শিরোনাম :
মিরপুর টেস্টে ৯৯-তে থেমে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় সাদমান দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৯ ও হামে ৭ শিশুর মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল শুরু ৩১ অক্টোবর, আগে করালে গ্রহণযোগ্য নয় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত চারজন, আহত ১১ মিরপুর টেস্টে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় আকস্মিক পরিদর্শনে পাঁচ চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও প্রযুক্তিতে জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে ‘মহব্বত’-এ শাকিব খানের নায়িকা কি পাকিস্তানের কিনজা হাশমি ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা

অন্ধকারে সচিবালয়, ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়

মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একটি অংশে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে শুরু হওয়া এই বিপর্যয়ে সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কী কারণে এমনটি ঘটল, তা এখনো জানা যায়নি।

মগবাজার, বনশ্রী ও খিলগাঁওসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানিয়েছে, ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ পূর্বাঞ্চলের নানা এলাকায় সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। চট্টগ্রামের একটি অংশেও একই পরিস্থিতি। তবে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক আছে।

সংস্থাটি জানায়, সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে সংযোগ ফিরিয়ে আনার কাজ করছেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম রয়েছে জাতীয় লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে। বিপর্যয়ের কারণ ও সূত্রপাত নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি। গ্রিডে ত্রুটি দেখা দিলে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সরবরাহ পুনরুদ্ধারে কয়েক ঘণ্টাও লেগে যেতে পারে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০১ মেগাওয়াট, উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৩০৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ২৯৮ মেগাওয়াট। এই ঘাটতির সঙ্গে বিপর্যয়ের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা জানা যায়নি।

প্রেক্ষাপট

দেশে এর আগেও জাতীয় গ্রিডে বড় বিপর্যয় ঘটেছে। ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর দুপুর ২টা ৫ মিনিটে পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয় শুরু হয়। এতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। বিভিন্ন এলাকায় তিন থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। পরে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির দুজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারও আগে, ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর টেস্টে ৯৯-তে থেমে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় সাদমান

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা

২৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

অন্ধকারে সচিবালয়, ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়

আপডেট সময় ০৩:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একটি অংশে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে শুরু হওয়া এই বিপর্যয়ে সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। কী কারণে এমনটি ঘটল, তা এখনো জানা যায়নি।

মগবাজার, বনশ্রী ও খিলগাঁওসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানিয়েছে, ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ পূর্বাঞ্চলের নানা এলাকায় সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। চট্টগ্রামের একটি অংশেও একই পরিস্থিতি। তবে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক আছে।

সংস্থাটি জানায়, সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে সংযোগ ফিরিয়ে আনার কাজ করছেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম রয়েছে জাতীয় লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে। বিপর্যয়ের কারণ ও সূত্রপাত নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি। গ্রিডে ত্রুটি দেখা দিলে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সরবরাহ পুনরুদ্ধারে কয়েক ঘণ্টাও লেগে যেতে পারে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০১ মেগাওয়াট, উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৩০৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ২৯৮ মেগাওয়াট। এই ঘাটতির সঙ্গে বিপর্যয়ের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা জানা যায়নি।

প্রেক্ষাপট

দেশে এর আগেও জাতীয় গ্রিডে বড় বিপর্যয় ঘটেছে। ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর দুপুর ২টা ৫ মিনিটে পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয় শুরু হয়। এতে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। বিভিন্ন এলাকায় তিন থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। পরে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির দুজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারও আগে, ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

Share this news as a Photo Card