ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের জন্য দশ হাজার কোটি টাকার একটি বৃহৎ আবাসন প্রকল্পের প্রস্তাব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মাধ্যমে চীন সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশতলা ভবনের ছোট ছোট ইউনিটে গড়ে ওঠা এই ফ্ল্যাটগুলোতে বসবাসকারীদের কোনো ভাড়া গুনতে হবে না, শুধু গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করলেই চলবে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান।
সচিবালয়ে মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের এক বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে চীনের সম্মতি মিলেছে। বৈঠকে সচিব মো. শহিদুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত জানান, সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্কে এক ঐতিহাসিক ও সোনালি সময় তৈরি হয়েছে।
শুধু আবাসন নয়, জ্বালানি ও নগর অবকাঠামোতেও বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএমইসির মাধ্যমে চলমান বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্পের চূড়ান্ত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে আগামী ২ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে, আর জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২০২৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলের বর্জ্য নিয়েও পাওয়ার চায়নার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের অসমাপ্ত কাজে অর্থায়নের নিশ্চয়তাও দিয়েছে চীন, যার মাধ্যমে গুলশান, বারিধারা ও বনানী যুক্ত হবে স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কে। সরকারি ভবন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের ছাদে নেট মিটারিং পদ্ধতিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনেও বিনিয়োগে আগ্রহী দেশটি।
সমুদ্রবন্দর খাতেও এগোচ্ছে সহযোগিতা—মোংলা বন্দরের উন্নয়নে দ্রুতই কাজ শুরুর পাশাপাশি মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে একটি সংযোগ স্থাপনেও কাজ করবে চীন, জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 



















