শিরোনাম :
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে: রেজিস্ট্রেশন,সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক সহ একগুচ্ছ শর্ত সরকারের ১৮০ দিন: অর্জন, ব্যর্থতা আর অমীমাংসিত প্রশ্নের নিকাশ কিশোরগঞ্জে মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নতুন পে-স্কেল প্রস্তুত, ঘোষণা যেকোনো সময়: মুখ্য সচিব অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঐতিহাসিক জয়ের পর বদলে গেল পয়েন্ট টেবিল, কত নম্বরে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া টেস্ট জয় যেসব কারণে ঢাকার যানজট,সমাধান হবে কি কোনদিন? মাদারীপুরে মাদ্রাসায় ককটেল বিস্ফোরণে আহত ৫ শিক্ষার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন নতুন চার নেতা

রোদ-বৃষ্টির খেলা

রোদ-বৃষ্টির খেলা
রহীম শাহ

রোদ ভেসে যায়, মাঠের পাড়ে, তাই ছুটেছি মাঠে
সোনার চাদর বিছিয়ে যেন রোদরা মাঠে হাঁটে।
রোদ হেঁটে যায় এদিক-সেদিক, বেশ তো স্বাধীন তারা,
রোদ-ঝলমল দিন দুপুরে ঘুমিয়ে পড়ে পাড়া।
সূর্য যখন পশ্চিমে যায়, রোদ হেঁটে যায় পুবে
একটি মেঘের পাহাড় পেয়ে সূর্য গেল ডুবে।
রোদ পালাল এদিক-সেদিক, ডানপাশে-বামপাশে
আকাশভরা মেঘগুলো সব গড়িয়ে পড়ে ঘাসে।
দাঁড়িয়ে আছি মাঠের উপর মেঘের ভাঙা শুরু
বজ্রপাতের ঝলকানিতে বুকটা দুরু দুরু।
বৃষ্টি নেমে ভিজিয়ে দিল মিষ্টি বিকেলটাকে
আমার দুচোখ সাঁতার কাটে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে।
আকাশ জুড়ে কান্না বুঝি বৃষ্টি ঝাপুর-ঝুপুর
বনহিজলের পাতায় পাতায় বাজছে যেন নুপূর।
ঝুপ করে সাঁঝ নামল বুঝি কাকের পিঠের মতো
ওই দিকে মা খোকনকে তার ডাকছে অবিরত।
মা ডেকেছেন-ফিরব বাড়ি; হঠাৎ করি খেয়াল,
মাঠ ও বাড়ির মধ্যিখানে বৃষ্টি হলো দেয়াল।
মায়ের কাছে ছুটে যাব বাড়িয়ে দিলাম হাত
নীল আকাশের কান্না যেন থামল অকস্মাৎ।

আরো পড়ুন : তোমার দয়ায়

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে: রেজিস্ট্রেশন,সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক সহ একগুচ্ছ শর্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত হলেন নতুন চার নেতা

১৫ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রোদ-বৃষ্টির খেলা

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

রোদ-বৃষ্টির খেলা
রহীম শাহ

রোদ ভেসে যায়, মাঠের পাড়ে, তাই ছুটেছি মাঠে
সোনার চাদর বিছিয়ে যেন রোদরা মাঠে হাঁটে।
রোদ হেঁটে যায় এদিক-সেদিক, বেশ তো স্বাধীন তারা,
রোদ-ঝলমল দিন দুপুরে ঘুমিয়ে পড়ে পাড়া।
সূর্য যখন পশ্চিমে যায়, রোদ হেঁটে যায় পুবে
একটি মেঘের পাহাড় পেয়ে সূর্য গেল ডুবে।
রোদ পালাল এদিক-সেদিক, ডানপাশে-বামপাশে
আকাশভরা মেঘগুলো সব গড়িয়ে পড়ে ঘাসে।
দাঁড়িয়ে আছি মাঠের উপর মেঘের ভাঙা শুরু
বজ্রপাতের ঝলকানিতে বুকটা দুরু দুরু।
বৃষ্টি নেমে ভিজিয়ে দিল মিষ্টি বিকেলটাকে
আমার দুচোখ সাঁতার কাটে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে।
আকাশ জুড়ে কান্না বুঝি বৃষ্টি ঝাপুর-ঝুপুর
বনহিজলের পাতায় পাতায় বাজছে যেন নুপূর।
ঝুপ করে সাঁঝ নামল বুঝি কাকের পিঠের মতো
ওই দিকে মা খোকনকে তার ডাকছে অবিরত।
মা ডেকেছেন-ফিরব বাড়ি; হঠাৎ করি খেয়াল,
মাঠ ও বাড়ির মধ্যিখানে বৃষ্টি হলো দেয়াল।
মায়ের কাছে ছুটে যাব বাড়িয়ে দিলাম হাত
নীল আকাশের কান্না যেন থামল অকস্মাৎ।

আরো পড়ুন : তোমার দয়ায়

Share this news as a Photo Card