ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলের তেল আবিব শহরে এক হাজারের বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে যা এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির মেয়র।
ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ এর বরাতে মেয়র রন হুলদাই বলেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তেল আবিবের এক হাজারের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট এখন আর বসবাসের উপযোগী নেই। খবর আনাদোলুর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের সময় তেহরান পাল্টা হামলা হিসেবে ইসরায়েলের বিভিন্ন বড় শহরে একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এর ফলে তেল আবিব, রামাত গান ও বেনেই ব্রাকসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন, যানবাহন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বহু মানুষ হতাহত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের সময় প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে আকাশে বিস্ফোরিত ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষও বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় পড়ে অতিরিক্ত ক্ষতি সাধন করে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের হিসাবে, ইরান ও লেবাননের সঙ্গে প্রায় ৪০ দিনের এই যুদ্ধের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭৫০ কোটি ডলার। তবে এতে পুনর্গঠন ব্যয় এবং যুদ্ধ চলাকালে আংশিকভাবে অর্থনীতি বন্ধ থাকার কারণে হওয়া ক্ষতির হিসাব অন্তর্ভুক্ত নয়।
এছাড়া প্রায় ৩০ হাজার ইসরায়েলি নাগরিক সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ভবন ক্ষতির জন্য ১৮ হাজার ৪০৮টি, সরঞ্জামের জন্য ২ হাজার ৫৯৪টি এবং যানবাহনের জন্য ৬ হাজার ৬১৭টি দাবি জমা পড়েছে।
ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ধারণা, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই সংঘাতের ক্ষতিপূরণ ব্যয় প্রায় ৬৫০ কোটি শেকেলে পৌঁছাতে পারে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও এখনও স্থায়ী শান্তি চুক্তি হয়নি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 



















