শিরোনাম :
হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে নতুন জল্পনা,আকস্মিক দিল্লি সফরে বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান আদর্শবান সাংবাদিকরাই স্বৈরাচার পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন: রিজভী বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে ছিটকে গেলেন মেসি-এমবাপ্পে, জানাল এআই কাঁটাতারে আটকা ১৩০ হাতি, কূটনীতির টেবিলেও মিলছে না সমাধান সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি ক্যাঙারু কোর্ট’ মন্তব্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির আওয়ামীপন্থি দুই আইনজীবী, চাইলেন নিঃশর্ত ক্ষমা কে পাঠালেন উড়োজাহাজে করে পরীমনিকে শিউলি ফুল? ফেব্রুয়ারি ছেড়ে জানুয়ারিতে বইমেলা, প্রশ্ন উঠছে একুশের চেতনা নিয়ে পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ‘নৌকা’ নিয়ে তোলপাড়

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে নতুন জল্পনা,আকস্মিক দিল্লি সফরে বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান

বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সারওয়ার ফরিদ দিল্লি সফরে গেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) তিনি ঢাকা ছাড়েন। সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে দুই দেশের কোনো সরকারই বিস্তারিত কিছু জানায়নি। এ কারণে কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
কী নিয়ে আলোচনা
দিল্লির পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গও উঠতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন। তবে এই সফরে বিষয়টি আলোচনায় আসবে কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
প্রত্যর্পণ নিয়ে দুই দেশের অবস্থান
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে। ভারতের বক্তব্য, আইনি প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান মেনে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সিদ্ধান্তের কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে এই অবস্থানগত ব্যবধান একটি বড় বাধা।
নিরাপত্তা সহযোগিতার পরিসর
ভারতের কাছে বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা কেবল রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়। দীর্ঘ সীমান্ত, সীমান্তপারের অপরাধ, জঙ্গি তৎপরতা, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ দরকার। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনায় আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের সীমান্ত অঞ্চল ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। অনুপ্রবেশ, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর গতিবিধি নিয়ে তথ্য আদান-প্রদান দুই দেশের জন্যই জরুরি। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়নি।
আগের প্রসঙ্গ
এর আগে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের কথিত বাংলাদেশ সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। সেই সফর সম্পর্কে দুই সরকারের কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলেনি।
যা এখনো নিশ্চিত নয়
হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে, কিংবা নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়েছে, এমন তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ পুলিশ সুপারের

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ‘নৌকা’ নিয়ে তোলপাড়

২৬ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে নতুন জল্পনা,আকস্মিক দিল্লি সফরে বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধান

আপডেট সময় ০৫:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সারওয়ার ফরিদ দিল্লি সফরে গেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) তিনি ঢাকা ছাড়েন। সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে দুই দেশের কোনো সরকারই বিস্তারিত কিছু জানায়নি। এ কারণে কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
কী নিয়ে আলোচনা
দিল্লির পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গও উঠতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন। তবে এই সফরে বিষয়টি আলোচনায় আসবে কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
প্রত্যর্পণ নিয়ে দুই দেশের অবস্থান
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে। ভারতের বক্তব্য, আইনি প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান মেনে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সিদ্ধান্তের কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে এই অবস্থানগত ব্যবধান একটি বড় বাধা।
নিরাপত্তা সহযোগিতার পরিসর
ভারতের কাছে বাংলাদেশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা কেবল রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়। দীর্ঘ সীমান্ত, সীমান্তপারের অপরাধ, জঙ্গি তৎপরতা, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ দরকার। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনায় আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের সীমান্ত অঞ্চল ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। অনুপ্রবেশ, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর গতিবিধি নিয়ে তথ্য আদান-প্রদান দুই দেশের জন্যই জরুরি। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়নি।
আগের প্রসঙ্গ
এর আগে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের কথিত বাংলাদেশ সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। সেই সফর সম্পর্কে দুই সরকারের কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলেনি।
যা এখনো নিশ্চিত নয়
হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে, কিংবা নির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত হয়েছে, এমন তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

Share this news as a Photo Card