শিরোনাম :
ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন নিজের জমি নেই, তবু গড়েছেন তালবাগান! 

ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপির অভিযানে ভারতীয় প্রসাধনী ও  চাল জব্দ

 কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জনাব মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি অভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল জব্দ করেছে। অভিযানটি চলেছে ১৬মে শনিবার বিকালে।
এবিষয়ে সার্কেল এএসপি জনাব মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকায় চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। এসব অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
পুলিশের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ পণ্য সরবরাহ বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।জব্দ করেছে।
জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী সদর উপজেলার ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনে ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চোরাকারবারি চক্র ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল মজুদ এবং বিপণন করে আসছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং দীর্ঘদিনের নজরদারির পর অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৫ ধরনের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী ও ৩০০ কেজি(প্রায়) বাসমতি চাল জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, কুড়িগ্রাম সদরকেন্দ্রিক একটি চক্র ভূরুঙ্গামারী থানার ভোটহাট ও কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জ এবং নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব ভারতীয় পণ্য দেশে প্রবেশ করিয়ে আসছিল।
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চোরাকারবারি চক্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 সার্কেল এএসপি জনাব মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকায় চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।  এসব অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।” পুলিশের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ পণ্য সরবরাহ বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

নিজের জমি নেই, তবু গড়েছেন তালবাগান! 

০৪ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপির অভিযানে ভারতীয় প্রসাধনী ও  চাল জব্দ

আপডেট সময় ০৫:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
 কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জনাব মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি অভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল জব্দ করেছে। অভিযানটি চলেছে ১৬মে শনিবার বিকালে।
এবিষয়ে সার্কেল এএসপি জনাব মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকায় চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। এসব অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
পুলিশের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ পণ্য সরবরাহ বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।জব্দ করেছে।
জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী সদর উপজেলার ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনে ভাড়া বাসায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চোরাকারবারি চক্র ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল মজুদ এবং বিপণন করে আসছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং দীর্ঘদিনের নজরদারির পর অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৫ ধরনের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী ও ৩০০ কেজি(প্রায়) বাসমতি চাল জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, কুড়িগ্রাম সদরকেন্দ্রিক একটি চক্র ভূরুঙ্গামারী থানার ভোটহাট ও কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জ এবং নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব ভারতীয় পণ্য দেশে প্রবেশ করিয়ে আসছিল।
অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চোরাকারবারি চক্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 সার্কেল এএসপি জনাব মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকায় চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।  এসব অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।” পুলিশের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ পণ্য সরবরাহ বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Share this news as a Photo Card