শিরোনাম :
ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে ধসে পদকহীন ফিরছে বাংলাদেশ বিনিয়োগের হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামের তিন লরি ট্রাম্পের হুমকির পর ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ছাড়বে জি-৭ শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামায়াতনেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের মানুষের প্রেমে এত ঝামেলা, রোবটের দিকে মন দিলেন মাহি ময়মনসিংহে বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৭ আমদানিতে ৮৭ টাকার মাল্টা খুচরায় ৫২০ টাকা সিন্ডিকেটের কৃত্রিম সংকটে ১৫৮৫ টাকার এলপিজি ২৫০০ টাকা

বিনিয়োগের হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে নিরাপদ বিনিয়োগের ঠিকানা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে বাংলাদেশ আগ্রহী, এমন বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আন্তর্জাতিক সংলাপ ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এনগেজমেন্টে আগ্রহী বাংলাদেশ। মিউচুয়াল রেসপেক্টে সম্পর্ক গড়তে চাই আমরা।” তাঁর ভাষ্য, সরকার বাংলাদেশকে একটি বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে চলমান বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিদ্যমান অন্যান্য কার্ড একসঙ্গে করে একটি ইউনিভার্সেল কার্ড প্রত্যেক নাগরিকের হাতে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।

শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা যেন আনন্দের সঙ্গে শিখতে পারে, সেটাই সরকারের লক্ষ্য। শিক্ষা শুধু সনদের জন্য নয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম ও মিড ডে মিলসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তরুণদের প্রসঙ্গেও কথা বলেন সরকারপ্রধান। তাঁর ভাষ্য, দেশের তরুণদের যোগ্য করে তুলতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, তবে তাদের প্রত্যাবাসন জরুরি। সংকটের শুরু মিয়ানমারে, তাই এর সমাপ্তিও হতে হবে সেখানেই। একই বক্তব্যে তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচারস: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন এ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’ প্রতিপাদ্যে সংলাপের আয়োজন করেছে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। তিন দিনের এ আয়োজন চলবে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত।

সংলাপের বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচনার বিষয়ের মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র ও সুশাসন। এর পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য এবং এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও কথা হবে।

সংলাপে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, কূটনীতিক, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমকর্মীরা। বৈশ্বিক পরিবর্তনের এই সময়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্ভাবনার নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় হবে তিন দিনের এ আসরে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে ধসে পদকহীন ফিরছে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সিন্ডিকেটের কৃত্রিম সংকটে ১৫৮৫ টাকার এলপিজি ২৫০০ টাকা

০২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বিনিয়োগের হাব হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশকে নিরাপদ বিনিয়োগের ঠিকানা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে বাংলাদেশ আগ্রহী, এমন বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আন্তর্জাতিক সংলাপ ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এনগেজমেন্টে আগ্রহী বাংলাদেশ। মিউচুয়াল রেসপেক্টে সম্পর্ক গড়তে চাই আমরা।” তাঁর ভাষ্য, সরকার বাংলাদেশকে একটি বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে।

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে চলমান বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিদ্যমান অন্যান্য কার্ড একসঙ্গে করে একটি ইউনিভার্সেল কার্ড প্রত্যেক নাগরিকের হাতে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।

শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা যেন আনন্দের সঙ্গে শিখতে পারে, সেটাই সরকারের লক্ষ্য। শিক্ষা শুধু সনদের জন্য নয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম ও মিড ডে মিলসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তরুণদের প্রসঙ্গেও কথা বলেন সরকারপ্রধান। তাঁর ভাষ্য, দেশের তরুণদের যোগ্য করে তুলতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, তবে তাদের প্রত্যাবাসন জরুরি। সংকটের শুরু মিয়ানমারে, তাই এর সমাপ্তিও হতে হবে সেখানেই। একই বক্তব্যে তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচারস: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন এ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’ প্রতিপাদ্যে সংলাপের আয়োজন করেছে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)। তিন দিনের এ আয়োজন চলবে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত।

সংলাপের বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচনার বিষয়ের মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র ও সুশাসন। এর পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য এবং এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও কথা হবে।

সংলাপে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, কূটনীতিক, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমকর্মীরা। বৈশ্বিক পরিবর্তনের এই সময়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্ভাবনার নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় হবে তিন দিনের এ আসরে।

Share this news as a Photo Card