছে ছুটে যাব বাড়িয়ে দিলাম হাত
নীল আকাশের কান্না যেন থামল অকস্মাৎ।

আরো পড়ুন : তোমার দয়ায়